somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজিব ওয়াজেদ জয়ের টাইট-ইন্টারনেট + পাগলা দোয়েল = শেখ হাসিনার টাল-বাংলাদেশ

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দ্রুততম গতিতে এগিয়ে চলা তথ্যপ্রযুক্তির এই বিশ্বে আমরা আরও তিনটা বছর পিছাইয়া গেলাম- এই টাল-বাংলাদেশের সমস্ত দায়দায়িত্ব সজিব ওয়াজেদর উপরই বর্তায়।কারন সেই'ই কম্পিউটার বিজ্ঞানী।বাকি সব এমপি মিনিস্টার - হাদারাম - মোবাইলের নাম্বর'টা পর্যন্ত সেইভ করতে পারেনা, ফোনবুক থাইক্কা নাম বার কইরা কলটাও দিতে জানে না, এসএমএস করা দূরে থাক পড়তে রেডি কইরা দিলেও স্ক্রল করতে যাইয়া ব্যাক কইরা ফালায়, আর ল্যাপটপ শুনলে জ্বরে কাঁপতে থাকে, মাউস নিলে চাপ দিয়া ভাইঙ্গা ফালায়।সূতরাং যা কিছু ডিজিটাল তা সব সজিবেরই দান, সজিবেরই ব্রেইন চাইল্ড।বাকি কেউ আগেও নাই পিছেও নাই, সর্বোচ্চ দুই-চাইরটা কমিশন খাইছে - যতটুকু যেমন বুঝছে।ডিজিটাল বাংলাদেশের যেখানে যা কিছু হচ্ছে, হয়েছে ও হচ্ছে না, জনগণকে তার উত্তর সজিব ওয়াজেদ জয়কেই দিতে হবে, এটা কনফার্ম।

চলুন শুরু করি, গত তিন বছরে সজিবের দেশপ্রেম ও মমতায় গড়ে তোলা ডিজিটাল বাংলাদেশে তথা তথ্যপ্রযুক্তির বাংলাদেশের প্রথম অপরিহার্য অনুসংগ ইন্টারনেটের অবস্থা কি অবস্থায় আছে তা দিয়ে।

ভাই, বাংলাদেশে ইন্টারনেট আছে নাকি, কি বলেন ?


ঐতিহাসিক পর্বঃ উপরে দেয়া মডেমের স্ট্যাট মেনুর স্ক্রীনশটটা আরেক বার দেখেন। এই হলো বাংলাদেশের ইন্টারনেট গতি ৫-১০ কেবি(বড়)পিএস।গত প্রায় চার বছরে এরকম অসংখ্য শট নিয়েছি, এর চেয়ে বেশি গড় নেট গতি ইতিহাস এবং বর্তমানে এখানে কখনও রেকর্ড নাই।এরে ইন্টারনেট কয় (?) বিশ্বে কখনও কোথাও এইগতির কমারশিয়াল ইন্টারনেট ছিলো না, ল্যাবে পরীক্ষামূলক থাকলে থাকতেও পারে।১৯৯০ সালে প্রথম ওয়েব সাইটটির মাধ্যমে আধুনিক ইন্টারনেট (পরবর্তীতে দ্বিতীয় প্রজন্মের ইন্টারনেট বলে সংঙ্গায়ীত হবে) যাত্রা করে ১৯৯১ সালেও বিশ্বের কোথাও এত কম গতির ইন্টারনেট ছিল না, প্রয়োজনে একেবারেই ছিল না।আর নব্বুই দশকের মাঝামাঝি ইউরোপ আমেরিকা, এশিয়া, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা, ওশেনিয়ার অনেক দেশ তাদের ডিজিটাল টেলিফোন লাইনগুলো অপটিক ক্যাবল দিয়ে প্রতিস্থাপন করে ইউজারদের ঘরে, অফিসে ব্রডব্যান্ড এমবিপিএস ব্যান্ডউইথ দেওয়া শুরু করে দেয়।উল্লেখ্য বিশ্বে প্রথম কমার্সিয়াল অপটিক ক্যবল স্থাপন হয়েছিল ১৯৭৩ সালে কেলিফোর্নিয়া শহরের টেলিফোন সিস্টেম অপারেশনে জন্য - তাড়টি ছিল ৬ এমবিপিএস অপটিক ক্যবল।এইদিকে আজ ২০ বছর পরও আমাদের মাত্র দশ লাখ টেলিফোন নেটওয়ার্ককে ন্যাশনাল অপটিক ক্যাবল ব্যাকবোনে রুপান্তরের কোন ধারনা/সচেতনতা কিছুই নেই- যেখানে দক্ষীন কোরিয়া ১৯৯৭ সালে সারাদেশে জালের মত বিস্তৃত সোয়া দুই কোটি টেলিফোন লাইন নেটওয়ার্ক অপটিক ক্যবলে দ্বিতীয় আপগ্রেডেশনের কাজ শুরু করেছিল (তথ্যসূত্র ইন্টারনেট হয়াইট পেপার অব কোরিয়া), আর ১৯৯৭ সালের দিকেই সারা দুনিয়া জুড়ে মোবাইল ইন্টারনেট চলে আসে।জিপিআরএস ও ইডিজিই টেক্নোলজিতে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরাও ৪০ কিলোবাইট/সেকেন্ডের কম ব্যন্ডউইথ পাওয়ার ইতিহাস বিশ্বে নেই।আমাদের গতি এখনও ইন্টারনেটের ভ্রুনের পর্যায়েই পরে রইলো, যেখানে বাকি দুনিয়া আজ ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা নিয়ে আজ বিশ বছরের টগবগে দক্ষ যুবক -,এখানে ভুলে যাবেন না এই দ্রুত ও অভিজ্ঞ বিশ্ব নাগরীকের সাথেই প্রতিযোগিতা করে আগামী দিনে টিকে থাকতে হবে।একটা দেশ তার জনগণকে তথ্যপ্রযুক্তিতে কত'টা পরাধীন রাখতে চাইলে, কতটা সৈরাচারী হলে তারই জনগণকে ২০১২ সালেও এই গতির ইন্টারনেট দিয়ে ফেলে রাখতে পারে, তার নজির ও উদাহরন একমাত্র বাংলাদেশ।আর ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের অভিজ্ঞতার অভাবেই আমাদের সর্বোচ্চ শিক্ষিত, সচেতন মানুষগুলোও এই বিষয়টি সম্পর্কে সামান্যতম সচেতন না, সহসা কোন আলোর সম্ভবনাও নাই

