somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশে ইন্টারনেট আছে নাকি, কি বলেন ? গতি কই ?

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
চলমান

ইতিহাসঃ এই গতিরে ইন্টারনেট কয় ? ইন্টারনেট সর্ম্পকে মিনিমাম ধারনাও যে আমাদের সর্বোচ্চ শিক্ষিত, সচেতন মানুষগুলোর নেই ইহা তারই প্রমান। একটা দেশ জনগণের টেলিকমিউনিকেশন স্বাধীনতায় সরকার কতটা সৈরাচারী হলে ২০১২ সালেও এই গতির ইন্টারনেট থাকতে পারে তার একমাত্র উদাহরন বাংলাদেশ।আশির দশকেও বিশ্বে এত কম গতির ইন্টারনেট ছিল না।নব্বুইয়ের দশকে ইউরোপ আমেরিকা ছাড়াও এশিয়া, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকার অনেক দেশ তাদের ডিজিটাল টেলিফোন লাইনগুলো অপটিক ক্যাবল দিয়ে প্রতিস্থাপন করে ইউজারদের একই তাড়ে এমবিপিএস ব্যান্ডউইথ ও টেলিফোন দেওয়া শুরু করে দেয়।উল্লেখ্য বিশ্বে প্রথম কমার্সিয়াল অপটিক ক্যবল স্থাপন হয়েছিল ১৯৭৩ সালে কেলিফোর্নিয়া শহরের টেলিফোন সিস্টেম অপারেশনে - তাড়টি ছিল ৬ এমবিপিএস অপটিক ক্যবল।এদিকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে সারা দুনিয়া জুরে মোবাইল ইন্টারনেট চলে আসে।জিপিআরএস ও ইডিজিই টেক্নোলজিতে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরাও ৪০ কিলোবাইট/সেকেন্ডের কম ব্যন্ডউইথ পাওয়ার রেকর্ড বিশ্বে নেই।( উল্লেখ্য প্রকৃত পক্ষে বাংলাদেশে ১৯৯৭ সালেই মোবাইলফোন চালু হলেও মোবাইল অপারেটর গুলো ইন্টারনেট সার্ভিস বিক্রির অনুমতি পেয়েছে ২০০৬ সালে।জেনে রাখা ভালো বিশ্বে বাণিজ্যিক মোবাইলের যাত্রা ১৯৭৯ সালে, আজ যে আমাদের এত পরিচিত এসএমএস তার ইতিহাস ১৯৮৫ সালে শুরু।)এদিকে গত শতাব্দীতে বাংলাদেশে মূলত ইন্টারনেট ছিল, তা বলা যাবে না।কারন তখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ ছিল না।তাই অতি ব্যায়বহুল ও সীমিত পর্যায়ের ভিস্যাটে আনা ইন্টারনেট অল্প কিছু ভিআইপি লোক ও প্রতিষ্ঠানের কপালে জুটতো।আমার মত অতি সাধারন কেউ সর্বচ্চ শুনেছি, ইন্টারনেট নামক একটা জিনিষ আছে।(আপনারা সবাই জানেন ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ বঙ্গপোসাগরে সিমিউই-৩ নামক সাবমেরিন ক্যবলে সংযোগ প্রত্যক্ষান করে।ক্যবলটির নাম দেখেই বোঝা যায় এর আগে আরও দুইটি তাড় ছিল। হ্যাঁ ১৯৮৫ সালে সিমিউই-২ তেও তৎকালীক সরকার। এর আগে ১৯৭৮ সালে সিমিউই-১ প্রত্যাক্ষান করে তৎকালীন সরকার বড় লোকের বিলাসীতা বলে।হয়তো ভাবছেন তখন সাবমেরিন ক্যাবল দিয়ে কি হতো ? তখন এই সাবমেরিন ক্যবলের কারনেই মানুষ বিশ্ব অর্থনীতিতে সস্তায় আন্তমহাদেশিয় টেলিফোন কল করতে পারতো।অথচ বাংলাদেশকে ২০০৬ সালে সিমিউই-৪ সাবমেরিন ক্যবলে যুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত ব্যায়বহুল ভিস্যাটের মাধ্যমে আন্তমহাদেশিয় টেলিফোন কল অপারেট করতে হতো।পাশের কোলকাতাতে করা একটি কলও লন্ডন ঘুরে আসতে হতো ও জনগণকে তার মূল্য দিতে হতো। প্রসঙ্গত বলতে হয় আমরা সমস্ত ভয় আশংকা জয় করে ২০০৬ সালে যে সাবমেরিন ক্যবলে যুক্ত হোলাম তার প্রথম ধারনার জন্ম ১৭৮৫ সালে স্পেনে আন্তমহাদেশীয় টেলিগ্রাফের নেটওয়ার্কের ধারনা থেকে। অবশ্য বিশ্বের প্রথম সফল সাবমেরিন স্থাপন হয়েছিল ১৮৫৬ সালে ইংলিশ চ্যানেলে। ১৮৭৬ সালে আটলান্টিকে , রানী এজাবেথ তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্টের কাছে টরেটক টেলিগ্রাফ করে তা উদ্বোধন করেছিল। এরপর সাবমেরিন ক্যবলের শুধু প্রসার আর প্রসার ১৯৫০ সালের মধ্যে সমুদ্রতলদেশে জালেরমত ছড়িয়ে পরে সাবমেরিন ক্যবল আর প্রতি ১৫-২০ বছর পরপর তাড়গুলো প্রতিস্থাপন হতে থাকে আরও উন্নত ও দক্ষ তাড় দিয়ে।)

