
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস ঝুঁকি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। চীনে কোনো প্রবাসী বাংলাদেশি এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হননি। ১৯৬০ সালে প্রথম করোনা ভাইরাস সনাক্ত করা হয়। কেউ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে দ্রুত কিডনি নষ্ট হতে শুরু করে।
পৃথিবী আজ মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে মারাত্মকভাবে ভারাক্রান্ত। তাই প্রকৃতি চক্রান্ত করে প্রাণঘাতী কিছু রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটায় যাতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। দুঃখজনক ব্যাপার হলো- মিডিয়াতে শুধু মৃত্যুর খবর আসছে কিন্তু যারা করোনা থেকে সুস্থ হয়ে যাচ্ছেন তাদের কথা আসছে না। ফলে চারিদিকে প্যানিকের সৃষ্টি হচ্ছে।
জীবানু বিবর্তনের কারনে নতুন জাতের কিছু কিছু ভাইরাস মানব দেহে সংক্রামিত হয়। ইতিহাসের দিকে তাকালেই বুঝা যায়- বারবার পৃথিবীতে বিভিন্ন ভাইরাস মহামারি আকারে হানা দিয়েছে। কিন্তু মানুষ তো বসে নেই। প্লেগ, গুটি বসন্ত, পোলিও মত কঠিন রোগ পৃথিবী থেকে নির্মুল করে ফেলেছে। বার্ডফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, সার্ছ, মার্স, ইবলা নির্মুল না হলেও নিয়ন্ত্রনে রাখা হয়েছে।
যখনই ব্যাপকহারে মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা ও অন্যের অধিকার নষ্ট করা হয়, তখনই প্রকৃতির প্রতিশোধ অনিবার্য হয়ে উঠে। তখন প্রকৃতির নিষ্ঠুর তাণ্ডবে প্রাণ হারাতে হয়, দুর্বিষহ যন্ত্রণায় দগ্ধ হতে হয়। তাই প্রকৃতি রেগে যায়- এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকাই উত্তম।
ভয় আতঙ্কের কিছু নেই। সচেতনতা দরকার। চীন খুব দক্ষতার সাথে আক্রান্ত শহরগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। আর চীনের বাইরে কেউ মারা যায় নি। আল্লাহ বিপদ দেন আবার তিনিই বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।
আমার ভয় হচ্ছে এটা কোনভাবে আমাদের দেশে ঢুকলে ঘনবসতি এলাকা হবার কারণে এটা না দ্রুত সংক্রমণ হয়। আল্লাহ এই দেশের উপর রহমত নাযিল করুন।
আল্লাহ, বিশ্বের সমস্ত মানুষকে সমস্ত প্রকার বিপদ-আপদ, রোগ-শোক থেকে রক্ষা করুন। বিশেষ করে বাংলাদেশের জনগণকে। এরা বড় দুঃখী। অসহায়। হে আল্লাহ! এ দেশ দরিদ্র, এ দেশের বেশির ভাগ মানুষ দরিদ্র, বড় কোন বিপদ আসলে মোকাবিলার সক্ষমতা নেই, অতএব ক্ষমা করুন সকলকে, নিরাপত্তা দিন সকলকে।
খুব বেশি চিন্তার কিছু নেই। এত আলেমের দেশে এসব ভাইরাস সুবিধা করতে পারবে না। আসুন নিজে সচেতন হই। অন্যকে সচেতন করি। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকি। সবাই নিরাপদে থাকুক, ভালো থাকুক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