উল্লেখ্য বাংলাদেশে ১৯৯৭ সালেই প্রকৃত পক্ষে মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু হলেও বিশ্বে বাণিজ্যিক ভাবে প্রথম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের যাত্রা ১৯৭৯ সালে জাপানে। বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে বিটিএল নামক একটি কোম্পানীকে বাংলাদেশে সেলুলার ফোন, পেজিং ও অন্যান্য নেটওয়ার্ক বেইসড সাভিস দেয়ার লাইসেন্স দেয়া হলেও মালিক বদলে ১৯৯৩ সালে এইচবিটিএল ঢাকায় সীমিত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল নেটওয়ার্ক যাত্রার শুরু করে।পরবর্তীতে আবার মালিক পরিবর্তন হয়ে সেবা নামক একটা মাত্র মোবাইল কোম্পানী ১৯৯৭ পর্যন্ত একক ব্যবসা করে এক লাখ, দুই লাখ টাকায় এক একটা সংযোগ বিক্রি করেছে- অথচ নেটওার্কের কোন ডেভলপমেন্ট হয়নি।উল্লেখ্য নব্বুইয়ের দশকে দেশে টি এ্যান্ড টি'র ল্যান্ড ফোনের সংযোগেরও ছিল রমরা ব্যবসা।ঢাকাতেই একটি সংযোগের জন্য তখন এক লাখ টাকার উপর ঘুষ বিতরন করতে হতো, লাইনম্যান থেকে শুরু করে বিটিসিএলের চীফ ইঞ্জিনিয়ার পর্যন্ত যা কমতে থাকে ১৯৯৭ সালে একাধীক মোবাইল অপারেটর লাইসেন্স দেয়ার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশে মোবাইলের যাত্র শুরুর মাধ্যমে।যা হউক ইন্টারনেটে ফিরে আসি।গত শতাব্দীতে বাংলাদেশে মূলত ইন্টারনেট ছিল, তা জোর দিয়ে বলা যাবে না। ২০০৬ সালের আগে পর্যন্ত বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ না থাকায় সীমিত পর্যায়ের ভিস্যাট দিয়ে আনা অতি ব্যায়বহুল ইন্টারনেট অল্প কিছু ভিআইপি লোক ও প্রতিষ্ঠানের কপালে জুটতো।আমার, আপনার মত সাধারন কেউ তখন সর্বচ্চ শুনেছি ইন্টারনেট নামক একটা জিনিষ আছে - মাঝে মধ্যে ইউজ করার সুজোগও লাখে একজনের হয়েছে কিনা আমার সন্দেহ আছে, আমার হয়নি।এখানে প্রনিধান যোগ্য, আপনারা সবাই অজ্ঞতাবসত জানেন, বলেন ও বিশ্বাস করেন ১৯৯৩ সালে তথ্য পাচার হয়ে যাওয়ার ভয়ে বাংলাদেশ বঙ্গপোসাগরে সিমিউই-৩ নামক সাবমেরিন ক্যবলে সংযোগ প্রত্যক্ষান করে দেশের সবচেয়ে বড় ক্ষতি।ক্যবলটির নাম দেখেই বোঝা যায় এর আগে আরও দুই'টি তাড় ছিল।হ্যাঁ ১৯৮৫ সালে সিমিউই-২তেও তৎকালীক সরকার একই অজুহাতে প্রত্যাক্ষান করেছিল। এর আগে ১৯৭৮ সালে সিমিউই-১ প্রত্যাক্ষান করেছিল তৎকালীন সরকার, বড় লোকের বিলাসীতা বলে।হয়তো ভাবছেন তখন আবার সাবমেরিন ক্যাবল দিয়ে কি হতো ? ইন্টারনেটের আগে এই সাবমেরিন ক্যবলই ছিল আন্তমহাদেশিও টেলিফোন সিস্কটেমের গণতান্ত্রীক স্বস্তা সংযোগ।অথচ বাংলাদেশ ২০০৬ সালে সিমিউই-৪ সাবমেরিন ক্যবলে যুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত ব্যায়বহুল ভিস্যাটের মাধ্যমে আন্তমহাদেশিয় টেলিফোন কল অপারেট করতে হতো।পাশের কোলকাতাতে করা একটি কলও তখন লন্ডন ঘুরে আসতে হতো ও জনগণকে তার মূল্য দিতে হতো।এখানে আরও জ্ঞাতার্থে বলবো আমরা সমস্ত ভয় আশংকা জয় করে ২০০৬ সালে যে সাবমেরিন ক্যবলে যুক্ত হয়েছি তার ধারনার প্রথম জন্ম ১৭৮৫ সালে স্পেনের একটি টেলিগ্রাফ কোম্পানীতে, আন্তমহাদেশীয় টেলিগ্রাফের নেটওয়ার্কের ধারনা থেকে। অবশ্য বিশ্বের প্রথম সফল সাবমেরিন ক্যবলটি স্থাপন হয়েছিল ১৮৫৬ সালে ইংলিশ চ্যানেলে। ১৮৭৬ সালে আটলান্টিকে , রানী এজাবেথ তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্টের কাছে টরেটক টেলিগ্রাফ করে তা উদ্বোধন করেছিল। এরপর সাবমেরিন ক্যবলের শুধু প্রসার আর প্রসার ১৯৫০ সালের মধ্যে সমুদ্রতলদেশে জালেরমত ছড়িয়ে পরে সাবমেরিন ক্যবল আর প্রতি ১৫-২০ বছর পরপর তাড়গুলো প্রতিস্থাপন হতে থাকে আরও উন্নত ও দক্ষ তাড় দিয়ে।

