উশ্রী : হ্যালো, নয়টা বাজ,ে আর কতলক্ষণ লাগবে আসত?ে
অতনু : এই তো হয়ে গছ,েে এখনই রওনা দচ্ছ।িি
উশ্রী : মান?ে এখনো অফসি থকেে বরইে হওন?ি (রাগ, একটু থম)েে আমাকে তুমি কী কথা দয়ছিে ভুলে গছোে? প্রতদনিি নয়টা বাজে তোমার বাসায় চলে আসার কথা না?
অতনু : হ্যা, কন্তুি আজকে একটা জরুরি কাজ..ে
উশ্রী : তোমার জরুরি কাজ কবে না থাক?ে একটা দনওি তুমি ঠকি নয়টায় বাসায় আসতে পারছো কখনো? বলো?
অতনু : প্লজি উশ্রী, একটু বোঝার চষ্টো করো..
উশ্রী : কী বুঝবো আম?ি তোমাকে বোঝা আমার হয়ে গছ।েে বউকে সময় দতেি না পারলে বয়েি করছোে কন?ে
অতনু : হ্যালো, হ্যালো উশ্রী..
উশ্রী ও অতনুর বয়েি হয়ছেে এক বছর। দু’বছর প্রমরেে পর অবশষেে পারবািরকি সদ্ধািন্তইে তাদরে বয়।িে অতনু একটি বায়ংি হাউজে চাকরি করছ।ে মোটামুটি বতনে। স্বামী-স্ত্রী দুজনরে ছোট্ট সংসার চলছে বশ।ে কবলে একটি ব্যাপারে নয়ইিে উশ্রী অতনুর ওপর অসুখী। অতনু রাত নয়টা-দশটার আগে অফসি থকেে বরোেতইে পারে না। বাসায় ফরতিে আরো এক ঘণ্টা। সারাটা দনি উশ্রীকে একা একা বাসায় কাটাতে হয়। এরকম জীবন সে কছুিতইে মনেে নতেি পারছে না। উশ্রী বলল, অতনু সকাল নয়টায় অফসি চলে যায়, বাসায় ফরেে দশটা-এগারোটায়। আর আমি একা একটা মানুষ সইে সারাটা দনি বাসায়। টভিি দখতে,ে বই পড়তে কতক্ষণ ভালো লাগ?ে তবে এটা যে ওর দোষ তা তো না, বায়ংি হাউজরে চাকরি এরকমই। কন্তুি আমার মন যে মানে না। এই র্মুহূতে বাচ্চাকাচ্চা যে নবোে সে ভরসাও পাই না। ঢাকা শহরে বাড়ি ভাড়া, খাওয়া-দাওয়াতইে বতনেরের্ অধকে চলে যায়, বাচ্চাকাচ্চার খরচও তো কম না। বাসায় যখন খুব অসহ্য লাগে মার বাসায় চলে যাই। কন্তুি ভাল লাগে না। আসলে ও কাছে থাকা মানইে অন্যরকম একটা ব্যাপার। অতনু বলল, বন্দরি মতো সারাদনি বাসায় থাকার কষ্ট আমি বুঝি কন্তুি কী করবো? চাকরি তো ছাড়তে পারি না। গ্রামরে বাড়ি থকেে মা-বাবাকে ঢাকায় এনে রাখলে হয়তো ওর একাকীত্ব কছুিটা কাটতো, কন্তুি এই বতনেে সে বাড়তি খরচ চালানো সম্ভব না।
ইকবালরে (ছদ্ম নাম) সাথে জরনেরিে পরচয়ি জয়াি র্আন্তজাতকি বমািনবন্দর।ে জরনেি তার পরবািররে সাথে দুবাই ভ্রমণে যাচ্ছল।ি ইকবাল এমরটিসে এয়ারলাইন্সরে এয়ার্রপোট এজন্টে হসবিেের্ কমরত। কথায় কথায় পরচয়ি, পর্রবতীতে প্রমে এবং এক বছররে মাথায় বয়।িে বয়রিে পরপরই দখো গলে একটি বষয়ি নয়েি প্রায়ই তাদরে মধ্যে ঝগড়া বাধছ।