
কবি গুরু তার নিজের কুঠি বাড়িতে ।
১। রবি ঠাকুর ১২ বার বৈদেশ ভ্রমন করে ৫টি মহাদেশসহ ৩০টির বেশী দেশ ভ্রমন করেন। প্যারিস হয়ে লন্ডন থেকে শুরু করে রাশিয়া, আমেরিকা, ইরাকসহ নানা দেশে ঘুরে সর্বশেষ শ্রীলঙ্কা এসে থামেন। এই বিশাল ভ্রমনে তিনি তার সাহিত্যের শিল্পগুণের যেমন বিকাশ ঘটিয়েছেন তেমনি সেখানে নিজের সাহিত্যের প্রচারও করেছেন। যা তাকে বিশ্বকবি ও নোবেল বিজয়ী হতে সাহায্য করেছে।
২। শুধু রুটির দোকানে চাকরি করলেই নজরুল হওয়া যায় না। কিংবা স্কুল-কলেজে না গেলেই রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না। সবাই তো বই বাঁধাইয়ের দোকানে চাকরি করে মাইকেল ফ্যারাডে হতে পারে না, বেশির ভাগই তো সারাজীবন বই বাঁধাই করেই কাটিয়ে দেয়।
আপনার এগিয়ে যাওয়া নির্ভর করে আপনার নিজের উপর। আপনাকে পৃথিবীর পথে নামতে হবে।
৩। রাতে স্বপ্নে দেখি, আমি রবীন্দ্রনাথের সাথে দেখা করতে শিলং পাহাড়ে যাই। রবীন্দ্রনাথ পাহাড়ের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে দূরে নদীর দিকে তাকিয়ে আছেন। তার হাতে 'বাইবেল'। আকাশ ভয়ানক মেঘলা। যে কোন সময় বৃষ্টি নামবে। আমার হাতে ভদকা'র পেট চ্যাপ্টা বোতল। আমি খুব নিরবে রবীন্দ্রনাথের পাশে গিয়ে দাঁড়াই। তিনি আমার দিকে না তাকিয়েই বললেন- এই বিশ্রী জিনিস খাও কি করে তোমরা? ওয়াক থু! এর চেয়ে চিরতার রস অনেক ভালো। আমি বললাম, আমি খাব। আজ নেশা করে ছাড়ব। রবীন্দ্রনাথ খুব'ই কোমল গলায় বললেন- দেখিস আবার মাতলামো শুরু করিস না যেন। তারপর বিড়বিড় করে বললেন- আশ্চর্য মানুষ, আর তাদের আশ্চর্য জীবন।
৪। আমার এক সময় ধারনা ছিল রবীন্দ্রনাথ চা খেতেন না। বিশেষ করে রাস্তার পাশের কোনো দোকান থেকে। কখনও খেলে- শখ করে খেতেন। চার পাশের মানুষদের খেতে দেখে হয়তো একটু শখ করে খেলেন, জিনিসটা কেমন!
ঢাকা শহরের সব রাস্তার ফুটপাতে অসংখ্য চায়ের দোকান আছে। একদিন দুপুরবেলা হঠাত আকাশ কালো করে ঝুম বৃষ্টি নামল। আমি ভিজতে ভিজতে রাস্তার পাশের এক দোকান থেকে এক কাপ চা খেলাম। খুব মুগ্ধ হলাম। আশ্চর্য ব্যাপার সাথে সাথে আমার রবীন্দ্রনাথের কথা মনে পড়ল। রবীন্দ্রনাথ কি কখনও বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে রাস্তার পাশের দোকান থেকে চা খেয়েছেন? খেলেও আমার মতো মুগ্ধ কী কখনও হয়েছেন !
৫। প্রেম অতি সস্তা একটা বিষয়।
প্রেমের সময় বেশির ভাগ ছেলেই নির্জন জায়গা খুঁজে বেড়ায়। একশো টা প্রেম করা যায় অনায়াসে। প্রেমে কোনো দায়-দায়িত্ব থাকে না। রিকশায় করে ঘুরো। গিফট দাও। ফাস্ট ফুডে যাও। মুভি দেখো। রাতে মোবাইলে কথা বলো। আজাইরা রাগ দেখানো। সব কিছু মিলিয়ে মিথ্যা কথা আর মিথ্যা অভিনয়। যার কোনোটাই বাধ্যতামূলক নয়।
পারলে বিয়ে করে দেখা।
তারপর বউ নিয়ে ফাস্ট ফুডে যা, রিকশায় করে ঘুর। গিফট দে। মুভি দ্যাখ। তাহলেই বুঝা যাবে তুমি কেমন ব্যাটা। তোমার কত মুরোদ।
৬। ব্লগের সবচেয়ে খারাপ দিক এবং সুবিধাটা হলো নিজের আসল নাম ব্যবহার না করে লেখার সুযোগ মিলে। তাই যাচ্ছেতাই লেখা যায়।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



