
আমার ফুপুর তিন ছেলে।
তিনটাই বিরাট বদ। এরকম বদ পোলাপান আমি জীবনে দেখি নাই। এরা পুরান ঢাকার নারিন্দা থাকতো। এই কারনে আমি ঢাকা শহরের সব এলাকাতে গেলেও নারিন্দা যেতাম না। যদি ওদের সাথে দেখা হয়ে যায়! বদমাশ থেকে দূরে থাকাই ভালো। এমনই কপাল আমার ওরা আমাদের এলাকায় চলে এলো। এখন রোজ দেখা হয়। ওদের তিন ভাইয়ের চুলের কাটিং, হাঁটার স্টাইল বা কথা বলা ঢং দেখলে যে কেউ ওদের বেয়াদপ বলবে। আমার ইচ্ছা করে ওদের তিন ভাইকে সকাল বিকাল কান ধরে ওঠবস করাই। এলাকার মধ্যে ওদের প্রায়ই দেখি সিগারেট খায়, মেয়ে দেখলে সিস দেয়, মারামারি করে।
এর মধ্যে অসংখ্যবার ওদের তিন ভাইকে পুলিশে ধরে নিয়ে গেছে। একবার তো তিনমাস কারাগারেও থাকতে হয়েছে। ছোটবেলা এই তিন ভাইকে কোলে নিয়েছি। গোছল করিয়ে দিয়েছি, খাইয়ে দিয়েছি। দেখতে ভীষন সুন্দর ছিলো ওরা। গল্প শুনিয়ে ঘুম পাড়িয়েছি। ওরা এখন থাকে হাতিরপুল। নিজেদের ফ্লাটে উঠে গেছে। এর মধ্যে দুই ভাই বিয়ে করে ফেলেছে। একজনের বাচ্চা আছে একটা। তিন ভাই এখন নাকি রাজনীতি করে। একেকজন বড় নেতা। আজ একটার সাথে বাংলামটরে দেখা। বিকটভাবে হর্ন দিয়ে আমার সামনে বাইক থামলো। বলল- ভাইয়া কোথায় যাবে, বলো? নামিয়ে দেই।
১।

গুলশান এলাকায় কিছু নতুন বিল্ডিং করেছে। দারুন সুন্দর।
২।

এখনও ফুটপাতে এরকম সেলুন আছে! ছবিটা তুলেছি পরীবাগের কাছ থেকে।
৩।

ভোরে খবরের কাগজ এখান থেকেই অত্র এলাকায় বিলি করা হয়। তারপর চলে যায় বাসা বাড়ি আর অফিস গুলোতে।
৪।

বিস্কুট। এই ছবিতে আমিও আছি। হে হে---
৫।

রিকশার সিট। হলুদ সিট আগে কখনও দেখি নি।
৬।

ফুটপাতে গাড়ি ও বাইক পার্কিং করে রেখেছে। মগবাজার। যারা বাইক আর গাড়ি রেখেছে তাদের আক্কল জ্ঞান নেই?
৭।

শীতে কম্বল পেঁচিয়ে বুড়ি ভিক্ষা করছে। খিলগাও রেলগেট।
৮।

বিভিন্ন বাড়ির সামনে ফুলের বাগান থাকলে দেখতে ভালো লাগে।
৯।

জিলাপি। জিলাপির প্যাঁচ।
১০।

রমনা পার্ক। লোকটা এভাবে মন খারাপ করে বসে আছে কেন? কে জানে!
১১।

একজন দুষ্ট বিক্রেতা।
১২।

বাংলামটর। এই ছবিটা আজ তুলেছি।
১৩।

ঝাড়ন।
১৪।

অনুমোদন আছে ২০ তলার। করেছে ২৪ তলা। সরকারের লোক এসে দিচ্ছে ভেঙ্গে।
১৫।

এই শহরে বেলুন বিক্রি হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







