somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভয়ংকর সুন্দর – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

২৭ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভয়ংকর সুন্দর
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর লেখা কাকাবাবু সিরিজের প্রথম বই ভয়ংকর সুন্দর। ঠিক করেছি এই সিরিজের সবগুলি বইয়ের রিভিউ লিখব। দুই লাইনে নামকাওস্তে রিভিউ আমি লিখতে পারিনা বলে লেখা শেষ হলে দেখি বিশাল বড় হয়ে গেছে। পড়তে একটু সময় লাগবে তবে পুর কাহিনী সংক্ষেপ পেয়ে যাবেন একটা রিভিউয়েই।


কাহিনী সংক্ষেপঃ
কাকাবাবু অনেক দিন আগে এক গাড়ি দুর্ঘটনায় তার একটা পা হারান। তাছাড়া কাকাবাবুর চোখে অনেক পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করতে হয়, চশমা ছাড়া তিনি কিছুই দেখতে পারেন না। তিনি চুরট খান এবং উনার একটা লাইসেন্স করা রিভলভার আছে। সন্তু কাকাবাবুর চেলা এবার ক্লাস এইটে পড়ে।

ভয়ংকর সুন্দর গল্পে সন্তু ও কাকাবাবু গেছেন কাশ্মীরের পহেলগ্রামে, থাকছে তাবুতে। প্রতিদিনই কাকাবাবু সন্তুকে নিয়ে চলে যান সোনমার্গ, সেখানে ফিতে নিয়ে কি কি দূরত্ব মাপেন। সকলে জানে কাকাবাবু গন্ধকের খনি খুঁজছেন।

সূচা সিং কাশ্মীরের প্রভাবশালী লোক, কাকাবাবুকে খুব খাতির করে, কিন্তু বিচিত্র কোন কারণে কাকাবাবু তাকে পছন্দ করেন না। সন্তু আর কাকাবাবু বাসের অপেক্ষায় বসে আছে এমন সময় সূচা সিং কাকাবাবু কে জিজ্ঞাস করলো যা খুঁজছেন তা পেয়েছেন কিনা। কাকাবাবু জানালো কোন কিছুই পাওয়ার আশা খুব কম। সূচা সিং এর ধারনা এখানে গন্ধক না বরং সোনার খনি আছে। সূচা সিং এর ধারনা কাকাবাবু আসলে গন্ধকের নাম করে সোনার খনিই খুঁজছেন। গন্ধকের কথা সন্তুরও বিশ্বাস হয় না। সন্তুর ধারনা কাকাবাবু সোনার খনিই খুঁজছেন। কিন্তু কাকাবাবুর সাথে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি শুধু বললেন যে আসলে তিনি সোনা নয় বরং একটা চৌক পাতকুয়া খুঁজছেন।

কাকাবাবু ও সন্তু গিয়েছে সোনমার্গের একটা ছোট্ট টিলায়। সেখানে কাজ করার সুবিধার জন্য ওরা তার কাছেই ছোট্ট একটা পাহাড়ি গ্রামে গিয়ে উঠলো। রাতে ঘুমানোর সময় সন্তু বিচিত্র এক শব্দ শুনতে পায়। মনে হয় যেন তাদের ছোট্ট ঘরের জানলার কাছেই কেউ একজন এক যায়গায় দাঁড়িয়ে ঘোড়া ছুটাচ্ছে। দ্বিতীয় দিন রাতেও একই শব্দ শুনে সন্তু কাকাবাবুকে ঘুম থেকে ডেকে তুলল। কাকাবাবু তার রিভলভার নিয়ে দরজা খুলে বাইরে গেলেন দেখতে, কিন্তু সাথে সাথে শব্দ বন্ধ হয়ে গেল, কিন্তু তিন ঘরে ঢুকে দরজা লাগাতেই আবার শব্দ শুরু হল। পরদিন সকালে গায়ের লোকদের সাথে আলাপ করে জানা গেলো তারাও মাঝে মাঝে এই শব্দ শোনেন। তারা বলল অনেক আগে হাকো নামের একজন রাজার চিঠি নিয়ে যাচ্ছিলো। তখন তাকে শত্রুরা কুয়াতে ফেলে দিয়ে হত্যা করে। তারপর থেকেই হাকো এই ভাবে ঘোড়া ছুটাচ্ছে। হাকো খুবই সুদর্শন যুবা, কিন্তু তার চোখ দিয়ে আগুণ বের হয়, তার চোখের দিকে তাকালে জ্বলে-পুরে ছারখার হয়ে যেতে হয়, তবে সে সাধারণত কারো কোন ক্ষতি করে না।

