somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফিরে দেখা জুলাই অভ্যুত্থান

১৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


জুলাই ২০২৪ এর আন্দোলন ও তার পরবর্তী রাজনীতিকে ঘিরে বাংলাদেশে দুটি পরস্পরবিরোধী বয়ান দাঁড়িয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশ, বিশেষ করে শেখ হাসিনার অনুগত সমর্থকেরা মনে করে জুলাই ছাত্রজনতার অভ্যুত্থান ছিল না, এটি আসলে জামাত ও ইসলামপন্থিদের ষড়যন্ত্র, যাতে আমেরিকা ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা জড়িত। জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক কার্যালয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখিত নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১,৪০০ জন নিহত ও হাজার হাজার মানুষ আহত হওয়ার ঘটনা, এমনকি লাইভ স্ট্রিমে দেখানো হত্যাকাণ্ডও তারা স্বীকার করে না, বরং এর দায় জামাতের ওপর চাপায়।

দ্বিতীয় বয়ানের উৎস মূলত জামাত ও তার সমমনা দলগুলো। জামাত রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে মুসলিম পরিচয়কে ব্যবহার করে, আর তাদের প্রচারণার প্রধান অস্ত্র পরিকল্পিত ভাবে ছড়ানো ঘৃণা, মিথ্যাচার, গুজব ও বিভাজন। তাদের ঘৃণা ও মিথ্যাচার দুই ধারায় পরিচালিত হয় - একটি নিয়মিত, যেটা অবিরাম চলতে থাকে; অন্যটি নির্বাচনকেন্দ্রিক বা বিশেষ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তৈরি হয়।

মুসলমানদের ভারতবিদ্বেষী ও হিন্দুবিদ্বেষী পক্ষপাত ও পূর্বধারণাকে কাজে লাগিয়ে ভারতকে প্রকৃতিগতভাবেই বাংলাদেশের শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করা নিয়মিত প্রচারণার অংশ। আওয়ামী লীগ, মুক্তিযুদ্ধ ও ভারতের বিরুদ্ধে এমনভাবে ঘৃণা উৎপাদন করা হয়, যাতে মনে হয় আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রেখে বাংলাদেশকে শোষণ, দখল ও লুণ্ঠন করা ভারতের একমাত্র লক্ষ্য।

নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রচারণায় ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে মানুষের পরকালীন মুক্তি, বেহেশত লাভ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আকাঙ্ক্ষাকে রাজনৈতিক সমর্থনে পরিণত করা জামাতের পুরনো কৌশল। “জামাতকে ভোট দিয়ে বেহেশতের পথ সুগম করুন”—এ ধরনের ধর্মীয় হুজুগ তৈরি করতে মোল্লা ও আলেমদের ব্যবহার করা হয়।

জামাত শুধু আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে আক্রমণ করে ক্ষান্ত হয় না; তারা বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, সংস্কৃতি এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের ধারণাকেও অবমাননা করে।

হাসিনার শক্তি ছিল ক্ষমতা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তার নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষমতা থেকে জন্ম নেওয়া দম্ভ, যা জনমানুষের প্রতি তার তাচ্ছিল্য ও অবজ্ঞার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেত। জামাত হাসিনার শাসনে উপেক্ষিত মানুষের হীনমন্যতাকে মুসলিম পরিচয়ের শ্রেষ্ঠত্ব ও ভারতবিদ্বেষের আবরণে ঢেকে তাদের মধ্যে এমন একটি কাল্পনিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ তৈরি করে, যেখানে তারা নিজেদের অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ, ঐশ্বরিকভাবে মনোনীত ও শক্তিমান মনে করতে শুরু করে।

এই শ্রেষ্ঠত্বের বোধ তাদের "গজওয়াতুল হিন্দ" এর কল্পনায় বিশ্বাসী করে ভারত জয়ের স্বপ্ন দেখায়। একই সাথে তারা নিজেদের উগ্র ইসলামপন্থি পরিচয়ে আবদ্ধ করে ফেলে। তারা তাদের ভাষাগত, আঞ্চলিক, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক অন্যান্য বহুস্তরীয় পরিচয় ভুলে গিয়ে, কেবলমাত্র ধর্মীয় পরিচয়কেই প্রধান করে তোলে।

