Homosexuality বা সমকামিতা কোন অশুভ বিষয় না, অশুভ হচ্ছে দৃষ্টিভঙ্গি। বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্র গুলো, যারা নিজেদের মধ্যে শিক্ষার প্রসার বা ঔদার্য ঘটাতে সক্ষম হয়েছে, তারা সমকামী সম্পর্ক (Homosexual relationship বা Same-sex relationships) নিয়ে কখনো কোন রকম প্রশ্ন তোলে না। বরং সমকামীদের সমান মূল্যায়ন করে।
আমাদের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিতে যাদেরকে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠরা স্বাভাবিক বা Normal মনে করি, আর যাদের স্বাভাবিক না বা abnormal মনে করি, তাদের মাঝে দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য ছাড়া আর কোন পার্থক্য নেই। মূলত বিষয়টা হচ্ছে ভালবাসা নিয়ে। আর ভালবাসার সাইন্টিফিক ব্যাখ্যা হল দুই ধরণের হরমোনাল কার্যাবলী নিয়ে। ভালবাসা মস্তিষ্কের থ্যালামাসের রাসায়নিক একটা কার্যক্রম।। ডোপামিন এবং নরেপিনেফ্রিন নামক হরমোনের কারণে মানুষের মাঝে ভালবাসা বোধ জন্মায়।
সুতরাং উক্ত হরমোনাল কারণে যেকোনো মানুষের মধ্যে ভালবাসা জন্মাতে পারে। তা একটা ছেলের প্রতি আরেকটা ছেলে, একটা ছেলের প্রতি একটা মেয়ে কিংবা একটা মেয়ের প্রতি আরেকটা মেয়ের হতে পারে। যদি একটা একটা ছেলের সাথে আরেকটা ছেলে কিংবা একটা মেয়ের সাথে আরেকটা মেয়ের সম্পর্ক একটা ছেলে ও মেয়ের মতই হয় বা সম্পূর্ণ ভালবাসা পায়, তবে কেন বাঁধা বিপত্তি? তাই এটা নিতান্তই বাস্তব যে Homosexual relationship বা Same-sex relationships কোন অশুভ বিষয় না, অশুভ হল আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি!
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মে, ২০১৭ বিকাল ৪:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



