
১। এক বছর আগে 'চাঁদগাজী' বলেছিলেন-
রোহিঙ্গারা আর যাবে না ধরে নিয়ে এদের মূলধারায় কাজে লাগানোর চেষ্টা করা উচিত। অবশ্যই রিফিউজি হিসেবে। রোহিংগাদেরকে কৃষি শ্রমিক হিসাবে কাজে লাগানো উচিত। খামোখা বসিয়ে বসিয়ে খাওয়ানো ঠিক হচ্ছে না। দেশে আজকাল কৃষি শ্রমিকের ঘাটতি আছে। ওদের থেকে ৩/৪ লাখকে কাজে লাগায়ে সম্পদ সৃষ্টি করা সম্ভব।
ভুলে গেলে চলবে না- ৭১ এ আমরাও রিফিউজি ছিলাম। প্রায় আশি-নব্বই লাখ লোককে আশ্রয় দিয়েছিল ভারত। খাবার দিয়েছিল। চিকিৎসা দিয়েছিল। রোহিংগাদের ভুল পথে পরিচালিত কারা করছে? এনজিও গুলো? তবে, এনজিও গুলো এতাটাই দূর্নীতিগ্রস্ত যে সরকার সেখানে হাত দিলে সরকারের হাত পুড়ে যাবে। রোহিঙ্গাদের জন্য আমাদের ভয়ংকর সমস্যা হবার কথা নয়। থাকুক আমাদের দেশে। আমার কেন জানি মনে হয়, ওরা আমাদের দেশে আর্শীবাদ হয়ে এসেছে।
২। যে যা বলে আমি মোটামুটি মেনে নিই। তর্ক করি না, তেমন আপত্তিকর কথা হলেও আপত্তি তুলি না। চুপ করে থাকি। ফলে সকলের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় থাকে। ছোটবেলায় মা বলতো, শুধু বেঁচে থাক বাবা। তোর কাছে আমি আর কিচ্ছু চাই না। এখন, আমি শুধু কোনোভাবে বেঁচে থাকতে চাই।
৩। মানুষ জীবন পায় শুধু একবারই বাঁচার জন্য। কাজেই তাকে এমনভাবে কাজ করে যেতে হবে, যাতে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মনে না হয় যে, জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সময় আমি নষ্ট করেছি আলস্য করে। এটা তার মনে হতে হবে যে, আমি জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগিয়েছি মানুষের মহত্তম কল্যাণের জন্য।
৪। যদি আপনি আপনার সন্তানের সাথে আবেগীয় একটি সম্পর্ক তৈরি করতে পারেন এবং আপনি যদি তাদের বুঝাতে পারেন তবে তাদের থেকে আপনি চমৎকার কিছু বের করে আনতে পারবেন।
৫। পৃথিবীটা যথেষ্ট জটিল। আট বিলিয়ন মানুষ, অগুণিত বিল্ডিং, হাজারো চ্যাঁচামেচি, অযুত-নিযুত গাড়িঘোড়া আর ফুটপাথে বেহেশতি জেওর আর সস্তা চটি বইয়ের সম্মিলিত সমাহার আমাদের মাথা বনবন করে ঘুরিয়ে দেয়ার জন্যে যথেষ্ট।
৬। রবীন্দ্রনাথ জানতেন পৃথিবীতে করোনা আসবে। সব কিছু তছনছ করে দিবে। এবং একদিন পৃথিবী থেকে করোনা বিদায় নেবে। করোনার বিদায়ে পৃথিবীবাসী যে গান গাইবে তা রবীন্দ্রনাথ লিখে গেছেন।
''আনন্দধারা বহিছে ভুবনে, আনন্দধারা বহিছে ভুবনে''.....
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




