somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এপস্টেইনের এলিট: ইসরাইল যেভাবে আমেরিকার রাজনীতি দখল করেছে

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ইরান যুদ্ধে আমেরিকার বড় কোনো লাভ নেই - তবু কেন ট্রাম্প যুদ্ধে জড়ালেন? বলা হচ্ছে, ইসরায়েল লবির প্রভাব ও এপস্টেইন নথির সংবেদনশীল ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে জায়নবাদীরা ট্রাম্পকে যুদ্ধে টেনে এনেছে।

আমেরিকার জনগণের লাভ না থাকলেও, এই যুদ্ধে ট্রাম্প ও তার পরিবারের লাভ আছে। ট্রাম্প এপস্টেইন ফাইল থেকে মিডিয়ার নজর সরাতে পেরেছেন। যুদ্ধ পরিস্থিতি মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকান দলকে সুসংগঠিত করবে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে ট্রাম্প নির্বাচনের সময়সীমা পিছিয়ে দিতে পারেন। পাশাপাশি, তৃতীয় মেয়াদের জন্য জায়নবাদী লবির সমর্থনও তিনি অর্জন করলেন।

আমেরিকার রাজনীতিতে জায়নবাদীদের যে ক্ষমতা এখন দৃশ্যমান হচ্ছে, তা অভূতপূর্ব। ইসরায়েল গত ত্রিশ বছর ধরে এই সময়ের জন্য অপেক্ষা করছিল। আমেরিকার রাষ্ট্র কাঠামোর প্রতিটি স্তরে তাদের যে প্রভাব তৈরি হয়েছে, সেটি ইতিহাসের সর্বোচ্চ। মধ্যপ্রাচ্য দখল করা থেকে প্যাক্স জুডাইকার ভিত্তির জন্য যা কিছু প্রয়োজন, তা করার মোক্ষম সুযোগ তাদের এসেছে।

আমেরিকার উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা তারা কীভাবে অর্জন করল, তা শুধুমাত্র ধর্মীয়, রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক প্রভাব দিয়ে ব্যাখ্যা করলে পুরো বাস্তবতা ধরা পড়ে না। এখানে এমন এক জটিল শক্তির সমাবেশ ঘটেছে, যাকে কোনো একক কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।

একজন মেরিন সেনা যখন গতকাল প্রশ্ন করলেন, কেন তাকে ইসরায়েলের পক্ষে যুদ্ধ করতে হবে, তখন প্রশ্নের জবাব দেওয়ার আগেই উপস্থিত পুলিশ তাকে সরিয়ে নিয়ে গেল। বিস্ময়কর হলো, একজন রিপাবলিকান সিনেটর, পুলিশের সঙ্গে যোগ দিয়ে সেই মেরিন সেনাকে জোর করে বের করার সময় তার হাতের কব্জি ভেঙে দিলেন। কতখানি সম্মোহিত হলে একজন জনপ্রতিনিধি পুলিশের সঙ্গে মিলে সৈনিককে আক্রমণ করতে পারে?

সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে ইসরায়েলে গিয়ে নেতানিয়াহুকে পরামর্শ দিয়েছেন, কীভাবে ট্রাম্পকে ইরানে বোমা হামলার জন্য রাজি করাতে হবে। ঘটনাগুলি প্রমাণ করে ইসরায়েলপন্থী শক্তি আমেরিকার রাজনীতিতে কত গভীরভাবে প্রোথিত।

আমেরিকার রাজনীতির শতকরা নব্বই ভাগ কার্যক্রম এইপ্যাক ও জায়নবাদী অন্যান্য শক্তির অর্থায়ন ও প্রভাবে পরিচালিত হয়। রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে ইসরায়েল লবির স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। না হলে, এপস্টেইন ফাইল ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইল করা হতে পারে। ইরান আক্রমণের মাত্র কদিন আগে ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাসভবনের নিরাপত্তা চৌকি ভেঙে বন্দুক হাতে এক লোক ঢুকে পড়লে নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। আমেরিকার ইরান আক্রমণের সমীকরণে ট্রাম্পের নিজের নিরাপত্তাও যে গুরুত্বপূর্ণ, ঘটনাটি তারই ইঙ্গিত দেয়। প্রথমে চাঁদা বা ঘুষ; তাতে কাজ না হলে ব্ল্যাকমেইল; আর তাতেও কাজ না হলে জীবননাশের হুমকি - বিষয়টি এভাবেই কাজ করে।

