somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

ঢাকার পথে পথে- ৬ (ছবি ব্লগ)

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সারাদিন তো আর বাসায় বসে থাকতে পারি না।
তাই কাজে অকাজে সারাদিন ঢাকা শহরের অলি-গলি ঘুরে বেড়াই। বেশ ভালোই লাগে আমার। পকেটে মোবাইল থাকার সুবিধা হলো- যেই দৃশ্যটা ভালো লাগে সাথে সাথে সেটার ছবি তুলে নিই। এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করি। ঢাকার পথে পথে নামে এটা অব্যহাত থাকবে। ছবি গুলো আমাকে ভাবায়, হাসায় এবং কখনও কখনও মন খারাপ করে দেয়। সিটি করপোরেশনের লোকদের চাইতে আমার মনে হয়- আমি বেশি জানি, এই শহরের সমস্যা গুলো কি কি? এবং কিভাবে সমাধান করা যায়। কিন্তু আমার কাছ থেকে কেউ পরামর্শ নিবে না।
যাই হোক, কথা আর বাড়াবো না। আপনার মন দিয়ে ছবি দেখুন। বইমেলা চলছে। এবার ব্লগারদের প্রচুর বই বের হয়েছে। অনেক প্রকাশকও ব্লগার। একদিন এই বইমেলা ব্লগারদের দখলে চলে যাবে এই আমি বলে রাখলাম।

১।


স্থানঃ গুলশান-১। ছেলেটা হয়তো কোনো স্কুলের সামনে দাড়িয়ে বেলুন গুলো বিক্রি করে।

২।


বিয়ে বাড়িতে মানুষ কেন যে ফালতু খরচ করে! ধরুন, তিন দিনের জন্য লাইটিং এ দশ হাজার টাকা খরচ হয়। এই দশ হাজার টাকা ফালতু খরচ না করে, একশ' জন দরিদ্র মানুষকে একবেলা পেট ভরে খাওয়ানো যায়।

৩।


এই পিচ্চির বাপ গেছে, পিচ্চির জন্য বার্গার কিনতে। পিচ্চি বাপের হেলমেট পড়ে বসে আছে। এই পিচ্চি কিন্তু হেলমেট বাহিনীর সদস্য নয়।

৪।


ওভার ব্রীজের একটা পিলারও পোস্টার ছাড়া নেই। কেন? সিটি করপোরেশনের উচিত কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া। দেখতে বড্ড নোংরা লাগে। যারা পোস্টার গুলো লাগায়, মানে যারা পোস্টার গুলো লাগাতে বলে- তাদের মানসিকতা অবশ্যই উন্নত নয়।

৫।


এই পিচ্চি তার বাপের সাথে হাঁটতে বের হয়েছে। সে ইচ্ছা মতো ছোটাছোটি করছে। বাচ্চা গুলো বাসা থেকে বের হতে পারলে খুব খুশি হয়।

৬।


এটা কোনো বিয়ে বাড়ি নয়। একটা মেডিকেল কলেজ। এরা কেন লাইটিং করেছে বুঝতে পারছি না। এটা কি বিদ্যুতের অপচয় নয়? মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি কবে হবে?

৭।


এই পিচ্চি মনের আনন্দে রাস্তার ধুলো বালির সাথে খেলছে। ওর বাবা-মা কই?

৮।


শাহবাগ মোড়। রাস্তার পাশে অসংখ্য ফুলের দোকান। একদিন শাহবাগ থেকে একটা ফুলের তোড়া কিনতে গেলাম। দাম চাই চাইলো- পনের শ' টাকা। শেষমেশ পনের শ' টাকার ফুলের তোড়া কিনলাম ২৫০ টাকা দিয়ে। আজিব!!!

৯।


ভুলে নিজের একটা ছবি দিয়ে দিলাম। ক্ষমাপ্রার্থী।

১০।


মাশাল্লাহ মেট্রোরেলের কাজ ভালোই চলছে। তবে খুব ভোগান্তি হচ্ছে। খিলগা ফ্লাইওভার হয়েছে বা মগবাজার ফ্লাইওভার গুলোতে কি খুব সুবিধা পাচ্ছি? জ্যাম তো আগের চেয়ে বেশি। ফ্লাইওভার হওয়ার আগে এসমস্ত এলাকায় আগে এত জ্যাম হতো না।

