somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবন যুদ্ধের ইতিহাস

১৬ ই মে, ২০১৭ রাত ৩:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কিছু মুহুর্ত আমার সব সময় মনে পড়ে।আর এইসব কিছু ঘটনা আমার স্মরনীয় হয়ে থাকবে।
.
৫ ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০.৩০ মিনিট। এইচটি ছাত্রাবাস রাজশাহী।
জনী ভাইয়া- আমাকে জিজ্ঞেস করলো কখন যাচ্ছ তুমি।
আমি- ভাইয়াকে বললাম কোথায় যাব আমি ভাইয়া? কেন
জনী ভাইয়া- কেন কাল সকালে তোমার পরিক্ষা। কখন বের হবা তুমি?
আমি- আমি বেরোবি তে পরিক্ষা দিব না।
ভাইয়া - কেন?
আমি- আমার ভালো লাগে না রংপুর, আমি রাজশাহী ছেড়ে,আপনাকে ছেড়ে অন্য কোথাও গিয়ে থাকতে পারবো না।
ভাইয়া- মেরে হাড় হাড্ডি ভেঙে দিবো,ফাইজলামি পেয়েছো?
আমি- চুপচাপ হয়ে ভাইয়ার কথা শুনলাম।
ভাইয়া- টাকা আছে?
আমি- আছে।
ভাইয়া- তাহলে তারাতারি বের হয়ে যাও।
আমি- হুম।
ভাইয়া - হুম কি?
আমি- জি আচ্ছা।
ভাইয়া- তারাতারি খেয়ে রওনা দাও।
.
তখন আমার কাছে কোন টাকা ছিলো না।তবে ভাইয়াকে আমি ভয়ে বলতে পারিনি যে আমার কাছে টাকা নাই।
সরাসরি আমার রুমে গেলাম এবং আমার টেবিলের ডয়্যার খুলে দেখি ভাংতি কিছু টাকা মোটে ২৬ টাকা মাত্র।
আমি হতাশ! কি করবো এখন, টাকা কোথায় পাবো।
চিন্তা করতে করতে ১১.০০ টা বেজে গেলো।
.
শেষ পর্যন্ত আমার বোনকে ফোন দিলাম।
আমি- আপা
আপা- হ্যা বল কি রে?
আমি- কেমন আছো?
আপা- ভালো,কি কিছু বলবি?
আমি- হ্যা,আমার কিছু টাকা লাগবে।মিলে অনেক টাকা বাকী পড়ে আছে আজ যদি না দেয় তাহলে মিল বন্ধ হয়ে যাবে।
আপা- আব্বা এখনো তো বেতন পাইনি,কিভাবে দেব। আমার কাছে টিউশনির ৫০০ টাকা আছে এটাতে হবে?
আমি - হ্যা হবে,তুমি তারাতারি বিকাশ করে দাও।
আপা - আচ্ছা ঠিক আছে,পাঠাচ্ছি।
.
আমি যে রংপুরে পরিক্ষা দিতে যাব সেটা বলিনি,খাবারের ইস্যু দিয়ে মিথ্যা বলে ৫০০ টাকা নিলাম।
.
তারপর তানজিম ভাইয়াকে ফোন দিলাম এবং বললাম আমি রংপুর যাব,গাড়ীর ব্যবস্থা করে দেন।তারপর ভাইয়া একজনকে ফোন দিলো এবং ব্যবস্থা করে দিল ৫০০ টাকাতে রংপুর আসা যাওয়া।
.
রাজশাহী থেকে বিভিন্ন কুইক সার্ভিসের বাস স্টুডেন্টস দের জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া আসার সুবিধা দিতো।তবে কুইক সার্ভিসে ৭০০ টাকার কমে নিয়ে যাবে না কিন্তু তানজিম ভাইয়া সুপারিশ করায় ৫০০ টাকায় আমাকে নিয়ে যেতে রাজী হয়। ১২.০০ বাজলে গাড়ী ছাড়বে এই প্রত্যাশা নিয়ে কুইক সার্ভিসের রুমে বসে আছি একটা চাদর গায়ে দিয়ে আর হাতে একটা ব্যাগ,পকেটে ২৬ টাকা,মোবাইলে মিসকল দেয়ার ব্যালেন্স আছে শুধুমাত্র।