ইতিহাসে বাঙালি মুসলমানের পরিচয় আর কখনোই এতটা একমাত্রিক ছিল না। এটি এতদিন একই সঙ্গে বাঙালি, মুসলমান, বাংলাদেশি এবং বহুত্ববাদী সংস্কৃতির উত্তরাধিকার বহন করে এসেছে। বহুমাত্রিক পরিচয়কে সংকুচিত করে মানুষকে কেবল উগ্র ইসলামপন্থি পরিচয়ের মধ্যে ঠেলে দেওয়া জুলাই অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পতন।

হাসিনার শাসনামলের কথা মনে করতে গেলে দুটি জিনিসের কথা মনে পড়ে - একটি কালো মাইক্রোবাস আর তার মধ্যে আড়ালে থাকা সাদা পোশাকের পুলিশ। সরকারের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দিলেই নজরদারি শুরু হতো। কালো মাইক্রোবাস অনুসরণ করত। একদিন সেই মাইক্রোবাস থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ নেমে এসে আপনার পথ রোধ করে দাঁড়াত। তারপর যাত্রাপথে, কর্মক্ষেত্রে বা বাড়ির সামনে থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই তুলে নিয়ে যেত।

গুম হয়ে যাওয়া মানুষটির পরিবার থানা, র‍্যাব অফিস ও গোয়েন্দা দপ্তরে খুঁজেও কোনো হদিস পেত না। একজন জলজ্যান্ত মানুষ কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথিবী থেকে অদৃশ্য হয়ে যেত। হাসিনা তার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য জনগণের টাকায় এমন এক পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন, যারা হত্যাকাণ্ড ও দমন-পীড়নে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিল। এই বাহিনী শুধু জনবিচ্ছিন্নই ছিল না, তাদের জনগণের প্রতিপক্ষ শক্তিতে পরিণত করা হয়েছিল।

নিপীড়নমূলক এই রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর নির্ভর করে হাসিনা মানুষের বাকস্বাধীনতা ও ভোটাধিকার হরণ করেছিলেন; আইনের শাসন ও আইনি সুরক্ষা বিলুপ্ত করেছিলেন এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছিলেন।

জনগণের ভোটাধিকারকে হাসিনা ও তার মন্ত্রীরা প্রকাশ্যেই উপহাস করতেন। হাসিনার মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সগর্বে ঘোষণা করেছিলেন, হাসিনা সবার সঙ্গে ভারসাম্য তৈরি করেছেন। তার ভাষায়, "প্রথমে দিল্লিতে বাজিমাত, তারপর নিউইয়র্কে বাজিমাত। কোথায় স্যাংশন, কোথায় ভিসানীতি? তলে তলে আপস হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ স্যাংশন আর ভিসানীতির তোয়াক্কা করে না।" তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, "আমি ভারতে গিয়ে বলে এসেছি, হাসিনা সরকারকে যেন ক্ষমতায় রাখে।"

এই দমন-পীড়নের বিপরীতে ছিল আরেকটি ভয়। হাসিনার পতনের পর ক্ষমতার শূন্যস্থান যদি আরও ভয়ংকর কোনো শক্তি দখল করে নেয়? রাজাকার ও জঙ্গিদের উত্থান, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার আশঙ্কা - এই ভয়গুলোকে পুঁজি করে হাসিনা নিজের ক্ষমতা আরও সংহত করেছিলেন।

শেষ পর্যন্ত সেই ভয়ের মূল্য দিতে হলো চরমভাবে। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন দমন করতে গিয়ে হাসিনার ঔদ্ধত্য, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলা এবং পুলিশের বলপ্রয়োগ ও হত্যাকাণ্ড দেশের পরিস্থিতি বিস্ফোরণমুখী করে তুলল। ছাত্র আন্দোলন আর শুধু কোটা সংস্কারের দাবিতে সীমাবদ্ধ রইল না, রূপ নিল সরকারবিরোধী আন্দোলনে। মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও জমে থাকা অসন্তোষ হাসিনার পতন ডেকে আনল।

রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের মৃত্যুতে ক্ষোভে ফেটে পড়ল মানুষ। একজন সামরিক অফিসার স্বয়ংক্রিয় বন্দুক থেকে মিছিলে সমানে গুলি ছুড়লেন। পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছেলেদের ধরে ধরে হত্যা করল। তারপর লাশ নিয়ে এসে ড্রেনে ফেলে দিল। আমরা সেই দৃশ্য দেখলাম। কার্নিশ ধরে ঝুলতে থাকা একটা ছেলেকে পুলিশ গুলি করল কাছে থেকে। বারান্দায় খেলতে থাকা একটি ছোট্ট মেয়ে পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলিতে অকালে ঝরে গেল। রাস্তায় পড়ে থাকা গুলিবিদ্ধ ছাত্রদের লাশ রিকশাওয়ালারা সরিয়ে নিলেন। একজন কিশোরের অর্ধনগ্ন লাশ পুলিশ টেনে নামাল সাঁজোয়া কর্মী পরিবাহকের ঢাকনা খুলে। রিকশাভ্যানে করে লাশের স্তূপ বহন করার ছবি দেখলাম আমরা সকলে।

এসব দৃশ্য মানুষকে ভয় পাইয়ে দেওয়ার বদলে উল্টো তাদের ভয় ভেঙে দিল। একজন পুলিশ সদস্য হাসিনার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন: "গুলি করলে শুধু একজনই মরে স্যার, সে শুধু যায়, আর বাকিরা কেউ যায় না।" মানুষ জেগে উঠল। এমন এক গণজোয়ার সৃষ্টি হল, যাতে হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় নামল সমাজের সর্বস্তরের মানুষ। সেই গণজোয়ার প্রতিহত করার ক্ষমতা হাসিনার ছিল না।

কিন্তু আমরা যে ভয় থেকে মুক্তি চেয়েছিলাম, সেই ভয়কে সরাতে গিয়ে অন্য এক ভয়ের দরজা খুলে দিলাম। আর এটাই ছিল জুলাই-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিকর। একটি স্বৈরশাসনকে সরিয়ে আমরা এমন কিছু শক্তিকে মুক্ত করে দিলাম, যাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা অসম্ভব হয়ে উঠল।

আমরা দেখলাম, সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা হচ্ছে। বলা হল, এগুলো সংখ্যালঘুদের বাড়ি নয়, আওয়ামী লীগের লোকজনের বাড়ি। তাদের কাউকে কাউকে হত্যা করা হল। একজন রাজাকারের ছেলে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সংবাদ সম্মেলন করলেন। মানুষ ভেবেছিল, তিনি আইনের শাসন, গুম ও বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলবেন। কিন্তু না, তাঁর বক্তব্যে আক্রমণের লক্ষ্য হল মুক্তিযুদ্ধ। তিনি শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের দাবি জানালেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যেসব পেজ ও প্ল্যাটফর্ম ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক মতাদর্শের বিভেদ ভুলে এতদিন সবার অংশগ্রহণে সক্রিয় ছিল, সেগুলো হঠাৎ করে উগ্র ইসলামপন্থিদের মতাদর্শ প্রচারের জায়গায় পরিণত হল। জনমানুষের শক্তিকে ব্যবহার করে হাসিনার পতন ঘটার পরপরই নিজেদের প্রকাশ্যে নিয়ে এল লুকিয়ে থাকা "গুপ্ত" কলাকুশলীরা। ইসলামপন্থী শক্তিগুলো রাষ্ট্রের ক্ষমতা ও প্রতিষ্ঠান নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিল।

ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং পরে বুলডোজার দিয়ে ভবনটি ভেঙে ফেলা হল। বলা হল, এসব ঘটনার পেছনে হাসিনার উস্কানি ছিল। যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল হাসিনার স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে, তা অল্প সময়ের মধ্যে জামাতের রাজনৈতিক মতাদর্শের দিকে মোড় নিল।

উগ্রপন্থী রাজনীতির উত্থান, মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি সংস্কৃতির ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়া, সংখ্যালঘুদের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতা ও প্রান্তিকীকরণ - সব মিলিয়ে আমরা এমন এক বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে গেলাম, যে রাষ্ট্র কেবল নামেই গণতান্ত্রিক, কিন্তু চরিত্রে প্রতিক্রিয়াশীল, ধর্মতান্ত্রিক এবং অপ ও অগণতান্ত্রিক। বাংলাদেশ তার বহুত্ববাদী পরিচয় হারিয়ে একটি উগ্রপন্থী রাষ্ট্রের পথে এগিয়ে যেতে শুরু করল।

জুলাই আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন দ্রুতই দুঃস্বপ্নে পরিণত হল। স্বৈরশাসন থেকে মুক্তির দরজা খুলতে গিয়ে আমরা এমন এক প্যান্ডোরার বাক্স খুলে ফেললাম, যেখান থেকে আরও ভয়ংকর অপশক্তি ও বিপদের পথ তৈরি হল। উগ্র মতাদর্শ মানুষের বহুমাত্রিক পরিচয়, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং চিন্তার ক্ষমতাকে গ্রাস করে। স্বৈরশাসনের পতন তখনই অর্থবহ হয়, যখন তার জায়গায় উন্মুক্ত, সহনশীল ও বহুত্ববাদী সমাজ গড়ে ওঠে, যেখানে মানুষ তার সকল পরিচয়, বৈচিত্র ও সম্ভাবনা নিয়ে বিকশিত হওয়ার সুযোগ পায়।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০১
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফ্যাসিবাদ মোকাবেলায় এআই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫৬


ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করা গেছে, কিন্তু পুরোপুরি নির্মূল করা যায়নি। অন্তত প্রযুক্তির দিকে তাকালে এমনটাই মনে হচ্ছে। যে আওয়ামী লীগ এতদিন মানুষের ভোট, মতামত, রাজপথ, রাষ্ট্রযন্ত্র সবকিছুর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে ইসলামপন্থা বনাম গণতন্ত্র: মানুষ যখন নাগরিক থেকে অনুসারী হয়ে উঠছে!

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩


কিছুদিন আগেও আমরা বলতাম, "দয়া করে ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গে মেশাবেন না"। সরল এই কথাটির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বোধ ছিল - ধর্মীয় বিশ্বাস আর রাজনীতি এক জিনিস নয়। গত দুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজন নেই! আপনি কি মনে করেন?

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪



বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে শিক্ষাগত যোগ্যতাবিহীন বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাবঞ্চিত কোনো ব্যক্তির পক্ষে এককভাবে স্থানীয় সরকারকে প্রযুক্তিনির্ভর এবং 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বা 'ডিজিটাল বাংলাদেশ'-এর লক্ষ্য অনুযায়ী আধুনিকায়নের দিকে এগিয়ে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

"টোকাই থেকে হিরো"

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৬



টোকাই থেকে হিরো! বাংলা ছবির  অশ্লীল যুগে মুক্তি পাওয়া এক ঢাকাইয়া চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রেক্ষাপটে অনেকটা এইরকম - বস্তিতে বেড়ে উঠা; মানুষের লাথি- উষ্টা খেয়ে বড় হওয়া এক টোকাই (ছবির... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখরিত জীবনের চলার পথে, ব্লগের মুখরিত দিন

লিখেছেন মেহবুবা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪


ব্লগ স্কুল, মজারু
ছোটন চলে স্কুলেতে বই শ্লেট হাতে ,
বদরুল ভাই কাঁদছে ভীষন যাবে সাথে সাথে,
চান্কু হল লক্ষ্মীছাড়া পান্কু হয়ে ঘোরে ,
চিটি যাবে সবার আগে উঠল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×