
দীর্ঘদিন ধরে ছবি তুলি।
অনেক অনেক ছবি তুলতে তুলতে- কিছু ছবি নিজের কাছেই খুব ভালো লেগে যায়। এই পোষ্টে আমার তোলা, আমার প্রিয় বারোটা ছবি দিলাম। ছবি গুলো আমার নিজের কাছেই ভালো লাগে। আমার তোলা সব হারিয়ে গেলেও কিছু কিছু ছবি রয়ে গেছে। হারিয়ে যাওয়া ছবির জন্য আমার কোনো আফসোস নেই। যেখানে মানুষ চিরতরে হারিয়ে যায়, আর সামান্য ছবি। এক যুগের বেশি সময় হয়ে গেছে ক্যামেরা হাতে নিয়েছি। সময় দিলে, শ্রম দিলে যে কেউ ভালো ছবি তুলতে পারবে। বর্তমান বাজারে যদিও ডিএসএলআর ক্যামেরার মূল্য বেশ কম, এবং অনেকের হাতেই এখন ডিএসএলআর ক্যামেরা দেখা যাচ্ছে তবুও স্মার্টফোনে ছবি তোলা মানুষের সংখ্যাই এখনও বেশি। যাই হোক, আর বক বক করবো না। এবার ছবি গুলো দেখুন। ছবি গুলো আপনাদের কাছে কেমন লাগলো তা জানাতে ভুলবেন না। সভাই ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।
১।

এই ছবিটা আমার ভালো লাগে।
বহু বছর আগের তোলা। কত গুলো বটি। বটি বিক্রেতা হাসি মুখে তাকিয়ে আছেন। সোনার গা থেকে ছবিটি তুমি। লোকশিল্প মেলা চলছিল তখন। ছবিটার ফ্রেমিং মন্দ হয় নি। কি বলেন?
২।

ইট ভাটা। কেরানীগঞ্জ। সেদিন সারাদিন ইটভাটায় ছিলাম। খুব কষ্টের কাজ। খুব ব্যস্ত ইটভাটার শ্রমিক।
৩।

এই ছবিটা তুলি চিটাগাং থেকে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এর কাছে শামুক ঝিনুকের দোকান থেকে। ছবিটা আমার ভালো লাগে। আমার কাছে মনে হয়- সহজ সরল সুন্দর একটি ছবি।
৪।

ছবি তুলেছি সুন্দরবন থেকে। জেলেদের জীবন অনেক কষ্টের। লোকটা একটা গাছের ডালে দাঁড়িয়ে কাজ করছে। পড়ে গেলে?
৫।

খুবই সাধারন একটা ছবি। কিন্তু ছবিটা আমার ভালো লাগে। আমি নিজেও পার্কে বসে পত্রিকা পড়ি।
৬।

ছবিটা তের বছর আগের।
একদিন মিরপুরের চিড়িয়াখানার রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম। কারেন্টের তারে অনেক গুলো কাক বসে ছিলো। একটাই ছবি তুলেছি। এরপর কাক গুলো উড়ে চলে গিয়েছিলো।
৭।

এই ছবিটা আমার ভীষন ভালো লাগে।
৮।

এই ছবিটাও আমার ভালো লাগে।
৯।

একজন নারী ইট ভাঙছেন রেল লাইনের ধারে।
১০।

দেশী ফল। করমচা।
১১।

এই ছবিটা রাঙ্গামাটি থেকে তুলেছিলাম।
১২।

আমার আরেকটা প্রিয় ছবি। যেন আকাশটাকে বন্ধী করে রাখা হয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






