
নতুন আইনে বা ঘোষণায় যা বলা হলো এবং আমি যা বুঝলাম
(বুঝায় কি ভুল আছে ?) :-
মূল সংবাদটি :-
প্রবাসীদের ভোটার হতে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ লাগবে না: ইসি। এর বর্ণনায়
ইসি(নির্বাচন কমিশন) বলেকশন ,
ভোটার হতে প্রবাসীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ লাগবে না বলে জানিয়েছে। এর মাধ্যমে উত্তর আমেরিকা, ইউরোপসহ কয়েকটি দেশের প্রবাসীদের ভোটার হওয়ার পথ সহজ করা হলো।সম্প্রতি ইসি থেকে উপজেলা/থানা নির্বাচন পর্যায়ের রেজিস্ট্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে ‘দ্বৈত নাগরিক ও বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জনকারী বিদেশি নাগরিকদের ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তকরণ প্রসঙ্গে’ একটি নির্দেশনা পাঠানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রের আলোকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, নিউ জিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের এবং হংকং, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশের নাগরিককে নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশের নাগরিককে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ দাখিলের প্রয়োজন হবে না। এছাড়া এমন সনদ নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
আমি যা বুঝলাম :-
আইন বা নিয়মটি ভালো হয়েছে ,যারা প্রবাসে গিয়ে নিজের শ্রম/মেধা/যোগ্যতা দিয়ে নিজের অবস্থান গড়েছেন তাদের জন্য। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে , যারা দেশে থেকে আমলা/নেতা /এমপি/মন্ত্রী/ইউপি চেয়ারম্যান হয়ে জনগণের সম্পদ চুষে ,আইনের আওতায় আসার আগেই বা আইনের আওতায় আসলেই যে কোনো সময় দ্বৈত নাগরিকত্বের অপর পাসপোর্টই ব্যবহার করে উড়াল দিতে পারবেন।
যেমন একটি উদাহরণ
মিস্টার অমুক,পিতার নাম তমুক ,মাতার নাম.......নাগরিকত্ত্ব বাংলাদেশী এর নাম রেড এলার্ট জারি হলো। তখন সেই ব্যাক্তি নাম পরিচয় এক থাকা সত্ত্বেও দ্বৈত নাগরিকত্ত্বের পরিচয়ে দেশে থেকে চলে যাওয়ায় বাধা থাকছেনা ,সহজেই চলে যেতে পারে।অর্থাৎ দেশ চালাবেন দ্বৈত নাগরিকেরা
আগে,
দ্বৈতনাগরিকদের নাগরিক সনদ দেওয়ার কথা থাকলেও বিষয়টি এড়িয়ে অনেকে ভোটারও হয়ে যান।সেটা রোধ করতে না পেরে নিয়ম করে বৈধ করে ডেটা কি ঠিক হলো ,নাকি উড়াল দেয়ার সরকার সহায়তা করলো !?
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে এপ্রিল, ২০২২ রাত ১:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