.
গাড়ী শেষ পর্যন্ত ছাড়ল ১.১০ মিনিটে। আমি গাড়িতে উঠে দেখি সব সিট বুকিং একটা সিটও ফাকা নাই যে আমি সেখানে বসবো।আমি বললাম ভাই আমি কোথায় বসবো? আমার সিট কই? এক ভদ্রলোক আমাকে কঠিন কণ্ঠে বলল ৫০০ টাকায় আবার সিট চাও তুমি,তোমাকে হেলপারের স্থানে দাঁড়িয়ে যেতে হবে।আমি বললাম বনাটে বসব,উনি বললেন বনাট ভর্তি হয়ে গেছে সামনের স্টান্ড থেকে কয়েকজন উঠবে। তারপর হেলপার ভাই গাড়ীর বক্স থেকে আমাকে একটা বালতি এনে দিলো বলল ভাই এখানে বসো তাছাড়া কোন উপায় নাই।
আমি তার কথা মেনে নিয়ে গাড়ীর সামনে দিকে ঐ বালতি উল্টো করে বসলাম।রওনা দিলাম রংপুরের উদ্দেশ্যে।
.
কিছুক্ষণ যাওয়ার পর বানেশ্বর নামের এক জায়গাতে গাড়ী থেমে গেলো এবং সেখানে ১ ঘন্টা যাবৎ এক শুভাকাঙ্ক্ষীর জন্য অপেক্ষা করতে হলো।তারপর গাড়ি যায় আর আমি খালি তাকিয়ে থাকি অপরের দিকে।অন্যদের দিকে তাকিয়ে দেখি কমবেশি অনেকেই ঘুমিয়ে শুধুমাত্র ড্রাইভার আর হেলপার সজাগ আর আমি আমার সাথে কথা বলছি।হটাৎ পৌছে গেলাম রংপুর।তখন বাজে ৭ টা মডার্ন মোড়ে গাড়ি দাঁড়ালো এবং সবাই নেমে গেল সবার দেখে আমিও নামলাম তবে ইচ্ছে করছিলো না নামতে কারণ ঘুমহীন ভাবে ভালো লাগছিলো না।
.
এক এক করে অনেকেই পরিক্ষা দিয়ে চলে আসলো আমার আগের সিফট এর এবার আমার পালা।আমিও মডার্ন থেকে রওনা দিলাম পরিক্ষার উদ্দেশ্যে কিন্তু মেইনগেট থেকে শোনা যাচ্ছে মোবাইল ফোন নিয়ে পরিক্ষার হলে তো দুরের কথা ক্যাম্পাসে ঢোকা যাবে না।আবার দৌড়ে মডার্ন গেলাম গাড়িতে আমার ব্যাগ রাখা আছে ঐ ব্যাগে মোবাইল রেখে আসলাম। হাতে আছে মাত্র ৫ মিনিট একটা যে দৌড় দিলাম সরাসরি সিএসসি (কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং) ডিপার্টমেন্টে ঐখানে আমার সিট পড়েছে।
.
বরাবরের মতো পরিক্ষার হলের শিক্ষকগণ মনে করিয়ে দিচ্ছেন,এডমিট কার্ড দুই কপি আনতে হবে,এক কপি শিক্ষক নিয়ে নেবেন আর এক কপি নিজেদের কাছে থাকবে।আমি দেখি আমার শিক্ষক কপিটি নাই স্যারকে বললাম স্যার আমাকে বাইরে থেকে নিয়ে আসার অনুমতি দিলেন তারপর আবার দৌড়ে কম্পিউটার এর দোকান থেকে প্রিন্ট করে নিয়ে আসলাম তারপর পরিক্ষার হলে বসলাম।
.
টানা ৪০ মিনিট পরিক্ষা দেওয়ার পর আর নিজের চোখ দুটো খোলা অবস্থায় রাখতে পারছি না। ১০মিনিট ঝিমাইতে ঝিমাইতে কি দাগিয়েছি আল্লাহ্‌ জানে। তারপর এক পর্যায়ে সবার ও এম আর খাতা দিয়ে বের হয়ে দেখি বেরোবি ক্যাম্পাসে পা ফেলানোর জায়গা নেই। এক একজন ছেলে মেয়ের সাথে দেখি ৪/৫ জন গার্ডিয়ান এসেছেন লাগেজ, ব্যাগ নিয়ে। কোন মতে বের হয়ে পুনরায় মডার্ন গেলাম এবং হাতমুখ ধুয়ে খাবার কোথায় খাব চিন্তা করলাম।কিন্তু পকেটের এমন অবস্থা যে দুটো পুরি ছাড়া আর জুটলো না পেটে, (এখনও মডার্ন গেলে ঐ মামার দোকানে পুরি খেয়ে আসি)।
