২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হয়েছে ৫ জন ব্লগারের নাম। এবার হামলার শিকার হলেন নিহত এক ব্লগারের বইয়ের প্রকাশকেরা। প্রকাশনা সংস্থা ‘জাগৃতি’র মালিক ফয়সাল আরেফিন দীপনের মরদেহ দেখার জন্য বাংলাদেশ সময় রোববার বেলা ২:৩০ মিনিটে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে বাংলাদেশের পথে রওয়ানা করেছেন বাংলাদেশের প্রথম রাস্ট্রপতি, শহীদ রাস্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধার সহধর্মীনি, দুই-দুইবারের প্রধানমন্ত্রী,

ভাষা সৈনিক গোলাম আযমকে নাগরিকত্ত্ব প্রদান করার গৌরবে গর্বিত, জেল থেকে হাজার হাজার চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের মুক্ত করার নির্দেশদাতা, বাংলার ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ইতিহাসবিদ জনাব তারেক রহমানের বাবা জেনারেল জিয়াউর রহমানের সহধর্মীনি, বর্তমান জামাতে-ইসলামির মহিলা আমির, সার্টিফিকেট অনুসারে পাঁচ পাঁচ বার জন্মগ্রহণকারী দেবী, জাতিয়তাবাদী মাতা বেগম খালেদা জিয়া। সাড়ে দশ ঘন্টার ভ্রমন শেষ করে বেগম বাংলাদেশে পৌঁছাবেন, আজ দুপুর বিনপির নয়া পল্টনের স্বেচ্ছাসেবী দারোয়ান সালাউদ্দিন বিন কাদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে সালাউদ্দিন বলেন, আপনারা কি বলতে চাচ্ছেন আমি মিথ্যাবাদী? আপনারা বুঝতে পারছেন না কেন? রাজিব হায়দার, অভিজিৎ রায়, ওয়াশিকুর রহমান, অনন্ত বিজয় দাস, নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায়রা সবসময় জামাত-বিএনপির জঙ্গিবাদ, হেফাজতে ইসলামের সাথে কানেকশনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলো, এরা বিএনপির কর্মী ছিলো না, এরা মরার পর ম্যাডাম জামাত ইসলামকে সাথে নিয়ে দেশবাসীর সামনে তাদের হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর-জ্বালাময়ী, উত্তেজনা প্রদানকারী বক্তব্য রাখতে পারেন নাই। কিন্তু এইবার আর ব্যাপারটা তা না, এইবার একজন বিএনপি কর্মী পাওয়া গেছে, যিনি মারা গেছেন তিনি বিএনপির একজন বিশিষ্ট কর্মী, যদিও সে কখনো দলের কোনো পদ-পদবীতে ছিলো না, তারপরও তো বিএনপির পাঠাগার সংগঠনে তার পোস্ট ছিলো, হোক সে বিএনপির আদর্শের বাইরে গিয়ে নাস্তিকের বই প্রকাশ করেছে, হোক সে জামাতের জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলো, তাতে কি হয়েছে বিএনপির একজন কর্মী ছিলো ত সে! শেষপর্যন্ত বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত একজনকে মারা হলো। ম্যাডাম আসবেন না? এইটা একটা কথা বললেন আপনারা?!
এইবার ম্যাডাম দেশে নেমে সকল ইসলামী দলকে সাথে নিয়ে, বামপন্থীদের পাশে নিয়ে জোড়ালো গলায় বিএনপি কর্মী হত্যা বিচার দাবী করবেন। দেখুক আজকে পশ্চিমা বিশ্ব বিএনপির কর্মীও মুক্তমনা হতে পারে, দেখুক তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বিএনপিপন্থী অধ্যাপকের ছেলে মারা গেছে, বুঝুক তারা কারা এই হত্যাকান্ড ঘটাতে পারে। আজকে পশ্চিমাদের কাছে বিএনপির প্রোমোশন হলো, আজকে তাদের মুক্তমনা প্রকাশক মরেছে।
ম্যাডাম এইবার আসবেন, ম্যাডাম এইবার এসে বলবেন আমরাও মুক্তমনা!
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



