এইবার রথ যাত্রায় মাইকিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে, বাতাসা-ফল ইত্যাদি ছিটানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তবুও সরকার সংখ্যালঘুদের প্রতি সদয় দাবী করে! এইবার তাদের যুক্তি হয়তো মাইকিং করলে শব্দ দূষণ হয়, বাতাসা, ফল ইত্যাদি ছিটিয়ে দিলে রাস্তার পরিবেশ নষ্ট হয় ইত্যাদি ইত্যাদি... তো সংখ্যালঘুদের প্রতি সমান অধিকার আরোপকারী ব্যক্তিবর্গ মহাদয়গণ, প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজের আগে যে মাইকিং করে আজান করা হয়, তার বেলায় কি শব্দ দূষণ হয় না? প্রত্যেক মাহফিলে যে বড় বড় ধর্ম গুরু বক্তাদের দাওয়াত করে মাইক বাজান, তখন শব্দ দূষণ হয় না? জাতীয় ঈদগাহ মাঠে নামাজের জন্য এত মাইকিং করেন, তাতে শব্দ দূষণ হয় না? আবার প্রতিবার বৃষ্টি নামলেই যে রাস্তায় নোংরা পানিতে সাঁতার কাটতে হয়, তখন রাস্তার পরিবেশ নষ্ট হয় না? প্রত্যেক দিন ইফাতারির দোকান গুল যে দোকান ছেড়ে বাইরে টেবিল পেতে বেচাকেনা করে, তখন রাস্তার পরিবেশ নষ্ট হয় না? ১ থেকে ১০ই মহররম অবধি যে রাস্তায় যে ঘোড়ার পায়ে দুধ ঢালা হয়, তখন রাস্তার পরিবেশ নষ্ট হয় না? হা হা হা, তখন হবে কেন?! এটা যে মুসলিম প্রধান দেশ, সনাতন, খৃষ্টান, বুদ্ধ ইত্যাদি ধর্মের মানুষ গুলো তো মালাউনের বাচ্চা! তাই নয় কি? তবুও আপনারা সদয় আছেন...
এইবার দেখি, শব্দ দূষণ রোধ করতে আপনারা ঈদগাহে মাইকিং বন্ধ করেন কিনা!
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৫:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




