যাউক, এত দিনে মনের মত আইটেম পাওন গেছে। লেখকের স্বাধীনতা বইলা ঘোড়ার আন্ডা বিষয়ে অভিমান করতেছে অন্য লেখকেরা।
মাসুদা যেই পনের্াগ্রাফি এইখানে দিছিল (আমি পনের্াগ্রাফি পড়ি। তবে সেইটা গোপনে। পারিবারিকভাবে পড়ি না। বন্ধুদের লগে লইয়াও পড়ি না।) সেই মাল কোনো দৈনিক পত্রিকাও ছাপব না। এখন দৈনিক পত্রিকার মডারেটর (পাতা সম্পাদক) যারা হেরা পইড়া টইড়া তারপরে ছাপতে দেয়। এই ব্লগমালিক মহোদয় গো সেই সুযোগ কম বা হেরা অহনো বুইঝা উঠতে পারেন নাই। সেই ফাঁকে মাসুদা তার পনের্া বেজড উপন্যাসের দুই কিস্তি এইখানে নামাইয়া (নাকি ওঠাইয়া) দিছেন। ব্লগ মডারেটররা পরে এই জিনিস মুইছা দিছে ব্লগ থনে। এর আগেও একটা পনের্া লেখা এই খানে পড়ছিলাম। (ভালোই।) সেইটাও মডারেটররা মুইছা দিছিল। কই সেই নিয়া তো কেউ উচ্চবাচ্য করে নাই। পনের্া লেখকের স্বাধীনতা লইয়া কেউ অনশনে যায় নাই।
এখন যে যাইতে আছে ঘটনাডা কী! মাসুদা মৌলবাদ উৎপাটনে পনের্াহস্ত হইছেন। মৌলবাদ যদি উৎপাটন হয় তো খানিক পনের্া আইলে ক্ষতি কী, মেবি এই হইল ওনাগো মুক্তচিন্তার থাবা বিস্তারের মনস্তত্ব। দেখলাম মাসুদারে ওনারা প্রতিষ্ঠিত লেখকও কইছেন। প্রতিষ্ঠিত গো লাইগা কি অন্য নিয়ম নাকি?
তবে এও বলা ভালো যারা অনশন করতে আছেন হেগো নিয়া হাসাহাসি কি অবজ্ঞা করতে আমি রাজি না। কিন্তু ওনারা যে "যারা ভালো তোরা সব আইয়া পড়" মার্কা ডাকটা দিছেন এইটা ফ্যাসিজম। এই ফ্যাসিজম লইয়া যদি কেউ আমার হইয়া অনশন করতে চান করতে পারেন। আমি নিজে কথায় বিশ্বাসী। আর যেইখানে পোষাইব না, ওইখানে দুই দিনের বৈরাগী হইতে রাজি না।
লেখকের স্বাধীনতা নিয়া যারা কথা কইতেছেন (মানে কথা না কইতেছেন) আপনেরা এই ব্লগে কি নিচের আইটেমে লেখা পোস্ট করতে দিবেন :
1. খুন করার সহজ পদ্ধতি বিষয়ে লেখা।
2. আত্মহত্যা করার সহজ পদ্ধতি বিষয়ে লেখা।
3. ধর্ষণ করার পদ্ধতি বিষয়ে লেখা।
4. বাৎসায়নের চৌষট্টি কলার সচিত্র পোস্ট। (ঐতিহ্যও আছে!)
5. যৌন গল্প।
6. প্রচলিত ও অপ্রচলিত গালির বিশ্বকোষ।
আমি উপরের সব কয়টা বিষয়েই লেখা পোস্ট করতে দেউক সেইটা চাই। কিন্তু এইখানকার মডারেটররা যদি একটা নিয়ম মাইনা চলে সবার আগে সেই নিয়মরে অনার করতে চাই।
ওনারা মাসুদা ভাট্টিরে অনার কইরা ওনার লেখা মুইছা ফেলাইছে...কী আর করা! মাসুদা ওই লেখা জনকণ্ঠে দেউক না! ফ্রন্ট পেজেই ছাপব মনে হয়!
স্বাধীনতা খালি লেখকেরই দরকার, মডারেটরের স্বাধীন হইতে হইব না, ডিয়ার মুক্তচিন্তাগ্রস্তরা?
ঢাকা, 5/3/06
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