২০০০ সালের পরে তো দেশে দেশে ৩জি, ওয়াইম্যাক্স, ৪জি চলে এসেছে। আজ ১ এমবিপিএস এর নিচের গতিকে ইন্টারনেটই বলা হয় না, ব্রডব্যন্ডের সংঙ্গা ৫ এমবিপিএস করার দাবি উঠছে। আপনি জানেন কি বাংলাদেশের টেলি আইনে ২৫৬ ও অধিক গতিকে ব্রডব্যন্ড বলা হয়। হা হা হা ...

ইডিয়ট বাংলাদেশঃ সেই১৯৯৩ সাল থেকে গুনিতক হারে প্রতিটি সরকার দেশের তথ্যপ্রযুক্তির বারটা বাজাতে থাকলেও আজকাল দেখি অনেকেই দেশের ইন্টারনেটর গতির অবস্থা নিয়ে কথা বলে। মন্ত্রী, আমলা, সচিব, এমপি থেকে শুরু করে সেদিন দেখি বিটিআরসি চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) জিয়া আহাম্মেদ মূর্খের মত গর্ধবও বললেন যে, সরকার গত ৩ বছরে ব্যান্ডউইথের দাম ৩ দফা কমিয়ে ১২৭,০০০/- হাজার টাকা থেকে মাত্র ১০,০০০/- টাকায় নামিয়ে আনার পরও দেশে ইউজার ল্যাভেলে নেটের দাম তুলনামুলক কমেতো নিই'ই ইন্টারনেটের গতিরও সামান্যও উন্নতি হয়নি। এখন একই টাকায় ১৩ গুন বেশি নেট পাচ্ছে। (অথচ ওরই জানার কথা সব ঘটনা।) এদিকে সাধারন আম ইউজারদের ভেতরেও বিষয়টি নিয়ে কিঞ্চিৎ আলোড়ন দেখা যায়। তবে বরাবরের মত মোবাইলের নম্বর সেইভ করার যোগ্যতাও না থাকা জাতির মাথায় বিষয়টি কখনই ঢোকে না -জিয়া কইলো কি ? তথ্যপ্রযুক্তিতে জাতি ১৯৯৩ সালের সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত না হওয়ার ধরা যেমন বুঝেছিল ৫ বছর পরে, গত দশকেও খেয়েছে অসংখ্য- অনেক বেশি, আজও খাচ্ছে। শুধু প্রতিটি ধরা খাবার পর বুঝতে ৫-৬ বছর লাগয়া দেয় এই যা।

বর্তমানে গ্রামীন সহ অন্যান্য মোবাইল অপারেটররা যেহেতু আগের ১২৭,০০০ টাকায় ১ মেগাবিটের পরিবর্তে ১৩ মেগাবিট/সেকেন্ড ব্যান্ডউইথ পাচ্ছে সেখানে ইউজার এন্ডে বর্তমান গড় গতি ৫ কিলোবাইট/সেকেন্ডের পরিবর্তে ১২০ কিলোবাইট/সেকেন্ড না হলেও অন্তত এজ নেটেওয়ার্কের সর্বোচ্চ ৬০ কেবিপিএস না হলেও ৫০ কেবিপিএস হওয়া উচিত। হারামজাদা মোবাইল অপারেটররা অবশ্যই আমাদের সাথে প্রতারনা করছে ? এমনিতেই বাতাস বেচে বিদেশিরা দেশের টাকা নিয়ে গেল এইরকম দেশপ্রেমে আমাদের সপ্তাহে একবার স্বপ্ন দোষ হয়। অথচ বুঝে না কি দিয়া কারে কি বুঝাইতেছে আর জনগণেরই বারটা বাজাইতেছে।

