
সারাদিন তো আর বাসায় বসে থাকতে পারি না।
তাই কাজে অকাজে সারাদিন ঢাকা শহরের অলি-গলি ঘুরে বেড়াই। বেশ ভালোই লাগে আমার। পকেটে মোবাইল থাকার সুবিধা হলো- যেই দৃশ্যটা ভালো লাগে সাথে সাথে সেটার ছবি তুলে নিই। এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করি। ঢাকার পথে পথে নামে এটা অব্যহাত থাকবে। ছবি গুলো আমাকে ভাবায়, হাসায় এবং কখনও কখনও মন খারাপ করে দেয়। সিটি করপোরেশনের লোকদের চাইতে আমার মনে হয়- আমি বেশি জানি, এই শহরের সমস্যা গুলো কি কি? এবং কিভাবে সমাধান করা যায়। কিন্তু আমার কাছ থেকে কেউ পরামর্শ নিবে না।
যাই হোক, কথা আর বাড়াবো না। আপনার মন দিয়ে ছবি দেখুন। বইমেলা চলছে। এবার ব্লগারদের প্রচুর বই বের হয়েছে। অনেক প্রকাশকও ব্লগার। একদিন এই বইমেলা ব্লগারদের দখলে চলে যাবে এই আমি বলে রাখলাম।
১।

স্থানঃ গুলশান-১। ছেলেটা হয়তো কোনো স্কুলের সামনে দাড়িয়ে বেলুন গুলো বিক্রি করে।
২।

বিয়ে বাড়িতে মানুষ কেন যে ফালতু খরচ করে! ধরুন, তিন দিনের জন্য লাইটিং এ দশ হাজার টাকা খরচ হয়। এই দশ হাজার টাকা ফালতু খরচ না করে, একশ' জন দরিদ্র মানুষকে একবেলা পেট ভরে খাওয়ানো যায়।
৩।

এই পিচ্চির বাপ গেছে, পিচ্চির জন্য বার্গার কিনতে। পিচ্চি বাপের হেলমেট পড়ে বসে আছে। এই পিচ্চি কিন্তু হেলমেট বাহিনীর সদস্য নয়।
৪।

ওভার ব্রীজের একটা পিলারও পোস্টার ছাড়া নেই। কেন? সিটি করপোরেশনের উচিত কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া। দেখতে বড্ড নোংরা লাগে। যারা পোস্টার গুলো লাগায়, মানে যারা পোস্টার গুলো লাগাতে বলে- তাদের মানসিকতা অবশ্যই উন্নত নয়।
৫।

এই পিচ্চি তার বাপের সাথে হাঁটতে বের হয়েছে। সে ইচ্ছা মতো ছোটাছোটি করছে। বাচ্চা গুলো বাসা থেকে বের হতে পারলে খুব খুশি হয়।
৬।

এটা কোনো বিয়ে বাড়ি নয়। একটা মেডিকেল কলেজ। এরা কেন লাইটিং করেছে বুঝতে পারছি না। এটা কি বিদ্যুতের অপচয় নয়? মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি কবে হবে?
৭।

এই পিচ্চি মনের আনন্দে রাস্তার ধুলো বালির সাথে খেলছে। ওর বাবা-মা কই?
৮।

শাহবাগ মোড়। রাস্তার পাশে অসংখ্য ফুলের দোকান। একদিন শাহবাগ থেকে একটা ফুলের তোড়া কিনতে গেলাম। দাম চাই চাইলো- পনের শ' টাকা। শেষমেশ পনের শ' টাকার ফুলের তোড়া কিনলাম ২৫০ টাকা দিয়ে। আজিব!!!
৯।

ভুলে নিজের একটা ছবি দিয়ে দিলাম। ক্ষমাপ্রার্থী।
১০।

মাশাল্লাহ মেট্রোরেলের কাজ ভালোই চলছে। তবে খুব ভোগান্তি হচ্ছে। খিলগা ফ্লাইওভার হয়েছে বা মগবাজার ফ্লাইওভার গুলোতে কি খুব সুবিধা পাচ্ছি? জ্যাম তো আগের চেয়ে বেশি। ফ্লাইওভার হওয়ার আগে এসমস্ত এলাকায় আগে এত জ্যাম হতো না।
১১।

এই মহিলা রাস্তায় বসে মাথায় শ্যাম্পু করছে। খুব ব্যস্ত রাস্তা- সেদিকে তার খেয়াল নেই। স্থানঃ মগবাজার মোড়। মহিলা সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় থাকে, ভিক্ষা করে। সমস্ত ধুলো তার চুলে লাগে। কাজেই শ্যাম্পু করার প্রয়োজন আছে।
১২।

সেদিন সকালে বাসে উঠার জন্য সামান্য পা রাখার জন্য জায়গা পেলাম না। খুব চেষ্টা করেছিলাম। দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে অথচ গনপরিবহনের কোনো উন্নতি আজও হলো না। আজ থেকে দশ/পনের বছর আগেও বাসে উঠতে গেলে ধাক্কাধাক্কি করতে হতো, আজও ধাক্কাধাক্কি করতে হয়।
১৩।

এই কুকুরটার কোনো চিন্তা ভাবনা নেই। সে দুপুরে খেয়ে রাস্তায় মাঝখানে আইল্যান্ডের উপর ঘুমিয়ে আছে। গাড়িঘোড়ার হর্নের শব্দে তার কোনো সমস্যা হয় না।
১৪।

বাড়ি-বাড়ি গিয়ে আজও কিছু লোক দা-বটি ধার করিয়ে দেয়। এই ছবিটি তুলেছি বাড়িধারা এলাকা থেকে।
১৫।

রাস্তায় বের হলেই মানুষ কেমন নিষ্ঠুর হয়ে যায়। কেউ কোনো নিয়ম মানতে চায় না। সবার মাঝে লক্ষ্য করা যায় বড্ড ব্যস্ততা। যে যেদিকে ফাঁক পায় ঢুকিয়ে দেয়। মুহুর্তের মধ্যে লেগে যায় বিরাট জ্যাম। গিট্রু জ্যাম।
১৬।

বাচ্চাদের খেলনা। এটা মোটেও বাচ্চাদের জন্য ভালো খেলনা নয়। খেলনা কিনলে শিক্ষনীয় খেলনা কেনা উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




