
বেশ কিছুদিন ধরেই চললো সার্কাস।
একটি প্রথম শ্রেণীর দৈনিক পত্রিকাসহ প্রায় সব পত্রিকাই হাতির সর্বশেষ আপডেট জানাচ্ছিল আমাদের। দেড়মাসের বেশি সময় ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় এক হাজার আটশ কিলোমিটার পথ হাতিটি অতিক্রম করেছে। পর্যাপ্ত খাবার, ঘুম ও সঙ্গীহীন হয়ে পড়ায় হাতিটির দুর্বল হয়ে পড়া স্বাভাবিক। এই প্রথম এক দেশের হাতি অন্য দেশে চলে এসেছে।
‘বঙ্গ বাহাদুর’-এর লাথিতে গাজীপুরের সাফারি পার্কের হাতির রক্ষণাবেক্ষণে নিয়োজিত এক কর্মী গুরুতর আহত হন। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসার আপডেট জনগন জানতে পারবে তো?

সোমবার কড়া রোদের মধ্যে অসুস্থ বঙ্গবাহাদুর বাইদ্যা বিলের কাদাপানিতে পড়ে যায়।এক কৃষক বলেন, তার দুই বিঘা জমির ফসল হাতির কারণে নষ্ট হয়েছে, কিন্তু তাতে তার দুঃখ নেই। সরকারি লোকজন এসেও হাতিটাকে বাঁচাতে পারল না- এটা তিনি মানতে পারছেন না।
তুমি একটা হাতি। তোমার মৃত্যুতে আমাদের কিছু যায়-আসে না। আমরা মানুষ। সৃষ্টির সেরা জীব। তুমি আমাদের ফসল নষ্ট করেছ। কিছু মানুষের ঘর ভেঙ্গেছে। একটি হাতির জন্য কেন আমাদের এই কষ্ট? একটি হাতি নিয়ে আমাদের কেন এত উদ্বেগ? এটা কি খুব বাড়াবাড়ি নয়? কারণ খুব ছোট্ট। তা হলো, মানবিকতা।

শীতের দিনে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি আশ্রয়ের জন্য আমাদের দেশে আসে, তখন আমরা তাদের মারতে নিষেধ করি। আমরা বলি, তারা আমাদের অতিথি। সুতরাং এই হাতিও বিপদে পড়ে বানের জলে ভেসে ভেসে আমাদের দেশে চলে এসেছিল। বাঁচার জন্য সে অনেক ফসল নষ্ট করেছে।
আমি চাই- হাতির শোকে সংসদে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হোক। বঙ্গবাহাদুরের জন্য খুব খারাপ লাগছে। আমার পছন্দের প্রানী গুলোর মধ্যে হাতি সবচেয়ে প্রিয়।
জয়তু বঙ্গবাহাদুর !
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