আচ্ছা এই যে কারেন্টে আমরা বাতি জ্বালাই, ফ্যান চালাই, এই কারেন্ট কিসের ভেতর দিয়ে পাস হয় ? উত্তর সবার জানা। কারেন্টের তাড়ের ভিতর দিয়ে কারেন্ট পাস হয়! আচ্ছা অপটিক ক্যাবলের ভিতর দিয়ে কি পাস হয় ? এর উত্তরও অনেকেই জানে, ব্যান্ডউইথ/ইন্টারনেট পাস হয়। তাহলে বলুন, এই যে মোবাইল চলে, মোবাইলে, ওয়াইম্যাক্সে আমরা ইন্টারনেট পাই তা কিসের ভিতর দিয়ে পাস হয়ে ইউজারের মডেমে ঢুকে ?

হ্যাঁ, ঐ জিনিষটা তরঙ্গ! তরঙ্গের মাধ্যমে। মোববাইল, মোবাইল ইন্টারনেট, ওয়াইম্যাক্স, থ্রিজি সহ তাড়বিহীন সকল যোগাযোগের প্রাণ হলো এই তরঙ্গ - যা প্রাকৃতিক সম্পদ। পৃথিবীতে অঞ্চল ভেদে নানা খনিজ সম্পদের তারতম্য থাকলেও এর কোন তারতম্য নেই, আমেরিকায় যা বাংলাদেশেও তাই। তবে এর ব্যবহার নিয়ে রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে চলে গণবিরোধী অসংখ্য নীতি ও রাজনীতির খেলা। জন্মগত ভাবেই মানুষ তার মাথার উপর আকাশের তরঙ্গে অধিকার লাভ করলেও বাংলাদেশের সামরীক, একনায়ক ও গণতন্ত্রহীন সরকার ও রাজনীতি জনগণকে তাদের এই অধিকার থেকে প্রায় সম্পূর্ন বঞ্চিত রেখেছে। বাংলাদেশে মূলত কোন তরঙ্গ নীতিমালাই নেই। যা চলছে তা পৃথিবীতে নজির বিহীন। পদাধীকার বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব ফ্রিকোয়েন্সি এলোকেশন কমিটির চেয়ারম্যান, আর চলছে সর্বনিম্ন ব্যবহার নীতিতে।

বাংলাদেশে বর্তমানে ১ মেগাহার্ড্স তরঙ্গের জন্য সরকারকে গড়ে ৫০০ কোটি টাকা ফি দিতে হয় -সেই সাথে ভয়েস ও ডাটা ভিন্ন শতাংশের হিসাবতো আছেই। এদিকে গত তিন বছরেও বিটিআরসি থ্রিজি স্পেকটার্ম অকশন নীতিমালা করতে পারেনি। ওয়াইম্যাক্স স্পেকটার্ম নিয়ে যত বেশি তরঙ্গ ব্যবহার না করে ফেলে রাখা যায় তত মঙ্গল এই নীতিমালায় চলছে, পুলিশকে বিনা কাজে ১০ মেগাহার্স্ড ফাউ দিয়ে রেখেছে। তাছাড়া ওয়াইড ব্যান্ড ও ৪জি স্পেকটার্ম সম্পর্কে সচেতনতাও নেই। ভিএইচএফ, এফএম সহ আরও হাজার রকমের নীতিহীনতায় ভুগছে দেশের সমগ্র তাড়বিহীন তথ্যযোগাযোগ ব্যবস্থা ও সম্ভাবনা। অথচ এই তাড় বিহীন যোগাযোগকেই হতে হবে বাংলাদেশের ডমেস্টিক কানেক্টিভিটির প্রথম ও অন্যতম মাধ্যম। কারন এদেশে কখনওই দেশ জুরে টেলিফোন সিস্টেম ক্যাবল নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠেনি এবং ভৌগলিক অবস্থার জন্য সম্ভবও না।আর ২০১২ সালে দেশে ২০০ কিলোমিটার অপটিক ক্যবল স্থাপন হয়েছে কিনা সন্দেহ আছে -যেখানে বাকি বিশ্ব ২০০০ সালের আগে ন্যাশনাল অপটিক ব্যাকবোন স্থাপন করে ফেলেছে। তাই সারাদেশ তাড় দিয়ে কানেক্টিভিটির কথা আপনার সামনে যদি কেউ বলে নির্দিধায় তাকে একটা থাপ্পর মেরে বলতে পারেন /মোবাইল/ওয়ারলেস ব্রডব্যন্ডই হবে বাংলাদেশের ডমেস্টিক ব্রডব্যন্ড বেকবোন।