২০০০ সালের পরে তো দেশে দেশে ৩জি, ওয়াইম্যাক্স, ৪জি চলে এসেছে। আজ ১ এমবিপিএস এর নিচের গতিকে ইন্টারনেটই বলা হয় না, ব্রডব্যন্ডের সংঙ্গা ৫ এমবিপিএস করার দাবি উঠছে আজকাল।আপনি জানেন কি বাংলাদেশের টেলি আইনে ২৫৬ ও অধিক গতিকে ব্রডব্যন্ড বলা হয়। হা হা হা ...

ইডিয়ট বাংলাদেশঃ সেই১৯৯৩ সাল থেকে গুনিতক হারে প্রতিটি সরকার দেশের তথ্যপ্রযুক্তির বারটা বাজাতে বাজাতে আজকাল দেখি অনেকেই দেশের ইন্টারনেটর গতি নিয়ে কথা বলে।মন্ত্রী, আমলা, সচিব, এমপি থেকে শুরু করে সেদিন সাধারন মানুষও।এতদিনে মাত্র গতি সচেতনতা! সেদিন দেখি বিটিআরসি চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) জিয়া আহাম্মেদও মূর্খের মত বললেন যে, সরকার গত ৩ বছরে ব্যান্ডউইথের দাম ৩ দফা কমিয়ে ১২৭,০০০/- হাজার টাকা থেকে মাত্র ১০,০০০/- টাকায় নামিয়ে আনার পরও দেশে ইউজার ল্যাভেলে নেটের দাম তুলনা মুলক কমেতো নিই'ই ইন্টারনেটের গতিরও সামান্যও উন্নতি হয়নি। এখন একই টাকায় ১৩ গুন বেশি নেট পাচ্ছে। (অথচ ওরই জানার কথা সব ঘটনা।) বরাবরের মত মোবাইলের নম্বর সেইভ করার যোগ্যতাও না থাকা জাতির মাথায় বিষয়টি কখনই ঢোকে না -জিয়া কইলো কি ? তথ্যপ্রযুক্তিতে জাতি ১৯৯৩ সালের সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত না হওয়ার ধরা যেমন বুঝেছিল ৫ বছর পরে, গত দশকেও খেয়েছে অসংখ্য- অনেক বেশি, আজও খাচ্ছে। শুধু প্রতিটি ধরা খাবার পর বুঝতে ৫-৬ বছর লাগয়া দেয় এই যা।

বর্তমানে গ্রামীন সহ অন্যান্য মোবাইল অপারেটররা যেহেতু আগের ১২৭,০০০/- টাকায় ১ মেগাবিটের পরিবর্তে এখন ১৩ মেগাবিট/সেকেন্ড ব্যান্ডউইথ পাচ্ছে সেখানে ইউজার এন্ডে বর্তমান গড় গতি ৫ কিলোবাইট/সেকেন্ডের পরিবর্তে ১২০ কিলোবাইট/সেকেন্ড না হলেও অন্তত এজ নেটেওয়ার্কের সর্বোচ্চ ৬০ কিলোবাইট না হলেও ৫০ কেবিপিএস হওয়া উচিত।হারামজাদা মোবাইল অপারেটররা অবশ্যই আমাদের সাথে প্রতারনা করছে ? এমনিতেই বাতাস বেঁচে বিদেশিরা দেশের টাকা নিয়ে গেল এইরকম দেশপ্রেমে আমাদের সপ্তাহে একবার স্বপ্ন দোষ হয়।অথচ বুঝে না কি দিয়া কারে কি বুঝাইতেছে আর জনগণেরই বারটা বাজাইতেছে।

