somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

ফালতু কিছু ছবি ও তার ইতিহাস

০২ রা মে, ২০১৮ রাত ৯:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


১। অফিস যাবো। মগবাজার মোড়ে পৌঁছে দেখি আকাশের এই অবস্থা। মনে মনে আল্লাহকে বললাম, আমি অফিসে পৌঁছাবো তারপর বৃষ্টি দিও, প্লীজ। এই ফাঁকে কয়েকটা ছবি তুললাম। এবং ভাবলাম এক কাপ চা খেয়ে নিই। চা খেয়ে আমি হাঁটা দিলাম অফিসের উদ্দ্যেশে কিছু দূর যাওয়ার পর ঝুম বৃষ্টি নামলো। আমি বৃষ্টিতে ভিজে চুপচুপা।


২। বৃষ্টির পরপর রাস্তা গুলো কেমন ফাকা ফাকা হয়ে যায়। ফাঁকা রাস্তায় আমি চা খেতে বের হই। তখন এই ছবিটি তুলি।



৩। আমার মেয়ের খেলনা। আমিই খেলি। রিমোট টিপাটিপি করলে এটা আকাশে উড়ে। খেলনাটার রঙ নীল। নীল হেলিকাপ্টার ভালো লাগে না। তাই এডিট করে সবুজ করেছি।


৪। এটাও আমার মেয়ের খেলনা। মেয়ে এটা জীবনে ছুঁয়েও দেখেনি। কে যেন দিয়েছিল। আমিই এটা দিয়ে খেলি। পিস্তলটা হাতে নিলেই নিজেকে জেমস বন্ড মনে হয়।


৫। গ্রামের বিয়ে বাড়ির গেট। কার বিয়ে কে জানে! কোনো আলোকসজ্জা করেনি। বিয়ে বাড়িতে আলোকসজ্জা না থাকলে ভালো লাগে? বিয়ে বাড়ি মানেই তো গান বাজনা, হই চই।


৬। এটা আজকের বিকেলের ছবি। হঠাত জানালায় তাকিয়ে দেখি আকাশের এই অবস্থা। দৌড়ে ছাদে গেলাম। কি বাতাস, আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়- এমন অবস্থা। আকাশে মেঘ করলেই প্রতিটা বাঙ্গালীর মন অচেনা অজানা এক আণন্দে নেচে উঠে।


৭। বৃষ্টি থেমে গেলে যে যার গন্তব্যে ফিরে যায়। সবার মধ্যে কি ভীষন তাড়া। চোখে মুখে অজানা এক আতঙ্ক- যদি আবার নামে।


৮। এই ছবিটা তুলি রাত ৩ টায়। চোখে কোনো ঘুম ছিল না। সুরভি ছিল গভীর ঘুমে। বই পড়ছিলাম। হঠাত দেখি ফ্লোরে পড়ে আছে। আমিই ফ্লোরে ফেলেছি। ভাগ্যিশ সুরভি ঘুমে। ফ্লোরে কিছু ফেললে সুরভি রেগে যায়।


৯। এই সেই ভিক্ষুক হাতি। সারা দিন ঢাকা শহরের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় আর ভিক্ষা করে। হাতিটা পায়ে ব্যথা পেয়েছে। সেদিন দেখলাম খুড়িয়ে হাঁটছে। আমার ইচ্ছা এই হাটি টাকে একদিন পেট ভরে ভালোমন্দ খাওয়াবো।


১০। এই ছবির দু'জনকে আমি চিনি না। হয়তো আপনাদের চেনা চেনা লাগতে পারে। তবে ওদের জন্য আপানারা স্বচ্ছ মনে প্রার্থনা করবেন।


১১। আমার বাসার রান্না ঘর থেকে এই ছবিটি তুলি। সুরভি রান্না করছিল। আমাকে ডেকে বলল দেখো আকাশের কি অবস্থা। তখন দৃশটাকে বন্ধী করে ফেলি।


১২। সেদিন অফিস থেকে হেঁটে হেঁটে বাসায় ফিরছিলাম। কথা নেই, বার্তা নেই শুরু হলো বৃষ্টি। এক লোক ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করছিল। বৃষ্টি নামতেই লোকটা কোথায় যেন চলে গেল। দেখুন পানি পেয়ে সবজি গুলো কেমন চকমক করছে।

সব গুলো ছবিই ফালতু। তবে প্রতিটা ছবির পেছনের ইতিহাস আমাকে নাড়া দেয়। ভাবায়। হাসায়। মন খারাপ করে দেয়। ভুলে যাওয়া ঘটনা মনে করিয়ে দেয়। ছবি গুলো তুলেছি আমার সস্তা সিমফনি পি ৬ মোবাইল দিয়ে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মে, ২০১৮ রাত ৯:২৭
২৭টি মন্তব্য ২৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা: (দ্বিতীয় পর্ব)

লিখেছেন মৃত্যুঞ্জয়, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০০

কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম?

দ্বিতীয় পর্ব: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার বিভাজন এবং অসম প্রতিযোগিতা

একটি শিশুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় প্রাথমিক স্তর থেকে। কিন্তু মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কেমনের দিনে

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫



মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×