আমি শিওর এতযে গুরুত্বপূর্ন এই তরঙ্গের এই বিষয়টি বুঝতেও জাতির ২০২০ পার হয়ে যাবে। যেখানে সাবমেরিন ক্যাবল, থ্রিজি নিয়েই এখনও পরে আছে। সেই যে ২০০৬ সালে একটা ক্যবলে সংযুক্ত হয়েছিল আজ সেখানে মাত্র ৪৫ জিবিপিএস ব্যন্ডউইথ আছে। নতুন ক্যাবল দূরে থাক ২০০৯ সালে বর্তমান তাড়ে থার্ড আপগ্রেডেশনের নামে অনেক কম খরচে মাত্র ৫০ কোটি টাকায় আরও ১০০ জিবিপিএস নতুন ব্যন্ডউইথ যুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও সরকার আছ তা করেনি। আপনি জানেন কোরিয়া ১১ টি সাবমেরিন ক্যবলে ২৫০০০ জিবিপিএস ব্যন্ডউইথ ব্যবহার করছে আর বাংলাদেশ মাত্র ১৫ জিবিপিএস টোটাল ইউজ। যাহউক আজ নিউইয়র্ক শহরে যতটুকু তরঙ্গ ব্যবহার হচ্ছে আমাদের আকাশেও সবগুলো তরঙ্গ আছে শুধু সরকারের মূর্খতা ও জনগণের অসচেতনার জন্য বাংলাদেশ ব্যবহার করছে না। আচ্ছা আপনার কি মনে হয় নিউইয়র্ক ওয়ার্লেসলি যে পরিমান ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে এর চেয়ে বেশি ডিমান্ড আছে ?

এবার দেখেন ডিজিটাল বাংলাদেশ ৩ বছর খতিয়ান - খুবই গুরুত্বপূর্ন।

মাত্র ১ মিনিট ২১ সেকেন্ডের ১ এমবি ভিডিও,

ডিজিটাল বাংলাদেশের হেডকোয়ার্টার বলে ক্ষ্যাত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জিয়া আহাম্মেদ সেদিন এক সংবাদ সন্মেলনে বলেন গত তিন বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ খালি অইতেই আছে অইতেই আছে, পেরপেরি। এর মধ্যে বেড়েছে ইন্টারনেটের গতি কমেছে দাম, দেশে আজ ২০% নেট ইউজার -গর্ধপ বুঝে না ২০% মানে সোয়া দুই কোটি ইউজার কি ভাবে মাত্র ১৫ জিবিপিএস ব্যন্ডউইথে চলে যেখানে জাপানে ৫০ জনে এই পরিমান ব্যবহার করে। নেটওয়ার্কের উন্নয়ন হয়েছে ব্যপক ইত্যাদী। তিনি টেলিযোগাযোগের অনউল্লেখ যোগ্য দু একটা খাতের সামান্য আয় ৩ হাজার কোটি, ১৭শ কোটি, ৭শ কোটি অংক গুলো এত আস্তে উচ্চারন করলেন যেন এগুলো কোন টাকাই না। অথচ দেশে প্রতিদিন ৬ কোটি মিনিট আইএসডি কলের সামান্য ভিওআইপিতে দৈনিক ৩০ কোটি টাকার অবৈধ্য বানিজ্য সম্পর্কে কিছুই বললেন না।

এরকম একটা বলদ কিভাবে তথ্যপ্রযুক্তির এই আধুনিকতম শতাব্দীতে একটি ডিজিটাল দেশের বিটিআরসির মত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন দপ্তরের প্রধান হয় তা পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য এবং ঘটনা যথারিতি বাংলাদেশে।

তথ্যপ্রযুক্তিতে সর্বদা পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষনার পরও এমন একটা "ব ল দ" কে বিটিআরসিতে কোন শত্রু ছাড়া মিত্র বসায় না। গত তিন বছরে এ দেশের কি ব্যাপক ক্ষতি করেছে তা হিসাব করে শেষ করা যাবে না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিন মাসের মধ্যে থ্রিজি রোল আউট করা সম্ভব থাকলেও শুধু প্রলিসিটা কি হবে তা করতে তিন বছর পার করে দিয়েছে। যার ফলে দেশে এখনও ৩জি ওপেন হচ্ছে না। এই বলদ তো বলছে দেশে ইন্টারনেটের দাম কমছে অথচ তরঙ্গের দাম বেশি রেখে জনগণকে দ্রুতগতি পেতে দিচ্ছে না, তাহলে কার জন্য নেটের দাম কমালো, জনগণ, না ওর বাপ আইএসপি ওয়ালাদের জন্য ? এই বলদ না থাকলে এই তিন বছরে দেশে ইন্টারনেটের মূল্য কমপক্ষে "৫ এমবিপিএস আনলিমিটেড ৫০০/- টাকায় নেমে আসতো"।

একে বলদ বলে আসলে ফেভারই দিচ্ছি কারন তানা হলে বলতে হবে অনেক বড় ষঢ়যন্ত্রকারী, রাজাকারের চেয়েও বড়, এর বিচার একদিন অবশ্যই হতে হবে।


ইকমার্স পেপলের কতা তো কইলামই না, এর অভাবে জুকারবার্গ ও স্টিভ জবসেরও সর্বচ্চ একটা ফেইসবুক আইডি থাকতো - মাথায় ঢোকে ইডিয়ট বাংলাদেশ ?