আচ্ছা এই যে কারেন্টে আমরা বাতি জ্বালাই, ফ্যান চালাই, এই কারেন্ট কিসের ভেতর দিয়ে পাস হয় ? উত্তর সবার জানা। কারেন্টের তাড়ের ভিতর দিয়ে কারেন্ট পাস হয়! আচ্ছা অপটিক ক্যাবলের ভিতর দিয়ে কি পাস হয় ? এর উত্তরও অনেকেই জানে, ব্যান্ডউইথ/ইন্টারনেট পাস হয়। তাহলে বলুন, এই যে মোবাইল চলে, মোবাইলে, ওয়াইম্যাক্সে আমরা ইন্টারনেট পাই তা কিসের ভিতর দিয়ে পাস হয়ে ইউজারের মডেমে ঢুকে ?

হ্যাঁ, ঐ জিনিষটা তরঙ্গ! তরঙ্গের মাধ্যমে। মোববাইল, মোবাইল ইন্টারনেট, ওয়াইম্যাক্স, থ্রিজি সহ তাড়বিহীন সকল যোগাযোগের প্রাণ হলো এই তরঙ্গ - যা প্রাকৃতিক সম্পদ। পৃথিবীতে অঞ্চল ভেদে নানা খনিজ সম্পদের তারতম্য থাকলেও এর কোন তারতম্য নেই, আমেরিকায় যা বাংলাদেশেও তাই। তবে এর ব্যবহার নিয়ে রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে চলে গণবিরোধী অসংখ্য নীতি ও রাজনীতির খেলা।জন্মগত ভাবেই মানুষ তার মাথার উপর আকাশের তরঙ্গে উপর অধিকার লাভ করে বায়োলজিক্যাললী ও ম্যাথামেটিক্যাললী।বাংলাদেশের সামরিক, একনায়ক, গণতন্ত্রের নামে ইজারাতান্ত্রীক সরকার ও রাজনীতি জনগণকে তাদের এই অধিকার থেকে ৯৮% বঞ্চিত রেখেছে।বাংলাদেশে মূলত কোন তরঙ্গ নীতিমালাই নেই।যা চলছে তা পৃথিবীতে নজির বিহীন। পদাধীকার বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব ফ্রিকোয়েন্সি এলোকেশন কমিটির চেয়ারম্যান, আর চালাচ্ছে সর্বনিম্ন ব্যবহার নীতিতে।

বাংলাদেশে বর্তমানে ১ মেগাহার্ড্স তরঙ্গের জন্য সরকারকে গড়ে ৫০০ কোটি টাকা ফি দিতে হয় -সেই সাথে ভয়েস ও ডাটা ভিন্ন শতাংশের হিসাব তো আছেই।এদিকে গত তিন বছরেও বিটিআরসি থ্রিজি স্পেকটার্ম অকশন নীতিমালা করতে পারেনি।ওয়াইম্যাক্স স্পেকটার্ম নিয়ে যত বেশি তরঙ্গ ব্যবহার না করে ফেলে রাখা যায় তত মঙ্গল, এই নীতিমালায় চলছে - পুলিশকে বিনা কাজে ১০ মেগাহার্স্ড ফাউ দিয়ে রেখেছে।ওয়াইড ব্যান্ড, ৪জি স্পেকটার্ম সম্পর্কে সচেতনতাও নেই।তাছাড়া ভিএইচএফ, এফএম সহ আরও হাজার রকমের নীতিহীনতায় ভুগছে দেশের সমগ্র তাড়বিহীন তথ্যযোগাযোগ ব্যবস্থা ও সম্ভাবনা।অথচ এই তাড় বিহীন যোগাযোগকেই হতে হবে বাংলাদেশের ডমেস্টিক কানেক্টিভিটির প্রথম ও অন্যতম মাধ্যম। কারন এদেশে কখনওই দেশ জুরে টেলিফোন সিস্টেম ক্যাবল নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠেনি এবং ভৌগলিক অবস্থার জন্য সম্ভবও না।আর ২০১২ সালে দেশে ২০০ কিলোমিটার অপটিক ক্যবল স্থাপন হয়েছে কিনা সন্দেহ আছে -যেখানে বাকি বিশ্ব ২০০০ সালের আগে ন্যাশনাল অপটিক ব্যাকবোন দ্বিতীয় মেয়াদে আপগ্রেড করে ফেলেছিল।তাই সারাদেশ তাড় দিয়ে কানেক্টিভিটির কথা আপনার সামনে যদি কেউ বলে, নির্দিধায় তাকে একটা থাপ্পর মেরে বলতে পারেন /মোবাইল/ওয়ারলেস ব্রডব্যন্ড'ই হবে বাংলাদেশের ডমেস্টিক ব্রডব্যন্ড বেকবোন।