নির্বাচনী প্রচারণায় ইসরায়েলপন্থী প্রার্থীদের জন্য কোটি কোটি ডলার ব্যয় করা হয়। যারা ইসরায়েলবিরোধী, তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জন্যও লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করা হয়। মিরিয়াম অ্যাডেলসন নামের একজন ধনী ডোনার ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় ১০০ মিলিয়ন ডলার চাঁদা দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের তৃতীয় মেয়াদে তিনি আরও ২৫০ মিলিয়ন ডলার চাঁদা দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। ২০১৮ সালে ট্রাম্প যখন আমেরিকান দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর করেন, তার পেছনে এই দাতার একক প্রভাব ছিল।

ট্রাম্প নির্বাচনে জেতার পরে ইসরায়েলের পার্লামেন্টে অ্যাডেলসনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। "ঐ দেখ, ওখানে ঋজু হয়ে বসে আছে মিরিয়াম। তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৬০ বিলিয়ন ডলার আছে।" অসংযত দেহভঙ্গিমায় দেওয়া বক্তৃতায় এই কথাগুলো বলেছিলেন তিনি। আমেরিকার রাজা হিসেবে কল্পনা করা ট্রাম্পের লোলুপ অর্থলিপ্সু ও কদর্য নতজানু চরিত্রটি সেদিন তার অঙ্গভঙ্গিতে প্রকাশ পেয়েছিল।

হেইম সাবানের মতো বড় দাতারা আবার ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যয় করেন। কোটি কোটি ডলার দিয়ে আইনপ্রণেতাদের পকেটে পুরে ফেলেন। সাবানের মতে, এই ধরনের ব্যবস্থা আমেরিকার রাজনৈতিক কাঠামোয় আগে থেকেই ছিল; তারা শুধু এটির সদ্ব্যবহার করেছেন মাত্র।

এ প্রসঙ্গে আমেরিকান রাষ্ট্রবিজ্ঞানী থমাস ফার্গুসনের "রাজনৈতিক দলের প্রতিযোগিতায় বিনিয়োগ তত্ত্ব" স্মরণ করা যেতে পারে। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণ ভোটারদের দ্বারা নয়, বরং ধনী বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়িক এলিটদের জোটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় নীতিকে প্রভাবিত করার জন্য নির্বাচনী প্রচারণায় অর্থায়ন করে। ফার্গুসনের মতে, ধনী ব্যবসায়ীরা রাজনীতিতে অর্থ বিনিয়োগ করেন লাভের প্রত্যাশায়। ফলে রাষ্ট্রের নীতি পরিবর্তন ভোটারদের ইচ্ছার প্রতিফলন না হয়ে বরং যারা অর্থ জোগান দেয় সেই ধনী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করে। যেমন তাদের অনুকূলে আইন, নীতি বা সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সাবেক কংগ্রেসম্যান পল ফিন্ডলি উল্লেখ করেছিলেন, কংগ্রেসে ইসরায়েলের নীতির বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া রাজনৈতিক আত্মহত্যার সামিল। এইপ্যাকের বার্ষিক সম্মেলনে হাজার হাজার রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও দাতা উপস্থিত হন, যেখানে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেন।

ধর্ম এই প্রভাবের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আমেরিকায় লক্ষ লক্ষ ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টান রয়েছেন, যাদের একটি অংশকে খ্রিস্টান জায়নিস্ট বলা হয়। এরা বিশ্বাস করেন, ইসরায়েলের অস্তিত্ব বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণীর অংশ। এই ধর্মীয় বিশ্বাসকে রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ দিয়েছে কিছু সংগঠন, যেগুলো আবার ইসরায়েলপন্থী নীতি সমর্থন করে। এসব সংগঠন হোয়াইট হাউসে বাইবেল পাঠচক্রের মতো কর্মসূচির আয়োজন করে। ২০১৮ সালে ট্রাম্প যখন দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর করেন, এটিকে ইভানজেলিক্যাল ভোটারদের উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হয়েছিল।

এই ধারাবাহিকতায় কদিন আগে শোনা গেল যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কিছু কমান্ডার ইরান যুদ্ধকে আর্মাগেডন এবং যীশু খ্রিস্টের প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে তুলনা করছেন। তারা তাদের সৈনিকদের বলছেন এই যুদ্ধ ঈশ্বরের পরিকল্পনার অংশ এবং ট্রাম্প ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে যুদ্ধে সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন।

মার্কিন সরকারের উচ্চপদে যাঁরা আসীন, তাঁদের অনেকের সঙ্গেই দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলপন্থী নেটওয়ার্কের সম্পর্ক রয়েছে। এই সংগঠনগুলো বহু বছর ধরে রাজনীতিবিদ ও পেশাজীবীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ, কর্মসূচি ও প্রকল্প চালিয়ে এসেছে। এই প্রক্রিয়ায় অনেক উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তা রাজনৈতিক ও পেশাগতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