এবার আসুন + পাগলা দোয়েলের খবর বলি।


বিশ্বাস হইলো না ? আমি কালই কিনলাম।ইনট্যাক পেকেট খুইলল্লা অন করলাম, দেখলাম তিন-চার'টা বারি মাইরা চললো, পুরাই ৪৯ এর মত আচরন।একটু পর দেখি মেশিন অটোমেটিক চলিতেছে- টাচ প্যাডে হাত দিতে হয়না, কার্সার একবার দৌড় মারতাছে এই কোনায়, আবার আইতেছে ঐ কোনায়, এখানে দারাচ্ছে, ওখানে যাচ্ছে।কখনও কন্টেন্ট সিলেক্ট করতেছে, ক্লিয়ার হচ্ছে।৮ ঘন্টায় একটা এফবি স্যাটাস দিতে পারলাম না। লেখতেছেন, হঠাৎ সিলেক্ট মারে, ডিলিট অয়।এই উইনডো মিমাইজ করে এই নতুন উইনডো ট্যাব ওপেন করছে।সে এক মাথা খারাপ করা অবস্থা।ডেরহি মুরগীর মত কার্সারকে ধরা'ই যাইতেছে না।একটু পরে দেখি অবার অটো সাটডাউন মারতাছে, না রিস্টার্ট না, ফুল সাট ডাউন, বোঝেন অবস্থা।আবার অন করি, ইজি ব্রাউজের জন্য গুগোলক্রোম ও মেশিনের এই ফালাফিলি স্ক্রীন রেকর্ড করার জন্য বিএসআর স্ক্রীন রেকর্ডার ডাউনলোডের এ্যাটেম্প নিলাম, কাল দুইবার, আজ একবার, ফেইল, পাগলে শেষ পর্যন্ত সাটডাউন মাইরা দেয়।একবার দেখি ব্যাটারী লো, ১৫% দেখাচ্ছে, এক মিনিট যাইতে না যাইতেই বন্ধ, ডেড।আমি ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত ও হয়রান, তোর দোয়েল নিয়া যা অবস্থা।আমি শিওর আর দুইদিন থাকলেই ব্লুস্ক্রীন মারা শুরু করবে, ১৫ দিনেই নেভার কাম ব্যাক।আর চেহারার কথা যদি বলতে বলেন সাইজ, ফিনিশিং ও পুরুত্ব দেখে আমার পুলায় কয়, বাজান, তুমি খেলনা ল্যাপটপ লইয়া কই যাও ? চার্জারের তাড়রে মনে হয় তিন টাকা গজের ফ্লাক্সিবল তাড়, বডি সিলভারের বাসনকোসনের সিলভার দিয়া তৈরী।

সেই কোন কালে, ২০০৯ সালে, ছয় মাসের মধ্যে দেশের প্রথম স্বল্পমূল্যের ল্যাপটপ বাজারে আনছে টেশিশ স্লোগান শুনতে শুনতে অতিষ্ট হয়ে আজ হাতে পাইলাম।বাংলাদেশের সাধারন মানুষের সরকারের প্রতি অগঘ আস্থা, নির্ভরতা সর্বদাই সহজাত।বারবার ঠকেও এবারও বড় আশা করে -ল্যাপটপের মত আধুনিক যুগের সকল কাজের কাজি এই ইলেকট্রনিক মেশিনটি সরকার তার নিজস্ব তত্ত্বাবধানে, কঠোর মান নিয়ন্ত্রন ও গেরান্টেড একটা মেশিন ভর্তুকি দিয়ে হলেও কম মূল্যে জনগণের হাতে তুলে দেবে - পথ চেয়ে ছিলাম।আর গত তিন বছরের বহু প্রতিক্ষা ও ত্যাগ তিতিক্ষার পর কাল দোয়েল বেসিক মডেলের একটি মেশিন কিনলাম।দাম পরেছে ১৭৫০০/= টাকা যদিও এই মডেলটির সরকারী দাম ১৩৫০০/- টাকা। খবর নিয়া জানলাম টেশিশ ও মন্ত্রনালয়ের যোগ সাজোশে টংঙ্গী'তে টেশিশ ফ্যাকরী থেকে ব্রোকাররের কাছে প্রতিটি মেশিন ২ হাজার টাকা বেশি মূল্যে ১০০, ২০০ পিস করে বিক্রি করা হচ্ছে। তা মার্কেটে এসে আমার মত দেশি পন্য কিনে হও ধন্য টাইপের কাস্টমারের হাতে আরও ১৫০০-২০০০ টাকা লাভে বিক্রি করছে।এ ভাবে ১৩৫০০/= টাকার দোয়েল আমি ১৭৫০০/= টাকায় কিনলাম, (এখানে দ্রষ্টব্য ১৩৫০০/= টাকার ল্যপটপে আরও ৪০০০/= টাকা যোগ করলে এর কনফিগারেশন কতটুকু ইমপ্রুভ হতো ?), এবার বোঝেন বানিজ্যের কি হিরিক পরেছে ? অথচ ভারত ২০০৮ সালেই ৫০০০/= টাকার ল্যাপটপ তৈরী করেছিল।বর্তমানে ভারতে ৩৫০০/= টাকায় ট্যাবলেট পাওয়া যাচ্ছে আর দোয়েলের ট্যাবলেটের দাম ১০,০০০/= টাকা যা আমি বিশেষ সুবিধায় ১৪,০০০/= টাকায় একটা ওডার দিয়েছি এই বেসিকের রিপ্লেইস হিসাবে, দোয়েল ল্যাপটপের সাধ আমার মিইট্টা গেছে।

