
১। মেয়ে তার মাকে বলছে, তোমাদের যুগ চলে গেছে। আমার জীবন নিয়ে আমি কী করবো তা আমাকেই ভাবতে দাও।
এই রকম মেয়ে গুলোকেই পরে সারা জীবন কাঁদতে হয়।
২। জীবানু বিবর্তনের কারনে নতুন জাতের কিছু কিছু ভাইরাস মানব দেহে সংক্রামিত হয়। ইতিহাসের দিকে তাকালেই বুঝা যায়- বারবার পৃথিবীতে বিভিন্ন ভাইরাস মহামারি আকারে হানা দিয়েছে। কিন্তু মানুষ তো বসে নেই। প্লেগ, গুটি বসন্ত, পোলিও মত কঠিন রোগ পৃথিবী থেকে নির্মুল করে ফেলেছে। বার্ডফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, সার্ছ, মার্স, ইবলা নির্মুল না হলেও নিয়ন্ত্রনে রাখা হয়েছে।
৩। বইমেলা হবে। বানিজ্য মেলা হবে কিন্তু ইজতেমা হবে না?
৪। আমি আর তোমাদের কাছে ফিরব না।
চারিদিকে ঘুরে ঘুরে দেখলাম, তথাকথিত ভদ্রসমাজে কোথাও আমার ঠাঁই নেই। কোথাও নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারি না। হতচ্ছাড়াদের গালাগালি দিয়ে দিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। আবার হঠাৎ আবিস্কার করলাম, এই দেশকে এবং দেশের মানুষকে অনেক ভালোবাসি- শত দোষ সত্ত্বে। তবে যে ক'টা দিন বাঁচি ভদ্র সমাজের আওতা থেকে দূরে থাকব। গুনীদের নয়, ধনীদের পূজা করাই ভদ্রসমাজের রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমাজ থেকে আমি দূরে চলে গেলাম।
৫। তোমরা তাদের প্রতি অনুকম্পা কর।
মনে করো, আহা ওরা অতি দুর্বল, ওদের ব্রেনের ওজন কম, গায়ের জোর কম, তোমাদের কৃপা না পেলে ওরা বাঁচবে না। তাই ওরা তোমাদের দাসী হয়ে আছে আর তোমরা দয়া করে ওদের প্রভু হয়েছ। কিন্তু ইউ ফুলস, তোমরা এটা বোঝ না যে প্রতি সংসারে ওরাই আসল কর্ত্রী। মা রুপে, কন্যা রুপে, বধু রুপে, প্রণয়িনী রুপে, নানা রুপে ওরা তোমাদের মতো হাঁদাদের নাকে দড়ি পরিয়ে নাচাচ্ছে।
ইচ্ছে করলে ওরা সতী- সাবিত্রীও হতে পারে, আবার ক্লিওপেট্রা ক্যাথারিনও হতে পারে। ঘর বাঁধতেও জানে, ঘর ভাঙ্গতেও জানে। প্রকৃ্তির নিয়ম অমান্য করেই তারা শক্তিশালী হয়েছে। সেই নারী-শক্তির উৎস কোথায় সন্ধান করতে হবে, তাকে শ্রদ্ধা করতে হবে।
৬। আজকাল আমি আর কোনো প্রতিভাকে ঈর্ষা করি না।
রবীন্দ্রনাথ- আইনস্টাইন- এমন কি ছোটখাটো আল মাহমুদ বা শামসুর রাহমাকেও ঈর্ষা করি না বরং করুণাই করি। ইদানিং দেশ গরু আর গাধায় ভরে গেছে। যশ খ্যাতি পদ প্রতিপত্তি তাদেরই পদতলে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