আমি শিওর এত যে গুরুত্বপূর্ন, এই তরঙ্গের এই বিষয়টি বুঝতেও জাতির ২০২০ পার হয়ে যাবে। যেখানে সাবমেরিন ক্যাবল, থ্রিজি নিয়েই এখনও আটকে পরে আছে।সেই যে ২০০৬ সালে একটা ক্যবলে সংযুক্ত হয়েছিল আজ সেখানে মাত্র ৪৫ জিবিপিএস ব্যন্ডউইথ আছে।নতুন ক্যাবল দূরে থাক নতুন ব্যন্ডউইথ যুক্ত করতে এই ক্যবলেই আপগ্রেডেশন গুলোও ঠিক মত করছে না।আপনি জানেন কোরিয়া ১১ টি সাবমেরিন ক্যবলে ২৫০০০ জিবিপিএস ব্যন্ডউইথ ব্যবহার করছে আর বাংলাদেশ মাত্র ১৫ জিবিপিএস টোটাল ইউজ।যাহউক আজ নিউইয়র্ক শহরে যতটুকু তরঙ্গ ব্যবহার হচ্ছে আমাদের আকাশেও সবগুলো তরঙ্গ আছে শুধু সরকারের মূর্খতা ও জনগণের অসচেতনার জন্য বাংলাদেশ ব্যবহার করছে না। আচ্ছা আপনার কি মনে হয় নিউইয়র্ক ওয়ার্লেসলি যে পরিমান ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে এর চেয়ে বেশি ডিমান্ড আছে ?

এবার দেখেন ডিজিটাল বাংলাদেশ ৩ বছর খতিয়ান - খুবই গুরুত্বপূর্ন।

মাত্র ১ মিনিট ২১ সেকেন্ডের ১ এমবি ভিডিও,

ডিজিটাল বাংলাদেশের হেডকোয়ার্টার বলে ক্ষ্যাত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জিয়া আহাম্মেদ সেদিন এক সংবাদ সন্মেলনে বলেন গত তিন বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ খালি অইতেই আছে অইতেই আছে, পেরপেরি। এর মধ্যে বেড়েছে ইন্টারনেটের গতি কমেছে দাম, দেশে আজ ২০% নেট ইউজার - বুঝে না ২০% মানে সোয়া দুই কোটি ইউজার কি ভাবে মাত্র ১৫ জিবিপিএস ব্যন্ডউইথে চলে, যেখানে জাপানে ৫০ জনে এই পরিমান ব্যবহার করে।নেটওয়ার্কের উন্নয়ন হয়েছে ব্যপক ইত্যাদী।তিনি টেলিযোগাযোগের উল্লেখ যোগ্য দু-একটা খাতের সামান্য আয় ৩ হাজার কোটি, ১৭শ কোটি, ৭শ কোটি অংক গুলো এত আস্তে উচ্চারন করলেন যেন এগুলো কোন টাকাই না।দেশে প্রতিদিন ৬ কোটি মিনিট আইএসডি কলের ভিওআইপিতে দৈনিক ৩০ কোটি টাকার অবৈধ্য বানিজ্য সম্পর্কে কিছুই বললেন না।

এরকম একটা বলদ কিভাবে তথ্যপ্রযুক্তির এই আধুনিকতম শতাব্দীতে একটি ডিজিটাল দেশের বিটিআরসির মত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন দপ্তরের প্রধান হয় তা পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য এবং ঘটনা যথারিতি বাংলাদেশে।