কাকাবাবু চেষ্টা করলেন কুয়ার ব্যাপারে গ্রামবাসীদের কাছ থেকে কিছু জানতে, কিন্তু তারা সে সম্পর্কে কিছুই বলতে পারলো না।

এদিকে রাতে আবার সেই শব্দ হতে থাকে। কদিন পরে কাকাবাবু আর সন্তু গেলেন জঙ্গলের দিকে। সেখানে হটাত করেই সন্তু একটা ঝোপে ঢাকা কুয়ার মধ্যে পা পিছলে পড়ে যায়। পরে কাকাবাবু উপরে একটা দড়ি বেধে তিনিও নিচে নেমে আসেন। এই কুয়াটার মুখ চৌক, আর কাকাবাবু একটা চৌক পাতকুয়া খুঁজছেন। কাকাবাবুর ধারনা এটাই সেই কুয়া। কুয়ার নিচে একটা সুড়ঙ্গ আছে। সুড়ঙ্গের ভিতরে ছিল মস্ত বড় এক সাপ। সাপটাকে গুলি করে মেরে কাকাবাবু আর সন্তু সুড়ঙ্গের ভিতরে গিয়ে দেখল সেখানে একটা কঙ্কাল পরে আছে, তার সাথে আছে বড় একটা বর্শা আর একটা চৌক তামার বাক্স। বাক্সটা নিয়ে ওরা দ্রুত কুয়ার বাইরে বেরিয়ে এলো। বাইরে বেরিয়ে তামার বাক্স খুলে তার ভিতরে শেওলা ধরা একটা পাথর দেখে সন্তুর মন খারাপ হয়ে গেল। কাকাবাবু পাথরা নিয়ে পরিষ্কার করল। পরে সন্তু দেখল পাথরটা আসলে একটা মূর্তির মুণ্ডু। মুণ্ডুটির ভিতরটি ফাঁপা সেখানে কি সব লেখা আছে। কাকাবাবু জানালেন তিনি এই মুণ্ডুটির খোঁজেই এতদিন ধরে করছেন। সম্রাট কণিষ্কের মূর্তির মুণ্ডু এটি, তার সম্পর্কে অনেক কথা লেখা আছে এটার ভিতরে। সম্রাট দেখতে কেমন ছিল এতদিন সেটা কেউ জানত না, এই মুণ্ডুর কল্যাণে এবার সবাই সেটা দেখতে পাবে। ইতিহাসের জন্য এটা অনেক বড় আবিষ্কার। চাইনিজ এক পাগলের ডাক্তারের লেখা বইতে পড়ে আর প্রচলিত গল্প উপকথা থেকে কাকাবাবুর ধারনা হয় মুণ্ডুটি কাশ্মীরে আছে, তাই তিনি সন্তুকে নিয়ে এখানে খুঁজতে এসেছেন।

পাহাড়ি গ্রাম থেকে মুণ্ডু নিয়ে ফেরার পথে কোন বাস বা জীপ গাড়ি না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সূচা সিং এর সাথে দেখা হতে তার গাড়িতে করেই কাকাবাবু ও সন্তু পহেলগ্রাম ফিরে আসে। কথায় কথায় সূচা সিং জানতে চায় কাকাবাবু কি পেয়েছেন। অনেক চাপাচাপি করাতে সন্তু মুখ ফসকে বলে ফেলে একটা পাথর পেয়েছে। সূচা সিং পাথরটি বারবার দেখতে চায়, কিন্তু কাকাবাবু দেখতে দেন না। সূচা সিং এর ধারনা হয় ওরা পাথরে করে সোনার নমুনা নিয়ে যাচ্ছে।

পহেলগ্রাম ফিরে মুণ্ডুটি ট্রাংকে রেখে সন্তুকে তার পাহারায় বসিয়ে কাকাবাবু যান পোষ্ট অফিসে। সন্তু তাবুতে বসে বই পড়তে থাকে। দেখতে দেখতে দিন শেষ হয়ে রাত নেমে আসে তবুও কাকাবাবু ফেরেন না। সন্তু ভাবনায় পরে যায়, তবুও তাঁবু থেকে বেরিয়ে কাকাবাবুকে খুঁজতে যেতে পারে না, কারণ ট্রাংকে রয়েছে মুণ্ডুটি। চিন্তিত মন নিয়ে সন্তু একসময় ঘুমিয়ে পরে। রাতে হটাত করেই ঘুম ভেঙ্গে যায়, দেখে ঘরে তিন জন লোক দাঁড়িয়ে। একজন সন্তুর মুখ চেপে ধরে। বাকিরা তার মুখে কাপর গুজে দিয়ে হাত পা বেধে ফেলে। তারা সারা তাঁবু তন্ন তন্ন করে কি যেন খুঁজতে থাকে। ওরা মুণ্ডুটি যে বাক্সে রাখা ছিল সেটা নিয়ে চলে যায়। যে লোক সন্তু মুখ চেপে ধরেছিল তাকে সন্তু চিনতে পারে, সে হচ্ছে সূচা সিং। সন্তু অনেক কষ্টে ছুড়ি দিয়ে আসতে আসতে তার হাতের বাধন কেটে নিজেকে মুক্ত করে।

