
বাহির হবার জন্য এই গেইট কেন? তাহলে বড় গেইট টা কিসের জন্য? বড় কর্মকর্তাদের গাড়ি আসা যাওয়ার জন্য?
২।

চকলেট, বিস্কুট, আচার আর সিগারেট বিক্রি করছে। ভিতরে প্রচুর হকার।
৩।

নিরিবিলিতে বসে দুইজন বেশ গল্প করছে। আমি আর সুরভিও একদিন এইভাবে বসে গল্প করেছি।
৪।

পশু পাখি দেখার মধ্যে তাদের কোনো আগ্রহ নাই। নিজেরা গল্পে ব্যস্ত।
৫।

ঢাকা চিড়িয়াখানাতে প্রচুর হরিণ।
৬।

এই সমস্ত হকারদের বেচাবিক্রি বেশ ভালো।
৭।

প্রতিটা খাঁচার সামনে অনেককে দেখেছি সেলফি তুলছে।
৮।

নোটিশে লেখা- পশু পাখিকে কোনো খাবার দিবেন না। কিন্তু অনেককেই দেখলাম খাবার দিচ্ছে।
লেখা আছে, যেখানে সেখানে ময়লা ফেলবেন না। অথচ পুরো চিড়িয়াখানাতেই যত্রতত্র ময়লা আর্বজনা পরে আছে।
লেখা আছে ধূমপান করবেন না। অথচ কম করে হলেও দশজন লোক সিগারেট বিক্রি করছে।
৯।

তারা হাত ধারাধরি করে হাঁটছে। অনেকক্ষন তাদের পিছু পিছু হাটলাম অকারনেই।
১০।

প্রচুর শশা বিক্রি হচ্ছে। সাথে লবন ফ্রি।
১১।

বিষন্ন জিরাফ।
১২।

ঘোড়ার আস্তাবলে অনেক গুলো কুকুর ঘুমিয়ে আছে। ছবিতে তিনটা কুকুর দেখা যাচ্ছে। কিন্তু কম করে হলে ৭/৮ টা কুকুর ছিল।
১৩।

চিড়িয়াখানার ভেতরে একটা রেস্টুরেন্ট। এইসব রেস্টুরেন্টে না খাওয়াই ভালো।
১৪।

এক গুহুর আরেক হুজুরের ছবি তুলে দিচ্ছে।
১৫।

মেহেদির মতোন, হাতে লতা-পাতার ছাপ একে দেয়।
১৬।

এই দুই জন খুব আগ্রহ নিয়ে গাছের ঢাল ধরে ঝুলছে। যেন একতা মজার খেলা।
১৭।

চিড়িয়াখানার পেছন দিকে এরকম অনেক বাড়ি ঘর আছে। নিশ্চয়'ই তারা গভীর রাতে পশু পাখির চিৎকার শুনতে পায়।
১৮।

জলহস্তি টা মনে হয় অসুস্থ।
১৯।

উট।
২০।

পিঠা তৈরি করার ডাইস।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