তথ্যপ্রযুক্তিতে সর্বদা পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষনার পরও এমন একটা "ব ল দ" কে বিটিআরসিতে কোন শত্রু ছাড়া মিত্র বসায় না।গত তিন বছরে এ দেশের কি ব্যাপক ক্ষতি করেছে তা হিসাব করে শেষ করা যাবে না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিন মাসের মধ্যে থ্রিজি রোল আউট করা সম্ভব থাকলেও শুধু প্রলিসিটা কি হবে তা করতে তিন বছর পার করে দিয়েছে। যার ফলে দেশে এখনও ৩জি ওপেন হচ্ছে না। এই বলদ তো বলছে দেশে ইন্টারনেটের দাম কমছে অথচ তরঙ্গের দাম বেশি রেখে জনগণকে দ্রুতগতি পেতে দিচ্ছে না, তাহলে কার জন্য নেটের দাম কমালো, জনগণ, না ওর বাপ আইএসপি ওয়ালাদের জন্য ? এই বলদ না থাকলে এই তিন বছরে দেশে ইন্টারনেটের মূল্য কমপক্ষে "৫ এমবিপিএস আনলিমিটেড ৫০০/- টাকায় নেমে আসতো"।

একে বলদ বলে আসলে ফেভারই দিচ্ছি কারন তানা হলে বলতে হবে অনেক বড় ষঢ়যন্ত্রকারী, রাজাকারের চেয়েও বড়, এর বিচার একদিন অবশ্যই হতে হবে।


ইকমার্স পেপলের কতা তো কইলামই না, এর অভাবে জুকারবার্গ ও স্টিভ জবসেরও সর্বচ্চ একটা ফেইসবুক আইডি থাকতো - মাথায় ঢোকে ইডিয়ট বাংলাদেশ ? আচ্ছা বলেন তো টাকা লেনদেন করা যায়না এমন ইন্টারনে বিশ্বের কোন দেশে আছে ? হিজরা ইন্টারনে।

Wireless Bangladesh Warriors -WBW (উুবু)
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:০১
১৮টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রূপালী হ্রদের তীরে অপরূপ দ্রাক্ষাকুঞ্জে ঘুরে আসা একবেলা ( ছবি ব্লগ)

লিখেছেন জুন, ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৯


সিলভার লেকে আপনাকে স্বাগতম

গালফ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিনোদন মূলক পোষ্ট

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৪৯



ফেসবুকে বাংলা সিনেমার একটা ছোট্র ভিডিও ক্লিপ দেখলাম।
ভিডিও ক্লিপটি দেখে আমি মুগ্ধ! প্রচন্ড মেজাজ খারাপ ছিল, ভিডিওটি দেখে মেজাজ স্বচ্ছ দীঘির পানির মতো ঠান্ডা হয়েছে। বাংলা সিনেমাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাইফ অব Dুবাই যাপিত জীবন-৬

লিখেছেন মনিরা সুলতানা, ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫০


সমস্ত'টাতে রুক্ষ মরুর হাহাকার ধরে রাখা এ শহর- যত্নে আদরে লাবণ্য কিনে আনে !

প্রকৃতি অনাদরে রাখলে ও এখানকার মানুষগুলো বিষের বালিতে শুদ্ধ হয়ে মুক্তা ফলাতে শিখেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

৪০ ফলের এক গাছ

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:২১




পৃথিবীতে যে কত অদ্ভুত ঘটনা ঘটে চলেছে তার কোন শেষ নেই। কিছু কিছু রহস্য অমীমাংশীত। আর কিছু রহস্য সৃষ্টি করেছে মানুষ নিজেই। যুক্তরাষ্ট্রের পেন্সিলভানিয়ার স্যাম ভেন অ্যাকেন এক গাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

"অনাগত কাব্যের অসম্পূর্ণ কচড়া"... বছরের প্রথম কবিতা সংকলন-২০১৯!!

লিখেছেন বিজন রয়, ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৫

বছরের প্রথম কবিতা সংকলনে আপনাকে স্বাগতম!


বই উৎসবঃ

বছরটা শুরু হয় আমাদের বই আর বই উৎসবে, এটা আমার খুব ভাল লাগে। কেননা এই বই উৎসবের মধ্যমনি হলো আমাদের নিষ্পাপ শিশুরা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×