বর্তমান দ্রুত গতির তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্বে একটি উন্নয়নশীল দেশ তার জনগণকে ডিজিটালাইজেশনের যুগে এ্যাক্সেস দিতে প্রথম গুরুত্বপূর্ন যে কাজ দুটি করেছে তা হলো জনগণের জন্য পানির দামে সর্বজনীন ব্রডব্যান্ড নিশ্চত করেছে ও নিজস্ব একটা টেকসই ল্যাপটপ স্বস্তায় সৃষ্টি কতেছে।ম্যাস জনগণের জন্য এরকম মেশিনের ধারন প্রথম এসেছিল জাতিসংঙ্ঘের কাছ থেকে ২০০৪-২০০৫ সালে সম্ভবত, "পার স্টুডেন্ট ওয়ান ল্যাটপ" না যাত্রা শুরু করেছিল।তাতে ভর করেই ভারত ২০০৮ সালে তার দেশের সস্তা ল্যাপটপ করেছে অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ লাইসেন্স দিয়ে মাত্র ৫০০০ রুপিতে।থাইল্যান্ড করেছে, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকার দেশগলোও ভর্তুকি দিয়ে হলেও সস্তার ল্যাপটপ করেছে। ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ডও বানিয়ে ফেলেছে ২০০৯ সালের মধ্যেই।সবার কাছ থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে সব শেষে ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রণেতা, স্বপ্ন দ্রোষ্ট, আর্কিটেক্ট, কনসপিরেটর, ডিজাইনার, মেন্টর সজিব ওয়াজেদ জয় ২০০৯ সালে ঘোষনা দিয়েছিল ছয় মাসের মধ্যে তরুন প্রজন্মের হাতে তুলে দিবেন দেশে তৈরী প্রথম স্বস্তা ল্যাপটপ, দশ হাজার টাকার নিচে।ছয় মাস তিন বছরে অতিক্রান্ত করে দেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ, দোয়েল নামে এটা কি কাউয়া পাইলাম ? তিনটা বছর অপচয় হইলো।বর্তমান দ্রুত উন্নয়নশীল তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ৩ বছর সময় কত বড়, কত দূর পিছেয়ে পরা সে হিসাব করার টাইম কি এই জাতির কোন কালেই হবে না ?

আচ্ছা কম দামে ল্যাপটপ কেন যেকোন মেশিন বানানোর কথা হলে, এই মুহুর্তে বিশ্বে কোন দেশ তা সবচেয়ে কমদামে বানাতে পারবে ? ভারত, ভিয়েত নাম না চীন ? সবাই বলবে চীন।আপনার কি মনে হয়, বাংলাদেশ এই জিনিষ নিজে বানাইছে, একটা স্ক্রু পর্যন্ত ? তা কোন ভাবে সম্ভবও না এবং প্রয়োজনও নেই। যেখানে চীনে অলস বসে থাকা যে কোন ফ্যাক্ট্রিতে যেকোন মডেলর, যেভাবে, যেভাবে খুশি চেয়ে, ল্যাপটপ বানিয়ে ক্যারিং সহ ভারতের চেয়ে কম দামে সাপ্লাই দিতে পারবে, যত লাখ চান যত দিনে।এই সূতেই আপনি ইডিয়ট না হলে কোন ভাবেই নিজে ফ্যাকটরি সেটআপ দিয়ে ৫ হাজার টাকার জিনিষ ২০ হাজার টাকা খরচ করে বানাবেন না।ডিজান দিবেন, বানাইয়া পাঠাইয়া দিবো। আরও বেশি চাইলে বাংলাদেশের হাজার এক পায়ে খাড়া তরুন চীনে গিয়ে নিজের ফ্যাকটরি ভাড়া করে, দেশের মমতায় প্রডাক্ট কাস্টাইজ করে ল্যাগেজে, কন্টেইনার ছয় মাসে ৬০ লক্ষ মেশিন দেশে ঢুকিয়ে দিতে পারবে। শুধু ঘোষনা দেন এয়ারপোর্ট ও বন্দরে "কম্পিউটার ডিভাই নো চেক", যত খুশি, কত কমে চান।এরই মধ্যে এক মেধাবী ভাই দোয়েলের ২৬ হাজার টাকার মডেলটি হুবুহু অনুকরনের চেয়েও ভালো কনফিগারেশনের মেশিন চীন বানিয়ে ১৫ হাজার টাকায় করে ৩০০ পিস ৪টা বড় ল্যাগেজে ইমপোর্ট করছে বিমানবন্দর ফিটিং দিয়ে।যাক সে কথা, আপনার কি মনে হয় দোয়েলের প্রস্তুত কারক দাবিদার টেশিসও কি কম চালাক ? সেও কিছু বানায় নাই।চীনও না, ভিয়েতনা থেকে বানাইয়া আনছে।