ে ইকবালরে এয়ার্রপোটে চাকরি যহতেুে নাইট শফটি থাকলে বাসায় ফরতিে ফরতিে একটা, আবার সকাল শফটিরে সময় ভোর পাঁচটায় অফসরিে গাড়ি চলে আসে নত।িে বয়রিে আগে দুজনে এ বষয়ি নয়েি আলোচনা করছলে,ি জরনেি তখন বলছলেি না তার এতে সমস্যা হবে না। কন্তুি বয়রিে পর জরনেি এ ব্যাপারটাকে একদমই মনেে নতেি পারছে না। বলল, আসলে বয়রিে আগে আমি ব্যাপারটা তমনেভাবে বুঝতে পারন।িি এখন ওর অভাবটা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করছ।ি আমাদরে নতুন বয়েি হয়ছ।েে এই সময়ে কোন স্ত্রীর ভাল লাগবে তার স্বামী রাত একটায় বাসায় ফরুিক আবার সকাল শফটি থাকলে ভোরে উঠে অফসি চলে যাক? ওর এরকম ওড জবরে জন্য অনকে অনুষ্ঠানে যতেে পারনাি, যখোনে না গলেে নয় সখোনে ওকে ছাড়াই যতেে হয়, তখন এমন কষ্ট লাগ!ে টাকাটাই কি সব? জীবনকে যদি উপভোগই করতে না পারলাম তাহলে টাকা দয়েি কী হব?ে ভাল চাকরি দয়েি কী হব?ে আমি ইকবালকে বলছি এই চাকরি ছড়েে দয়েি অন্য কোনো চাকরি নত।িে আমার এতো ভালো চাকররি দরকার নই,ে আমার তোমাকে দরকার। অবশষে জরনেরিে জোরাজুড়তেি একর্ পযায়ে ইকবাল এয়ারলাইন্সরে চাকরি ছড়েে একটি মোবাইল কোম্পানতেি ঢোক।ে তবে ব্যাপারটা এতো সহজে হয়ন।ি ইকবালরে চাকরি ছাড়া নয়েি রাগ করে জরনেি মায়রে বাড়ি চলে গয়ছিলে।ি
সালমাির স্বামী বাহাররে গ্রাফক্সি ডজািইন ও ই-র্কমাস বজনিস।ে দড়ে বছর হলো তাদরে বয়রিে বয়স। একটি ছলেে হয়ছ।েে শ্বশুর-শ্বাশুড়,ি দবরে-ননদ নয়েি সবাই এক সাথে থাক।ে বাহাররে দনি কাটে প্রচ- ব্যস্ততায়। মাঝে মাঝে কাজরে এতো চাপ থাকে যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টাই তাকে ব্যস্ত থাকতে হয়। এ নয়েি স্বামীর সাথে সালমাির ঝগড়া লগইেে থাক।ে পারবািরকি কোনো অনুষ্ঠানইে সে স্বামীকে নতেি পারে না। আবার ঘরকুণো স্বভাবরে হওয়ায় বাইরওে তমনে বরোেতে চায় না। স্বামীর প্রতি সালমাির অভযোিগ একটাইÑ স্বামী তাকে সময় দয়ে না। এ নয়েি কথা তুললইে বাহার বল,ে বাসায় এতো মানুষ তারপরও তোমার একা লাগে কন?ে সালমাি জানায়, বাহার মানুষ হসবিেে খুব ভালো কন্তুি কাজ ছাড়া যনে কছুিই বোঝে না। বউক-বোচ্চাকে যে সময় দতেি হয়, স্ত্রীর একাকীত্ব বলে যে কছুি আছে এটা ওর মাথায় ঢোকে না। এসব ভাবলে এতো খারাপ লাগ,ে মাঝে মাঝে সব ছড়েে চলে যতেে ইচ্ছে হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




