
টাইম মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন একজন বিজ্ঞানী
ভ্রু কুঞ্চিত, চোখে রাজ্যের টেনশন, ভয়, মুষ্টিবদ্ধ দুই হাত
কয়েক বছর চুল-দাড়ি কাটেননি, পাগলের মতোন অবস্থা
খাওয়া-দাওয়া নেই ঠিকভাবে, তাই সে অতি দুর্বল ও রুগ্ন
তার বহুদিনের গবেষনা শেষ, আজ শুধু ফলাফলের অপেক্ষা
অতীত বা ভবিষ্যৎ থেকে কেউ এসেছে তার টাইম মেশিনে
তিনি পেরেছেন- সময়কে অতিক্রম করতে!!!
পায়চারি করতে-করতে এক আকাশ হতাশায় বিজ্ঞানী
নিজের মাথার চুল আর দাড়ি টানতে থাকলেন-
হঠাৎ দেখলেন টাইম মেশিনের দরজা খুলে একজন
তরুনী মেয়ে বের হয়ে এলো। মেয়েটির বক্ষ উন্মুক্ত
বিজ্ঞানী দেখলেন, এ তো ঝুলে যাওয়া রমনীর স্তন নয়।
অবাক বিজ্ঞানী! বললেন, আপনি কে? কোথা থেকে এলেন?
সুন্দর বক্ষের অধিকারীনি একটু হেসে বললেন- সম্ভাষণ,
আপনাদের অচেনা-অজানা এক গ্রহ থেকে এসেছি আমি
বিজ্ঞানী বললেন, ছিঃ ছিঃ আপনি উলঙ্গ!!! কেন?
'উলঙ্গ' বিষয়টি কি(?) মেয়েটির বোধগম্য হচ্ছিল না।
বিজ্ঞানী বললেন- বুঝেছি, আপনি আমার গবেষনার ফসল,
মানে আমি সফল!!! আহা বেশ বেশ ! ! !
মেয়েটি হেসে বলল- আপনার অনুমান মিথ্যে নয় জনাব।
মেয়েটি বলল, সময় খুব কম, আসুন আমরা মিলিত হই
তারপর জন্ম নিবে এক মহামানব।
বিজ্ঞানী রেগে গিয়ে বললেন- মেয়ে মানুষ স্বভাবতই
বিশ্বাসঘাতক এবং অকৃতজ্ঞ। মেয়েমানুষ না থাকলে
পৃথিবীটা অনেক বেশি বাসযোগ্য হতো।
মেয়েটি কঠিন চোখে তাকিয়ে বলল-
আপনার বয়স যখন উনিশ বছর তিন মাস
তবে তখন কেন একটি মেয়ের উপর ঝাপিয়ে পড়েছিলেন?
বিজ্ঞানী বললেন, তুমি এই কথা জানলে কী করে?
অতঃপর বিজ্ঞানী একটি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন,
হ্যাঁ তার নাম ছিল অঞ্জনা।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