১১।


এই মহিলা রাস্তায় বসে মাথায় শ্যাম্পু করছে। খুব ব্যস্ত রাস্তা- সেদিকে তার খেয়াল নেই। স্থানঃ মগবাজার মোড়। মহিলা সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় থাকে, ভিক্ষা করে। সমস্ত ধুলো তার চুলে লাগে। কাজেই শ্যাম্পু করার প্রয়োজন আছে।

১২।


সেদিন সকালে বাসে উঠার জন্য সামান্য পা রাখার জন্য জায়গা পেলাম না। খুব চেষ্টা করেছিলাম। দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে অথচ গনপরিবহনের কোনো উন্নতি আজও হলো না। আজ থেকে দশ/পনের বছর আগেও বাসে উঠতে গেলে ধাক্কাধাক্কি করতে হতো, আজও ধাক্কাধাক্কি করতে হয়।

১৩।


এই কুকুরটার কোনো চিন্তা ভাবনা নেই। সে দুপুরে খেয়ে রাস্তায় মাঝখানে আইল্যান্ডের উপর ঘুমিয়ে আছে। গাড়িঘোড়ার হর্নের শব্দে তার কোনো সমস্যা হয় না।

১৪।


বাড়ি-বাড়ি গিয়ে আজও কিছু লোক দা-বটি ধার করিয়ে দেয়। এই ছবিটি তুলেছি বাড়িধারা এলাকা থেকে।

১৫।


রাস্তায় বের হলেই মানুষ কেমন নিষ্ঠুর হয়ে যায়। কেউ কোনো নিয়ম মানতে চায় না। সবার মাঝে লক্ষ্য করা যায় বড্ড ব্যস্ততা। যে যেদিকে ফাঁক পায় ঢুকিয়ে দেয়। মুহুর্তের মধ্যে লেগে যায় বিরাট জ্যাম। গিট্রু জ্যাম।

১৬।


বাচ্চাদের খেলনা। এটা মোটেও বাচ্চাদের জন্য ভালো খেলনা নয়। খেলনা কিনলে শিক্ষনীয় খেলনা কেনা উচিত।

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৭
২০টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুখরিত জীবনের চলার পথে, ব্লগের মুখরিত দিন

লিখেছেন মেহবুবা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪


ব্লগ স্কুল, মজারু
ছোটন চলে স্কুলেতে বই শ্লেট হাতে ,
বদরুল ভাই কাঁদছে ভীষন যাবে সাথে সাথে,
চান্কু হল লক্ষ্মীছাড়া পান্কু হয়ে ঘোরে ,
চিটি যাবে সবার আগে উঠল... ...বাকিটুকু পড়ুন

Ripe Age দুই প্রান্তের দুই মানুষঃ সামু শব্দের সেতু প্রজন্মের বন্ধন

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৪


একজন দাঁড়িয়ে জীবনের শুরুতে
চোখে তার অগণিত স্বপ্ন
আগামীর পথে কত প্রশ্ন
কত না-জানা, কত বিস্ময়
কত দূরের নীল আকাশ
ডাকে তাকে প্রতিদিন।

অন্যজন বসে জীবনের শেষে নয়
বরং দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আসা এক প্রান্তে
প্রায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেন টু কক্সবাজার: টিকিট পেলাম না, পেলাম বিকল্প পথের সন্ধান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭

কক্সবাজার যাওয়ার ইচ্ছে ছিল অনেক দিনের। তবে এবার লক্ষ্য ছিল একটু আলাদা—বাসে নয়, বিমানে নয়; ট্রেনের জানালায় চোখ রেখে সমুদ্রের শহরের পথে যাত্রা। কিন্তু সেই সহজ পরিকল্পনার প্রথম বাধাই হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিন্নাহ কি বাঙালি মুসলমানের শত্রু?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪


মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা বা পাকিস্তানের জাতির জনক। একজন বাংলাদেশী হয়ে পাকিস্তানের জাতির জনককে নিয়ে আলোচনা করলে কি গুনাহ হতে পারে কিংবা বড় ক্ষতি হতে পারে? বাংলাদেশে জিন্নাহর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেয়ার বাজারকে গতিশীল করতে স্টক ব্রোকারদের নিয়ে বৈঠকে বসছে ডিএসই আজ ১৪-০৯-২০২৬

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭



বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে মন্দার কারণ ও প্রতিকার

ভূমিকা

একটি দেশের অর্থনীতিকে যদি একটি জীবন্ত দেহ হিসেবে কল্পনা করা হয়, তবে তার শেয়ারবাজার অনেকটা হৃদস্পন্দন ও তাপমাত্রা মাপার যন্ত্রের মতো। অর্থনীতির কোথায় প্রাণশক্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×