
১। অদ্ভুত একটি উপন্যাস ''দিবারাত্রির কাব্য''। উপন্যাসটা পড়তে পড়তে ঘোর লেগে যায়। দিবারাত্রির কাব্য মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত তুমুল জনপ্রিয় এবং আলোচিত উপন্যাস। ১৯৩৫ সালে দিবারাত্রির কাব্য মলাটে প্রকাশিত হয়।আমরা সাধারনত যে উপন্যাস পড়ি তা থেকে সম্পুর্ণ আলাদা 'দিবারাত্রির কাব্য'। দিবারাত্রির কাব্য অবশ্যই প্রেমের উপন্যাস ।উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হেরম্ভ। উপন্যাসে হেরম্ভের জীবনে ৩টি মেয়ে আসে।উমা,সুপ্রিয়া এবং আনন্দ। উপন্যাসের শুরু হয় দারোগা অশোকের স্ত্রী সুপ্রিয়ার বাড়িতে ।উমা হেরম্ভের স্ত্রী । এক সন্তান রেখে আত্যহত্যা করে সে। হেরম্ভের জীবনে সব কিছু উলটপালট করে দেয় আনন্দ নামের মেয়েটি। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাব্বিশ বছর বয়েসে গল্প লেখেন ‘একটি দিন’, ১৯৩৪ সালে। উপন্যাস নিয়ে ছবি করার কারও সাহস হবে এমন কথা মানিক ভাবেননি নিশ্চয়ই। মানিক তাঁর এক গল্পগ্রন্থের ভূমিকায় লিখেছিলেন, ‘ভাবের আবেগে’ ভেসে যাওয়া মধ্যবিত্তকে কশাঘাত করার কথা। সাহিত্যে সরল আবেগ চর্চার সঙ্গে ওঁকেও লড়াই করতে হয়েছে।
২। এক ছোকরার বিয়ে করার বড়ই শখ, তার মতে এতেই তার সকল সুখ নিহিত। কিন্তু কিছুতে হয়ে ঊঠছে না। ওদের পরিবার একমাত্র শ্রীহনুমানের পূজো করে- অন্যে দেবতা সেখানে কল্কে পান না - তাই ত্রিসুন্ধ্যা তারঁই পূজো করে কাকুতি-মিনতি করে, “হে ঠাকুর, আমায় একটি বউ জুটিয়ে দেও গো”। ওদিকে নিত্য এমন ঘ্যানর ঘ্যানর শুনে হনুমানের পিত্তি চটে গিয়েছে। শেষটায় একদিন স্বপ্নে দর্শন দিয়ে হুঙ্কার দিলেন, “ওরে বুদ্ধু, বউ যদি জোটাতেই পারতুম, তবে আমি নিজে বিয়ে না করে confirmed bachelor হয়ে রইলুম কেন?!!”
৩। ১৯৬৫-৬৬ সালে রেডিও তে ফিলিপ রুপসজলসা নামে একটা গানের অনুষ্ঠান হতো। এই অনুষ্ঠানে বাংলা গান এবং বাংলা গান গুলোকে ইংরেজী করে বাজানো হতো। বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথের গান গুলো বেশী ইংরেজি করা হতো। এই ব্যাপারে কেউ কিছু জানেন?
৪। স্বপ্নে দেখলাম আমি হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছি। একটা সাদা চাদরে আমার সমস্ত শরীর ঢাকা। আমি বুঝতে পারছি আমি মারা গেছি।
একজন ডাক্তার এসে খুব বিরক্ত হয়ে বলল, ডেড বডি এখনো এখান থেকে সরানো হয়নি কেন? দ্রুত সরান, নতুন রোগী আসবে।
সবাই তখন ধরাধরি করে আমাকে হাসপাতালের বারান্দায় ফেলে রাখলো। আমার বেডে নতুন রোগী চলে এলো। এই রোগীকে মনে হচ্ছে আমি চিনি।
একটু পরে সুরভি এসে আমার খোঁজ করছে। আমি কোথায় কে বলতে পারছে না। অথচ আমি ফ্লোরে পড়ে আছি।
অসহ্য এক যন্ত্রনায় ঘুম ভেঙে গেল। বিছানা থেকে লাফ দিয়ে উঠলাম। সারা শরীর ঘামে ভেজা। বিদ্যুৎ চলে গেছে কখন, কে জানে! অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে ফ্রিজ থেকে বোতল বের করে অনেক গুলো পানি খেলাম।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




