রাষ্ট্র যখন নিষ্ঠুর, মৃত্যু তখন প্রতিবাদ
বাগেরহাটের ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী ও শিশুপুত্রের আত্মহনন কোনো ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয় এটি রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের সরাসরি ফল। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, পুলিশি নির্যাতন ও স্বামীর বিনা দোষে কারাবাস এই সম্মিলিত যন্ত্রণা মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। এটিকে আত্মহত্যা বলা রাষ্ট্রকে দায়মুক্তি দেওয়ার শামিল; প্রকৃতপক্ষে এটি প্রাতিষ্ঠানিক হত্যাকাণ্ড।
এরপরও নিষ্ঠুরতা থামেনি। সন্তান ও স্ত্রীর লাশ দেখার জন্য কারাবন্দি পিতার প্যারোলে মুক্তির আবেদন প্রত্যাখ্যান করে ইউনূস সরকার যে অমানবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সভ্যতার সকল সীমা অতিক্রম করেছে। এটি আইন নয়, এটি প্রতিহিংসা।
আজ সারা বাংলাদেশে ভয় ও মব সন্ত্রাসের রাজত্ব। আওয়ামী লীগের হাজার হাজার তৃণমূল নেতাকর্মী বিনা অপরাধে কারাগারে ভেতরে অনাহার, নির্যাতন, চিকিৎসাহীনতা; বাইরে পরিবারগুলো ভিটেমাটি বিক্রি করেও জামিন পাচ্ছে না। জামিন মিললেও জেলগেটেই পুনরায় গ্রেফতার আইনের নামে প্রকাশ্য তামাশা।
অনেকে জেল থেকে বেরিয়ে নিজ ঘরেই ফিরতে পারছেন না পুনরায় গ্রেফতারের আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। একদিকে পুলিশের ভয়, অন্যদিকে অর্থনৈতিক ধ্বংস এটি রাজনৈতিক দমন নয়, এটি পরিকল্পিত মানবিক বিপর্যয়।
প্রশ্ন উঠছে রাষ্ট্র কি নাগরিকের ন্যূনতম মানবিক অধিকার নিশ্চিত করতেও অক্ষম? নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে নীরব? ইতিহাস মনে রাখবে, এই নীরবতাই ছিল সবচেয়ে বড় অপরাধ।
এভাবে চলতে পারে না।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


