
১। ১৯৭২ সালের ঘটনা।
সদ্য স্বাধীন দেশ, পাকমোটর নামের জায়গাটা হয়ে গেছে বাংলামোটর, পাকিস্তান অবজারভার হয়ে গেছে বাংলাদেশ অবজারভার। এমন আরও অনেক পরিবর্তন এসে গেছে।
কিন্তু অনেক দিনের অভ্যাসবশত এক ভদ্রলোক রিকশাওয়ালাকে ডেকে বললেন, 'এই রিকশা, পাকমোটর যাবা?'
রিকশাওয়ালা ভদ্রলোকের ঠিক পেট বরাবর কষে একটা লাথি দিয়ে বলল, 'এখনও পাকমোটর কস, এত্ত সাহস তোর!'
প্রচণ্ড ব্যথায় অস্থির হয়ে ভদ্রলোক গেলেন ডাক্তারের কাছে, ডাক্তারকে জানালেন, 'ডাক্তার সাহেব, কিছু একটা করেন, আমার বাংলাস্থলীতে প্রচণ্ড ব্যথা!'
২। ছেলে পড়ছে লেকটুরি (LECTURE), পিকটুরি (PICTURE)।
বাবা এসে বললেন, এই ছেলে তোমার ফুটুরি (FUTURE) তো ভালো না।
৩। এক প্রাণিবিজ্ঞানী এক রেস্টুরেন্টে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। এমন সময় সেখানে একটা পান্ডা এসে ঢুকলো। পান্ডাটি খাওয়া দাওয়া করে বেরিয়ে যাবার সময় ম্যানেজারকে গুলি করে চলে গেলো। প্রানিবিজ্ঞানী তাজ্জব হয়ে ঘটনাটি দেখলেন। তিনি কোনভাবেই বুঝতে পারছিলেন না পান্ডাটি এমন অদ্ভুত আচরণ কেন করলো। শেষে বাসায় গিয়ে তিনি উইকিপিডিয়াতে পান্ডা লিখে সার্চ দিলেন এবং রহস্য সমাধান হলে।
A panda is a black and white colored animal which eats shoots and leaves.
৪। মা — বাবু তুই তারাতারি বাসাই আয়, তোর বউ পেরালাইস্ড হয়ে যাচ্ছে।
ছেলে —কেন মা কি হয়েছে?
মা– মুখ, হাত, ঘাড়, বেকিয়ে যাচ্ছে?
ছেলে– ও! না মা ও আসলে সেলফি তুলছে।
৫। এক মাতাল গেছে মন্দিরের পুরোহিত এর কাছে শুদ্ধ হবার জন্য...
পুরোহিত মাতালকে তিনবার এক বড় গামলা জলে চুবিয়ে বললো- এখন তুমি শুদ্ধ হয়েছো, তোমার নতুন নাম "শাশ্বত" আর তোমার মধ্যের সেই মাতাল আত্মা নেই। এখন থেকে তুমি আর মদ্যপান করবে না...
মাতাল বাড়ীতে ফিরে ফ্রিজ থেকে একটা চিল্ড বিয়ার বের করে তিনবার জলে চুবিয়ে বললো-
এখন তুমিও শুদ্ধ এবার তোমার নাম হল "গ্রীন টি''।
৬। শাড়ি পরলে অধিকাংশ মেয়েকে মায়াবতী লাগে। আমি মুগ্ধ হই।
ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা একটি মেয়ে প্রায়ই শাড়ি পরা ছবি দেয়; এতো ভাল্লাগে শাড়িতে তাকে- বলে বোঝাতে পারবো না। কিন্তু তার সব শাড়ি পরা ছবির ক্যাপশনে লেখা- "Ammur Sari ❤"
আমি একদিন তার কাছে ইনবক্সে জানতে চাইলাম- সব সময় আম্মুর শাড়ি পড়েন ক্যান?
মেয়েটি উত্তর দিলো- আমার কোন শাড়ি নাই। তাই আম্মুর শাড়ি পরি। আম্মুকে শাড়ি কিনে দিতে বললে আম্মু বলে বিয়ের সময় কিনে দিবে।
আমি তাকে প্রশ্ন করলাম- আপনার বয়ফ্রেন্ড আপনাকে শাড়ি কিনে দেয় না?
মেয়েটি উত্তর দিলো- আমার কোন বয়ফ্রেন্ড নাই।
আমি জানতে চাইলাম- আমি যদি শাড়ি কিনে দেই, নিবেন?
আমি ক্যানো আপনার দেওয়া শাড়ি নিবো? আপনি ক্যানো আমাকে শাড়ি কিনে দিবেন?- প্রথমে এরকম কথা বললেও পরে মেয়েটি রাজি হলো। মেয়েটি রাজি হওয়ার পর আমি পড়লাম মহাবিপদে। আমার অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ, নিজের খাওয়ার টাকা থাকে না ঠিক মতো, টাকার অভাবে মাঝে মধ্যে না খেয়ে থাকা লাগে, আমি কিভাবে শাড়ি কিনে দিবো? বহু কষ্টে ধারদেনা করে মেয়েটিকে একটা শাড়ি কিনে দিলাম।
আজ সকালে মেয়েটি আমার দেওয়া শাড়ি পরা ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছে; ক্যাপশনে লিখেছে- "Ammur Sari ❤❤"
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




