
চিড়িয়াখানার প্রতিটা প্রানোকে অসহায় বলে মনে হলো।
২।

এই প্রানীটি মনে হয় ক্ষুধার্ত।
৩।

কেউ বাদাম বা পপ কর্ন ছুড়ে দিলে খুব খুশি হয়। যদিও লেখা আছে তাদের কোনোপ্রকার খাবার দেওয়া যাবে না।
৪।

চিড়িয়াখানার ভেতরে প্রচুর হকার। এই হকার পানি বিক্রি করে। বাইরে থেকে চিড়িয়াখানার ভেতরে দাম বেশী।
৫।

এই লোক ময়ূরের পেখম বিক্রি করছে।
৬।

পুরো চিরিয়াখানায় কোনো প্রানীর মধ্যে জৌলস ভাব নেই। সব গুলো প্রানী কেমন মনমরা।
৭।

এই লোক আমড়া বিক্রি করছে।
৯।

এক লোক মাছ ধরছে। বেশ কিছু মানুষ দাঁড়িয়ে তার মাছ ধরা আগ্রহ নিয়ে দেখছে।
১০।

মিঠা প্রানীর কুমিড়। একটূও নড়াচড়া করে না।
১১।

পুরো চিড়িয়াখানার ম্যাপ। হাটার পর গুলো ভাঙ্গা। ধুলোমাখা। রাস্তাও সমান নয়, ভাঙ্গা। আরামে হাঁটার কোনো উপায় নেই।
১৩।

হাতী আমার খুব প্রিয় প্রানী। আগে হাতির পিঠে চড়ার ব্যবস্থা ছিল। আজ দেখি সেই ব্যবস্থা নেই।
১৪।

পাখিটার চোখে মুখে অনেক রাগ। পাখিটাকে দেখে মনে হয় সে ভালো নেই।
১৫।

চিড়িয়াখানার ভেতরের প্রবেশ পথ।
১৬।

চিড়িয়াখানারর ভেতরে একটি লেক।
১৭।

বাঘের খাচায় একজন সেলফি তুলছে। খুবই মুহুর্ষ একটা বাঘ। খাঁচা গুলো এমন করে বানানো যে স্পষ্ট দেখা যায় না।
১৮।

শিশুদের খেলা ধূলা করার জন্য ছোট্র একটা পার্ক আছে। শিশুরা খুব দৌড়ঝাঁপ করে বেড়াচ্ছে।
১৯।

গাধা। সত্যি কথা বলতে কি এই চিড়িয়াখানা সংরক্ষের দায়িত্বে যারা আছে তাদেরকে আমার গাধা বলে মনে হয়। প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থী আসে। প্রবেশ মূল্য ত্রিশ টাকা। এই চিড়িয়াখানা কি সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা যায় না? প্রানী গুলোর কি ভালো যন্তের ব্যবস্থা করা যায় না? চিড়িয়াখানায় কর্তা ব্যাক্তিদের একটা অফিস দেখলাম। বেশ চকমকা। কিন্তু প্রানীর গুলোর অবস্থা এরকম ঝকমকা হতে পারলো না?
২০।

চিরিয়াখানায় প্রবেশ করেই দেখি তারা মসজিদের জন্য চাঁদা তুলছে। গত বিশ বছর ধরে দেখছি- মসজিদের জন্য, বাসে, লঞ্চে, ঘাটে, ফুটপাতে, বাজারে, মার্কেটে টাকা নিয়েই যাচ্ছে। তাদের মসজিদ নির্মান কি শেষ হয় না?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


