somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এলোমেলো ছবি ৫

৩০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সৈকতে হাটতে হাটতে তীরের কাছে পানিতে কালো রঙের ময়লার মত কি যেন ভাসতে দেখলাম। কাছে গিয়ে দেখলাম ওগুলো ময়লা না, ছোট ছোট অনেক অনেক মাছের ঝাক। পরে জেনেছি, বড় মাছগুলোর তাড়া খেয়ে ছোট ছোট মাছগুলো গভীর সমুদ্র থেকে ঝাক বেধে তীরের কাছে চলে আসে। অবশ্য তীরের কাছেও ওরা নিরাপদ নয়...




কারণ তখন মাছগুলোকে খুব সহযেই বড়শিতে কিছু না গেথেই ধরা যায়। অনেক সময় মিনিটে ৪-৫ টা মাছও উঠে। এই ছোট মাছগুলোকে পরে বড়শিতে গেথে আরও বড় মাছ ধরার জন্য টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।




আইল্যান্ডে আমার অনেক ছোট্ট বন্ধু আছে, এদের কেউ কেউ খুব সহযেই মিশতে পারে।




আবার কেউ কেউ ভয়ে পালায়




এখানে আসার পরে সবার আগে আনুসের সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়। আনুসকে অনেকবার জিগেস করার পরও ও বলতে পারেনি ওর ভাইবোনের সংখ্যা কত :|। পরে একদিন আংগুল গুনে গুনে হিসেব করে বলল ওরা ছয় ভাই, তবে বোনের সংখ্যা বলতে পারবেনা :-*। ছবিতে আনুসের কোলে ওর পিচ্চি বোন আনান:D




কখনও কখনও পিচ্চিদের ফুটবল খেলা দেখি, আর সুযোগ পেলেই বলে কষে একটা মারি B-)




আইল্যান্ডে ফুটবল অনেক জনপ্রিয়। শুনেছি, ইধাফুশী থেকেই তিনজন প্লেয়ার মালদ্বীপের জাতীয় দলে খেলে, এমনকি তারা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সাফ ফুটবলেও অংশগ্রহন করেছিল।




ঘুরতে ঘুরতে একদিন হঠাৎ এই গোপন বৈঠকখানা আবিষ্কার করি




বিশ্রাম নেয়ার জন্য যথার্থ স্থানই বটে




তবে রোদে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নেয়ার জন্য আমার প্রিয় জায়গা হল, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দোকান গুলো:P




দোকানে ঠান্ডা পানীয় খেতে খেতে ঘুরে ঘুরে জিনিসপত্র দেখতে অনেক ভালো লাগে :-*




ঈদানীং কয়েকটা দোকানে আমও পাওয়া যাচ্ছে। তবে দাম একটু বেশী। প্রতি কেজি আমের দাম আশি রুফিয়া ( ১রুফিয়া=৫.৪টাকা)




দোকান গুলোতে হাজারো বিদেশী পণ্যের ভিড়ে একটি খাটি দেশী পণ্য দেখে টাশকি খাইছিলাম:|

আজ এ পর্যন্তই
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১২:৩০
১৮টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

I Have a plan / মুচলেকা দিয়ে যাওয়া এবং মুচলেকা দিয়ে ফেরত আসা সরকারের রাষ্ট্র ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:৪৬





ওয়াশিংটন – যদিও তিনি এমন একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন যার বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন রয়েছে, এবং শক্তিশালী মহলের প্ররোচনায় যাদের হস্তক্ষেপ কখনোই সন্দেহের বাইরে ছিল না, তারেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় কাউকে জয়ী হতে দেয় না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১১




আমরা প্রায়ই বলি, অমুক এভারেস্ট জয় করেছেন, তমুক কে-টু জয় করেছেন, অমুক অন্নপূর্ণা জয় করেছেন। শব্দটি এতটাই প্রচলিত যে আমরা আর ভাবিই না—আসলে কি পাহাড়কে জয় করা যায়?

আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×