অনতিবিলম্বে চাল, ডাল, তেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম কমাও।
যারা আওয়ামী লীগ করেন তারা কি বাজারে যান। দ্রব্য মূল্যের চরম উর্ধগতি সাধারন জনগনের জীবন উষ্ঠাগত। সাধারন জনগনের দৈনিক কত আয় করে আর খরচ হয় কত। এটা যদি আপনি না জানেন বা যেনে মুখে কুলুপ এটে বসে থাকেন তাহলে আপনি কিসের আওয়ামী লীগ করেন। বঙ্গবন্ধু কি এ আওয়ামী লীগের শিক্ষা দিয়ে গেছেন। বাজারে আগুন আর আপনার বসে বসে তামাশা দেখছেন। বানিজ্য মন্ত্রি জনাব টিপু মুন্সী ভাল লিডার সন্দেহ নেই কিন্তু তিনি বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ। তার মানে মানে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেওয়া উচিৎ। একজন ভাল লিডার যে একজন ভাল মন্ত্রি হবেন এমন তো কথা নয়। বাজারে বেশ কয়েকদিন যাবৎ আইন শৃংখলা বাহিনীর লোকজন মনিটরিং করছে। ফলাফল দেখার অপেক্ষায় রইলাম।নপুংসকে দেশ ভরে গেছে। সব পণ্যের দাম আকাশ ছোয়া আর পলিটিশিয়ান বসে বসে গাজা টানছে।
• বিএনপির কথা আর কি বলবো একটা অথর্ব ভঙ্গুর, পলকা, ক্ষণস্থায়ী, অথর্ব, জরাগ্রস্ত, নশ্বর,জরাজীর্ণ, জরাগ্রস্ত, কালজীর্ণ, অতিবৃদ্ধ, গলিত,অক্ষম, বিকলাঙ্গ, অশক্ত, শক্তিহীন, বিকল, সম্পূর্ণ অকেজো, সম্পূর্ণ বাজে, অখদ্যে, অবদ্যে, নিষ্কর্মা, অথর্ব, অগার দল এটা।দেশে এতো এতো কান্ড ঘটে যাচ্ছে একদিন একটা জনগনের ইস্যু নিয়ে হরতাল দিতে সাহস পেল না। যদি মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে হরতাল ডেকে ফকরুল আর রিজভী মটকির ভিতর পালিয়ে থাকতো তাও মনে হতো যে একটা জনগনের ইস্যু নিয়ে হরতাল দিয়ে অন্তত পালিয়েতো ছিলো ! এদেশের বুদ্ধিজীবী, সোসাল ওয়ার্কার সবাই কি মারা গেছে। এভাবে একটা জাতি বদীর হয়ে গেল। যে জাতির ১৯৭১ সালে দুনিয়া কাপানো হুংকার দিয়ে ত্রিশ লক্ষ তাজা প্রান আর ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে, সে জাতি কিভাবে দেশের এমন দুর্যোগের সময় চুপ থাকতে পারে আমাদের বোধগম্য হয় না।
চাল-ডাল_তেল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ২৮ মার্চ সারাদেশে বাম গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বানে ৬-১২ টা হরতাল ডেকেছে তাদের সংগ্রামী সালাম জানাই। অনতিবিলম্বে চাল, ডাল, তেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম কমাও।