পাহাড়ি গ্রামে যাওয়ার সময় সন্তু তার বান্ধবী ও তার বড়বোন এবং তার স্বামী সিদ্ধার্থ দের সাথে দেখা হয়েছিলো, তারা তখন অন্য দিকে বেড়াতে যাচ্ছিলো। সকাল হতে সন্তু তাদের খুঁজতে গেলো, কিন্তু তারা যে হোটেলে উঠেছিলো সেখানে গিয়েও কোন খবর পেলো না। কিন্তু বাস স্টপ গিয়ে সন্তু সিদ্ধার্থদার দেখা পেয়ে গেলো, তারা বাসে করে শ্রীনগর যাচ্ছে। সন্তু সিদ্ধার্থকে সব খুলে বলল। সিদ্ধার্থ মেয়েদের শ্রীনগর পাঠিয়ে দিয়ে সন্তুকে নিয়ে প্রথমেই গেলো পুলিশের কাছে। পুলিস ওদের কথা শুনে কাকাবাবুর খোঁজ করা শুরু করলো। এদিকে ওরা জানতে পারলো সূচা সিং গ্রামের বাইরে গেছে। ওরা খুঁজে খুঁজে সূচা সিং এর বাড়িতে গেলো সেখানে তার স্ত্রীর সাথে কথা বলে জানতে পারলো সূচা সিং এর একটা বাড়ি আছে দেওগির, সেখানে সে গেছে। পুলিশকে এই কথা জানাতে তারা খুব একটা গা করলো না। সিদ্ধার্থ আর সন্তু নিজেরাই গেলো দেওগির। সেখানে গিয়েই তারা কাকাবাবুর একটি ক্রাচ দেখতে পেলো সরু রাস্তার ধারে পরে আছে। রাস্তা ধরে কিছু দূর গিয়ে একটা দোতালা কাঠের বাড়ি দেখতে পেল, সেখানে আরেকটি ক্রাচ পেল তারা। বাড়িটাতে বেশ কয়েকটি ঘর আছে, সেখানে একটা ঘরে কাকাবাবুকে খুঁজে পেলো ওরা। কিন্তু কাকাবাবুকে উদ্ধার করতে গিয়ে ওরাও বন্দি হয়ে গেলো কাকাবাবুর সাথে। কাকাবাবু জানালেন সেদিন সকালে পোস্ট অফিসে যাওয়ার সময়ে একটা গাড়ি করে দুজন লোক এসে তাকে জোর করে ধরে নিয়ে আসে।

সূচা সিং কাকাবাবুর কথা কিছুতেই বিশ্বাস করল না। তার ধারনা হল মুণ্ডুতে সাংকেতিক ভাষায় গুপ্ত ধনের নকশা লেখা আছে বা এটা স্বর্ণের নমুনা পাথর। সূচা সিং কাকাবাবুদের তিন জনকে ঘরে আটকে রেখে মুণ্ডুটি নিয়ে জম্মু তার এক বন্ধকে দিয়ে পরীক্ষা করাবে বলে গাড়ি নিয়ে চলে গেলে। এ কথা শুনে কাকাবাবু অস্থির হয়ে গেলেন, শেষে তারা তিনজনে মিলে দরজা ভেঙ্গে বেরিয়ে এলো। বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তায় এসে তার একটি আর্মির ট্রাক থামালেন। অনেক কষ্টে দায়িত্বে থাকা কর্নেলকে বুঝাতে পারলেন মুণ্ডুটার গুরুত্ব, শেষে কর্নেল রাজি হল তাদের নিয়ে সূচা সিং এর পিছু নিতে। অনেকটা পথ চলার পরে ওরা সূচা সিং এর গাড়িটি দেখতে পেলো। পাহাড়ি রাস্তায় অনেক কষ্টে একেবারে সূচা সিং এর গাড়ির কাছাকাছি চলে যায়। পাহাড়ি পথের উলট দিক থেকে অনেকগুলি গাড়ি আসার কারণে সূচা সিং বাধ্য হয় গাড়ি থামাতে। গাড়ি থামিয়ে মুণ্ডু রাখার বাক্সটি নিয়ে দৌড়াতে শুরু করে। কাকাবাবুরাও তার পিছু নেয়।

