আফসানা মেহজাবিন টুম্পা, ৫ ফিট ৩ইঞ্চি লম্বা, গাত্র বর্ণ দুধে আলতা। শরীরের তুলনায় মুখের রঙ সামান্য কালো। চোখের রঙ ধূসর, লম্বা চুলের রঙ পিঙ্গল। হাসলে গালে টোল পড়ে।
এইচ এস সি পাস করেছেন ২০০৯ সালে। হাতের লেখা মোটামুটি ভালোই বলা চলে।
রক্ষণশীল পরিবারের একজন মেয়ে। সব পুরুষের তার চেহারা দেখার অধিকার নেই। আছে কন্ঠস্বর শোনার অধিকার ।
২০১১ সালে আফসানা মেহজাবিন টুম্পার ব্যক্তিগত একটি ডায়রি হারিয়ে যায়। ঘটনাক্রমে তা এসে পড়ে আমার হাতে ।
ফোন নাম্বার লেখা ছিলো ডায়রিতে, ফোন করে বললাম ডায়রিটা আমার কাছ থেকে নিয়ে যেতে। বললেন পারিবারিক বাঁধা নিষেধের কথা। একটা ঠিকানা দিলেন, ডায়রিটা আমি কুরিয়ারে পাঠিয়ে দিলাম।
এরপর কথা হয়েছে ফোনে অনেকবার। ডায়রি ফেরতের জন্য দিয়েছিলেন অনেক ধন্যবাদ, একটা উপহারও পাঠিয়েছিলেন। ভালো লেগেছিলো।
দেখা হয়নি কোনোদিন, ডায়রিতে দুটা ছবি ছিলো তা থেকেই উপর্যুক্ত বর্ণনা। আরো লেখা ছিলো জন্ম তারিখ ১৪ নভেম্বর, ১৯৯০।
হিসাব করে দেখলাম এই পৃথিবীতে তিনি আছেন মাত্র ৮৭৬৬দিন যাবত। স্বাভাবিক নিয়মে বেঁচে থাকলে তিনি, আপনি আর আমি হয়তবা বাঁচবো আর মাত্র কয়েক হাজার দিন।
সময় গুলো কত দ্রুত কেটে যাচ্ছে চোখের পলকে, আফসানার ডায়রিটাতে অনেক কথাই লেখার বাকী, ঐ ধূসর দুটি চোখের দেখার আছে কতশত ঘটনা। যার অনেক কিছুই তিনি দেখেন তার কল্পনাতে।

আমারো যে অনেক কিছুই বলার ছিলো। কিন্তু সময় তো মাত্র কয়েক হাজার দিন। কত সাগর, মহাসাগর, মহাদেশই তো আমরা দেখতে চাই একসাথে। সবকিছু তো আর দেখে যেতে পারবো না, দেখতে হবে বেঁছে বেঁছে।


টুম্পা কয়দিন ধরে বেঁচে আছে, হিসাবটা ক্যামনে করলাম জানেন? টাইম এন্ড ডেট এই ওয়েবসাইটটিতে গিয়ে।
হিসাবটা আপনিও মিলান। যা দেখবেন হিসাব করে দেখেন। যা শুনবেন বেঁছে বেঁছে শোনেন। ওয়েবসাইটটা বেশ কাজের!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



