১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এ ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন,সুন্দর থাকুন।
------------------------------------------------------------------
নির্বাচনী সমীকরণ ও রাজনৈতিক বাস্তবতার পুনর্বিবেচনা
বাংলাদেশের রাজনীতি বরাবরই জটিল সমীকরণে আবদ্ধ। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশল, অবস্থান ও সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে নানা বিশ্লেষণ সামনে আসছে। বিশেষ করে বড় দলগুলোর সমর্থক ও নেতাকর্মীদের মধ্যে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর আলোচনা চলছে।
বর্তমান বাস্তবতায় একটি বিষয় স্পষ্ট যদি নির্বাচন সম্পূর্ণ সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, তবে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির প্রতিনিধিত্ব সংসদে প্রতিফলিত হতে পারে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, এ ধরনের নির্বাচনে জামায়াত একটি সীমিত সংখ্যক আসন পেতে পারে, যা সংসদের সামগ্রিক ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না।
অন্যদিকে, যদি নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয় বা ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয় এবং এর ফলে কোনো নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়, তবে তা দেশের প্রধান দলগুলোর জন্য ভিন্ন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে। ইতিহাস বলে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে যখনই তৃতীয় কোনো শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে সামনে এসেছে, তখন বড় দলগুলো নিজেদের কৌশল পুনর্বিন্যাস করতে বাধ্য হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, এমন পরিস্থিতিতে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নিজ নিজ স্বার্থ ও রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় নতুন করে সমন্বয়ের প্রয়োজন অনুভব করতে পারে। দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বড় দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও কৌশলগত সমঝোতা অতীতেও দেখা গেছে, ভবিষ্যতেও তা অস্বাভাবিক নয়।
সর্বোপরি, বাংলাদেশের জনগণ চায় একটি অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা নয়, বরং বাস্তবসম্মত রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও কৌশলই দেশকে এগিয়ে নিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি হলো পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দায়িত্বশীল ও দূরদর্শী ভূমিকা পালন করা যাতে গণতন্ত্রের পথ সুগম হয় এবং জাতীয় স্বার্থ সবার আগে স্থান পায়।
-- সালাউদ্দিন রাব্বী
সংখ্যালঘু বাচাও আন্দোলন
বাংলাদেশে

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



