
১। ঢাকা শহরে বিশাল এক হাতি ভিক্ষা করে বেড়ায়।
একদম নাদুস নুদুস। হাতির পিঠে বাদশা'র মতো বসে থাকে হাতির মালিক।
প্রথমে হাতিটি কোনো দোকানের সামনে গিয়ে খুব ভদ্র ভাবে দাঁড়ায়। তারপর শূড় তুলে লম্বা একটা সালাম দেয়। যে পর্যন্ত টাকা দেওয়া না হবে সে একটুও নড়বে না। লম্বা শূড়টি দোকানের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে মায়া ভরা চোখে তাকিয়ে থাকে।
অনেক নির্দয় লোকও হাসিমুখে দশ টাকা বের করে দেয়। কি সুন্দর করে যে দশটি টাকা শূড় দিয়ে প্যাচিয়ে নেয়, তারপর উপরে বসে থাকা মাহুত এর কাছে পৌঁছে দেয়।
হাতি আমার খুব'ই প্রিয় প্রানী। আজ অফিস থেকে ফেরার পথে মগবাজার মোড়ে হাতিটিকে দেখতে পাই। আমি হাতির সামনে যেতেই হাতিটি আমাকে সালাম দিল। এত বিশাল এই প্রানীটির সালাম পেয়ে আমি মুগ্ধ!
হাতিটিকে আমি বললাম, আমি ভিক্ষা দেব না। তবে তুমি যদি কলা খেতে চাও আমি তোমাকে একটি কলা কিনে দিতে পারি। মনে হলো, আমার প্রস্তাবে হাতিটি খুব খুশি হলো।
আমি একটি কলা কিনে হাতির মুখে ধরতেই সে তার শূড় দিয়ে কলাটি মুখে পুড়ে দিল। বিশাল এক হাতি, তার একটি কলাতে কি হয়? পকেটের শেষ সম্বল দিয়ে আরও তিনটি কলা কিনে দিলাম। সে খুব আগ্রহ নিয়ে খেলো।
২। সন্তান হয়ে যাওয়ার পর মায়েদের আর চাকরি করা ঠিক না। বাবা তো চাকরি করছেন'ই। বাসায় যতই দাদী, চাচী, নানী অথবা কাজের লোক থাকুক। মায়ের আদর-ভালোবাসা অন্য কেউ দিতে পারে না। হুম, সন্তান হওয়ার আগ পর্যন্ত চাকরি করা যেতে পারে।
যে মা সারা দিন চাকরি করে বেড়ায়, সেই সন্তানের কষ্টের শেষ নেই। সেই সন্তানের খাওয়া-দাওয়া, গোছল, ঘুম এবং লেখা-পড়া কিছুই ঠিক ভাবে হয় না। মানসিক বিকাশ সুন্দরভাবে হয় না। চাকরিজীবি মায়ের সন্তানদের কষ্ট দেখে- আমার খুব কষ্ট হয়।
আবার অনেক মা আছেন, সন্তান হওয়ার পর যত ভালোই চাকরি হোক না কেন, সন্তাননের মুখের দিকে তাকিয়ে চাকরি ছেড়ে দেন। তার কাছে সন্তান আগে।
আমি মনে করি, যে সমস্ত মেয়েরা মনে করে- চাকরিটাই সব তাদের বিয়ে করার দরকার নেই। সন্তান দরকার নেই- তারা চাকরি করে বেরাক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