উদাহরণ হিসেবে বর্তমান সিআইএর পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফের নাম উল্লেখ করা যায়। তিনি টেক্সাসের ডালাসের একজন আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে রিপাবলিকান রাজনীতির ভেতরে প্রভাবশালী দাতা ও নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হন। এটা তার রাজনৈতিক উত্থানকে ত্বরান্বিত করে। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তিনি কংগ্রেসে নির্বাচিত হন এবং পরে সিআইএ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান।

এই নেটওয়ার্কের আরেকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি স্টিফেন মিলার, যিনি ট্রাম্পের নিরাপত্তা ও নীতিগত উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। খুব তরুণ বয়সে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ও মিডিয়ার সহায়তায় তার অবস্থান শক্ত করা হয়। এভাবে জাতীয় রাজনীতিতে তিনি প্রভাবশালী অবস্থানে পৌঁছান।

মিলারের চিন্তাভাবনা, নীতি ও বক্তব্যগুলো এমনভাবে গড়ে উঠেছে, যা শক্তি-কেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক রাজনীতির ধারণা এবং ইসরায়েলের রাজনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। তিনি মন্তব্য করেছিলেন: "আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করি যেখানে শাসন করে শক্তি, যেখানে শাসন করে বলপ্রয়োগ, যেখানে শাসন করে ক্ষমতা। মানব ইতিহাসের শুরু থেকে এগুলোই পৃথিবীর লৌহকঠিন আইন।"

এই দৃষ্টিভঙ্গি আমেরিকার রাষ্ট্রনীতির ভেতরে এমন এক শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যা যুক্তিবোধের সীমা অতিক্রম করে অন্ধ আনুগত্যে রূপ নিয়েছে। সেখানে নীতির চেয়ে গুরুত্বপূর্ন বলপ্রয়োগ, শক্তি ও ক্ষমতার প্রদর্শন। রাষ্ট্র পরিচালনা যখন ন্যায় বা নীতির চেয়ে ক্ষমতা প্রয়োগের উপর বেশি নির্ভরশীল, তখন ক্ষমতার দাপট শাসনের প্রধান অস্ত্র হয়ে ওঠে। সেই শক্তির প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্যই তখন রাজনৈতিক যোগ্যতার প্রধান মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়।

(প্যাক্স জুডাইকা: এটি একটি তত্ত্ব বা ধারণা, যেখানে মনে করা হয় ব্রিটিশ ও আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদের পরবর্তী সময়ে এমন সময় আসবে, যখন বিশ্বব্যবস্থা ইসরায়েলের আধিপত্যে পরিচালিত হবে।)
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৫৩
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (সা.) আহলে বাইত, হযরত আব্বাস (রা.) ও তাঁর আহলে বাইত/ হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইত, কোন আহলে বাইতের অনুসারি হবেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৩৩



সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিষিদ্ধতার ভেতরেও রাজনীতির স্পন্দন।

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:১৪



ফের রাজনীতির মঞ্চে ফিরে আসার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। আর বাংলাদেশের রাজনীতি যাদের চেনা, তারা জানেন- এখানে কোনো অধ্যায় সহজে শেষ হয় না। এখানে পতন মানেই প্রস্থান নয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু দ্বিতীয় রিফাইনারি (ERL-2) টা করে দেখান , সবার মুখ বন্ধ হয়ে যাবে !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গতকাল নাটকীয়তায় ভরা একটা দিন আমরা পার করলাম । রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন ঝড় বয়ে গেল। পুরো সোশ্যাল মিডিয়া যেন দুই ভাগে ভাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ ও আমরা কেনো ক্ষমা চাইবো‼️আমরা’তো বিচার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:১৫



লাল বদরদের আমরা কেন কোনোদিন বিশ্বাস করবো না, পছন্দ করতে পারবো না, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রচন্ড ঘৃণা করবো, তার একটা ভালো উদাহরণ এই স্ক্রীনশটটা।

সব মানুষ একই রাজনৈতিক আদর্শে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিপদ

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫


বিপদ নাকি একা আসে না—দলবল নিয়ে চারদিক থেকে ঘিরে ধরে। প্রবাদটির বাস্তব এবং কদর্যরূপ যেন এখন মৃণালের জীবনেই ফুটে উঠেছে। মাত্র মাসখানেক আগে বাবাহারা হলো। পিতৃশোক কাটার আগেই আবার নতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×