শেষ পর্যন্ত উঁচু এক ঢালে সূচা সিং থামতে বাধ্য হয়। ঢালটার নিচেই বয়ে চলেছে পাহাড়ি নদী। সূচা সিং কাকাবাবুর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া রিভলভার বাগিয়ে ধরে কাকাবাবুদের দিকে, কিন্তু কর্নেল আর তার লোকের হাতে অস্ত্র দেখে সে দমে যায়। শেষ পর্যন্ত সূচা সিং ভয় দেখায় তার কাছে আসলে বা তাকে ধরতে গেলে মুণ্ডুটা সে নদীতে ফেলে দিবে। এই সমস্ত কথার ফাকে সিদ্ধার্থ লাফিয়ে পরে সূচা সিং কে ধরে ফেলে। ধস্তাধস্তির ফাকে সূচা সিং মুণ্ডসহ বাক্সটি ছুড়ে ফেলে নিচের নদীতে। আর ঢাল থেকে গড়িয়ে পরে সিদ্ধার্থ ও সূচা সিং দুজনেই আহত হয়। সিদ্ধার্থকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আর সূচা সিংকে পুলিশে নিয়ে যায়। অন্য দিকে নদীর চার ধারে অনেকটা যায়গায় জুড়ে বাক্সটাকে খুঁজে বেরান কাকাবাবু, কিন্তু খুঁজে পান না।
সমাপ্ত

এপিগ্রাম ইন “ভয়ংকর সুন্দর”

১। যে যায়গাটা এখনও দেখা হয়নি কল্পনায় সেটাই সবচেয়ে সুন্দর লগে।

২। কম্পানিকা মাল দরিয়া মে ঢাল।

৩। দেখার জিনিসের শেষ নেই। কোন যায়গাতে গিয়ে কখনো ভাববে না দেখার কিছু নেই সেই যায়গায়। খোলা চোখ নিয়ে তাকালেই অনেক কিছু দেখতে পাবে।

৪। ভয়কে প্রশ্রয় দিতে নাই।

৫। বিপদের সময় মানুষের এমন মনের জোড় এসে যায় যে অনেক সময় অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়।

৬। বিপদের রাত্রি অনেক দেরি করে শেষ হয়।

৭। দিনের আলোয় অনেকটা সাহস আসে।

৮। মনকে বেশি চঞ্চল হতে দিতে নাই তাতে কাজ নষ্ট হয়।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের হ্যালোইন উদযাপন

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩


আজ ছিল হ্যালোইন। এই উৎসব ফসল কাটার মৌসুমের শেষ ও শীতের শুরু - এই উপলক্ষে হলেও বছরের এ সময়ে কানাডায় ঠান্ডা পড়ে যায়। তবে আজ আবহাওয়া ছিল ভালো। সারাদিন রোদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫



সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

ফরাসি ভাষায় বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- Cherchez la femme। অর্থাৎ, ‘সেই মেয়েটিকে খোঁজ’।

ফরাসি লেখক আলেকজান্ডার ডুমা (Alexandre Dumas) ১৮৫৪ সালে তাঁর উপন্যাস Les Mohicans de Paris-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৩



তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে-

বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু এখন রহস্যের আরেক নাম। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় জুনিয়র বন্ধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দারিদ্র্য কি মানুষকে মহান করে তোলে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬


হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শেষ জনপ্রিয় লেখক। তিনি ছিলেন একাধারে একজন গুণী লেখক ও নাট্যনির্মাতা। হুমায়ূন আহমেদ সমুদ্রবিলাস নামে একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে একজন শিক্ষক ছিলেন, নাম চ্যালেঞ্জার। তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

DNA — ঈশ্বর এবং প্রশ্ন ?

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১২



১. ক্ষুধা
পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ছিল, বাড়ছিল মানুষের খাদ্যচাহিদা; কিন্তু সীমিত জমিতে প্রচলিত পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে উঠছিল।
মানুষ নির্বাচিত প্রজনন ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে এমন ব্রয়লার মুরগির জাত তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×