.
আমার পরে যাদের পরিক্ষা ছিলো তাদের জন্য অপেক্ষা করতে হলো অনেকক্ষণ। আমার মোবাইলে তাকিয়ে দেখি আব্বা ২২ বার কল করেছিলেন। সাথে সাথে কল দিলাম, কল ধরে আব্বা বলে 'আমি রাজশাহী গিয়েছিলাম ডাঃ দেখাতে তাই ভাবলাম তোমার সাথে দেখা করে আসি কিন্তু তোমার রুমে তালা দেখে ফিরে আসতে হলো আর তুমি আমার ফোনও রিসিভ করলে না যা হোক ভালো থেকো সাবধানে থেকো।'
.
এইরকম কথা শুনে আমি খুব ভেঙে পড়েছিলাম তবে কোন উপায় ছিলো না কারণ আমি কাউকেই বলে আসিনি শুধুমাত্র জনী ভাইয়া ও তানজিম ভাইয়া জানতো ।
.
৫ টার দিকে গাড়ি ছাড়ল এবং আমার স্থানটা আরো নিম্নে চলে গেল।আগে তো বালতিতে বসতে পেয়েছিলাম কিন্তু যাবার সময় এমন অবস্থা হয়েছে আমাকে হেলপার ভাইয়ের সাথে দাঁড়িয়ে ৭ ঘন্টা জার্নি করে ঠিক ১২. ২০.মিনিটে রাজশাহী নামলাম।তারপর ভাইয়ার ঐখানে গেলাম দেখলাম ভাইয়ার খুব মন খারাপ তাই ফিরে আসলাম আমার রুমে।ফ্রেস হয়ে ভাইয়ার পরিচিত হোটেল যেখানে ভাইয়া বাকি খেতেন সেখানে গিয়ে দেখি হোটেল বন্ধ! তারপর টাকা ধার নিয়ে ৩ প্লেট ভাত খেয়ে নিজেকে রাজা মনে হচ্ছিল।
.
.
রেজাল্ট প্রকাশিত হলো ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫।
রাতে রেজাল্ট দিয়েছিলো কিন্তু আমি তার পরের দিন দুপুরে রেজাল্ট দেখলাম এবং আমি খুব ভালো একটা স্থানে আছি সেটা দেখে আমি সাথে সাথে ভাইয়াকে ফোন দিলাম তখন ভাইয়া রাবি ক্যাম্পাস থেকে রুমে ফিরছিলেন। ভাইয়া আসা মাত্রই আমি আমার চান্সের কথাটা বললাম ভাইয়া শুনে আর থাকতে না পেরে সরাসরি রুমে চলে গেলেন কান্নাময় মুখ নিয়ে আমাকে বুঝতে দিচ্ছিলো না যে উনি কেঁদে ফেলেছেন।সেদিন আমার চেয়েও বেসি খুশি হয়েছিলেন জনী ভাইয়া।সাথে সাথে উনার পরিচিত মানুষজন ও আপনজনদের কে আমার এই কথাটা জানিয়ে দিলেন। ফেসবুকে একটা স্টাটাস দিয়ে দিলেন।
.
তানজিম ভাইয়া শুনে যা বলেছে সেটা আমি বলতে পারবো না কারণ উনি আমাকে অনেক ভালোবাসতেন।
.
আব্বাকে ফোন দিয়ে জানালাম চান্সের কথা কিন্তু আব্বা বিশ্বাস করতে চাইনা যে রংপুরে বিশ্ববিদ্যালয় আছে। তখন আমার এক আত্ত্বীয় সম্পর্কে ( ছোট দাদা) ছিলেন লালমনিরহাট জেলার জেলা জজ।
উনার মাধ্যম দিয়ে আব্বা সিওর হলেন যে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় নামক একটি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