সরকার দোয়েলকে ল্যাপটপ বলে ঘোষণা দিয়ে, এটা দেশীয় পণ্য বলেও, দোয়েলের হার্ডডিস্ক, মনিটর, মাদারবোর্ড, র‌্যাম কি বাংলাদেশে তৈরি? ভায়া আর ইন্টেল কি আমাদের দোয়েলের জন্য প্রসেসর তৈরি করেছে ? যে পণ্য তৈরিতে ৯৯.৯৯ শতাংশ যন্ত্রাংশ আমরা ভিয়েতনাম থেকে কিনে এনে সংযোজন করছি মাত্র সেই পণ্যটিকে আমরা কী দেশীয় পণ্য বলব নাকি অ্যাসেম্বল ইন বাংলাদেশ বলব। যদি আইডিবির কোন দোকানকে এই রকম ল্যাপটপ সংযোজনের লাইসেন্স দিলেও, যদি কোন ট্যাক্স কাস্টমস না দিতে হতো তাহলে তারা সর্বচ্চ ৬ মাসে এরচেয়ে অনেক কম দামে ল্যাপটপ তৈরী করে অনেক আগেই মার্কেট ছেয়ে ফেলতে পারতো।অথচ সকল সরকারী সুযোগ সুবিধা বিনিয়োগ নিয়েও সজিব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় টেশিস একি পাগলা ল্যাপটপ বানাইলো ?

এর সকল দায় সজিব ওয়াজেদকেই নিতে হবে, কারন সেই'ই কম্পিউটার বিজ্ঞানী।বাকি সব এমপি মিনিস্টার - হাদারাম - মোবাইলের নাম্বর'টা পর্যন্ত সেইভ করতে পারেনা, ফোনবুক থাইক্কা নাম বার কইরা কলটাও দিতে জানে না, এসএমএস করা দূরে থাক পড়তে রেডি কইরা দিলেও স্ক্রল করতে যাইয়া ব্যাক কইরা ফালায়, আর ল্যাপটপ শুনলে জ্বরে কাঁপতে থাকে, মাউস দিলেও ভাইঙ্গা ফালায়।সূতরাং যা কিছু ডিজিটাল তা সব সজিবেরই দান, সজিবেরই ব্রেইন চাইল্ড।বাকি কেউ আগেও নাই পিছেও নাই, সর্বোচ্চ দুই-চাইরটা কমিশন খাইছে যেমন বুঝছে।ডিজিটাল বাংলাদেশের যেখানে যাকিছু হচ্ছে, হয়েছে ও হচ্ছে না, জনগণকে তার উত্তর সজিব ওয়াজেদ জয়কেই দিতে হবে, এটা কনফার্ম।



Wireless Bangladesh Warriors -WBW (উুবু)

লেখাটির সাথে জাতীয় গুরুত্বের কথা বিবেচনায় সূত্র ছাড়া কপিপেস্ট মাইরা ১০০০ জায়গার পুষ্টানির লক্ষ্য ছিল, একা আর কত পারুম, একটু হাত লাগাইবেন কি ? ইচ্ছা হলে স্টিকির দাবী তুইলেন।

"Review 3y ডিজিটাল বাংলাদেশ and way out.
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৫৪
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রূপালী হ্রদের তীরে অপরূপ দ্রাক্ষাকুঞ্জে ঘুরে আসা একবেলা ( ছবি ব্লগ)

লিখেছেন জুন, ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৯


সিলভার লেকে আপনাকে স্বাগতম

গালফ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিনোদন মূলক পোষ্ট

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৪৯



ফেসবুকে বাংলা সিনেমার একটা ছোট্র ভিডিও ক্লিপ দেখলাম।
ভিডিও ক্লিপটি দেখে আমি মুগ্ধ! প্রচন্ড মেজাজ খারাপ ছিল, ভিডিওটি দেখে মেজাজ স্বচ্ছ দীঘির পানির মতো ঠান্ডা হয়েছে। বাংলা সিনেমাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাইফ অব Dুবাই যাপিত জীবন-৬

লিখেছেন মনিরা সুলতানা, ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫০


সমস্ত'টাতে রুক্ষ মরুর হাহাকার ধরে রাখা এ শহর- যত্নে আদরে লাবণ্য কিনে আনে !

প্রকৃতি অনাদরে রাখলে ও এখানকার মানুষগুলো বিষের বালিতে শুদ্ধ হয়ে মুক্তা ফলাতে শিখেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

৪০ ফলের এক গাছ

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:২১




পৃথিবীতে যে কত অদ্ভুত ঘটনা ঘটে চলেছে তার কোন শেষ নেই। কিছু কিছু রহস্য অমীমাংশীত। আর কিছু রহস্য সৃষ্টি করেছে মানুষ নিজেই। যুক্তরাষ্ট্রের পেন্সিলভানিয়ার স্যাম ভেন অ্যাকেন এক গাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

"অনাগত কাব্যের অসম্পূর্ণ কচড়া"... বছরের প্রথম কবিতা সংকলন-২০১৯!!

লিখেছেন বিজন রয়, ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৫

বছরের প্রথম কবিতা সংকলনে আপনাকে স্বাগতম!


বই উৎসবঃ

বছরটা শুরু হয় আমাদের বই আর বই উৎসবে, এটা আমার খুব ভাল লাগে। কেননা এই বই উৎসবের মধ্যমনি হলো আমাদের নিষ্পাপ শিশুরা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×