আমার রেজাল্ট দেখে আমার বন্ধু নাইম রেজা মাসুম কেমন যেন হয়ে গিয়েছিলো কাঁদো কাঁদো ভাব কিন্তু আমাকে বুঝতে দিচ্ছিলো না।

.
কিছুক্ষণ পর তানিয়া আপা,মাহমুদ ভাইয়া,দাদা দাদি,আলী আঙ্কেল ও আরো আত্মীয়স্বজন জানলেন এই আরকি।
.
২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি ভাইভা ছিলো তাই আমি তানজিম ভাইয়ার সাথে রংপুরে এসে ভাইভা দিলাম এবং সেদিন পরিচয় হলাম রাশেদ ভাই ও শাওন মেহেদী ভাইয়ের সাথে। সেদিন শাওনার ভাইয়ের রুমে থাকলাম শাকিল ভাই এর বেডে। পর্যায়ক্রমিকভাবে এখন সেই বাড়িতেই আছি যে বাড়িতে প্রথম পা রেখেছিলাম।
.
১৮ ও ১৯ তারিখ ভর্তির দিন ঘোষণা করলো।১৮ তারিখ ভর্তি হলাম গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে।সেদিনের ভর্তির টাকাটা ছিলো ঋণ নেওয়া।
.
এভাবে চলতে চলতে আজ এই পর্যন্ত এসে পড়েছি। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা পরিবারের একজন হয়ে খুব গর্ববোধ করি। ভর্তির সকল কার্যক্রম আমার সারাজীবন মনে থাকবে।।।
.
ক্লাশ শুরুর কয়েকদিন পর থেকে আবারও সেই সাংবাদিকতার নেশা শুরু করলাম। যেটা আমাকে সবসময় ভাবায়। বড় চাচা (খাদিমুল ইসলাম হৃদয়) মাধ্যম দিয়ে নিউ এজ( The Daily Newage) পত্রিকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলাম। আগষ্টে বড় চাচা ও ছোট চাচা আমেরিকা চলে যাবার পর ইচ্ছাকৃতভাবে নিউ এজ পত্রিকা ছেড়ে দিলাম। তার কিছুদিনের মাথায় দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় নিয়োগ পেলাম।
.
বর্তমানে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছি।
.
মাঝে মাঝে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধের কথা মনে পড়ে তখন আরো বেশি কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা পায়। ব্যস্ত থাকতে আরো ইচ্ছা করে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০১৭ ভোর ৪:০৭
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

থাক অহমিকায়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


তোমার রঙিন আকাশে নেই
যে অমাবস্যার- অন্ধকার
ঝলমল করছে শুধু চাঁদ-
ডুবছ ডুবছ সুখমারী রাত!
উড়ছ শঙ্খচিলের ডানায়;
তোমার আকাশে অমাবস্যা নাই।

আমি মাটি বন্দি হয়েছি
মরার আগেই- মরার আগেই-
স্বপ্ন দেখি শুধু হুতুম পেঁচা হব... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গবন্ধু: একটি নাম- যাকে ঘৃণা করার আগে একবার থামুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫০



বঙ্গবন্ধু: একটি নাম- যাকে ঘৃণা করার আগে একবার থামুন[

শেখ মুজিব ইতিহাসের খলনায়ক।
জাতীয় বেইমান।
পাকিস্তান ভাঙার অপরাধী।
- এই কথাগুলো আপনি বিশ্বাস করেন?
তাহলে আজ আপনাকে একটা অনুরোধ করব- একবার শুধু থামুন।

রাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় কন্যা আমার- ৯৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৫

ফারাজা তাবাসসুম খান-
অনেকদিন তোমাকে নিয়ে লিখি না। খুব ব্যস্ত আছি। আমার সব সময় নিয়ে নিচ্ছে অফিস। আমি অফিস থেকে তোমাকে ফোন করলে তুমি কথা বলতে চাও না। আবার আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Mystic River – জোয়ারে ফিরে আসে সবকিছু

লিখেছেন রাজসোহান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩১



১৯৭৫ সালের বোস্টন। শ্রমজীবী মানুষের সাধারণ পাড়া। রাস্তায় হকি খেলছিল তিনটে বাচ্চা ছেলে। হঠাৎ বল গড়িয়ে পড়ল ড্রেনে। খেলা ওখানেই শেষ। ফুটপাতের একপাশে তখন সদ্য ঢালা ভেজা সিমেন্ট। ছেলেগুলো কাঠি... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোলাপী এখন বাসে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২০


দেশে আজ থেকে পিংক বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। ঢাকা সহ আরও তিনটি বড় শহরে এই বাস চলবে। খবরটা শুনে মনে হলো, দেশ যেন হঠাৎ করেই এক ধাপ আধুনিক হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×