
১। হে ঈশ্বর আর কতদিন বোবা আর অন্ধ হয়ে থাকবে। আমি ক্ষেপে গেলে কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নিবো। তখন কিন্তু আমাকে কিছু বলতে পারবা না।
২। ঢাকা শহরে তরুন-তরুনীদের গোপনে দেখা করে মুখোমুখি বসে কিছুক্ষন হৃদয়-বিনিময় করার জন্য জায়গা খুব কম। মানুষের দাপাদাপিতে সব নিরব স্থান কলরবে ভরে উঠেছে। লেকের পাড়ে বা পার্কে সন্ধ্যার পর অন্ধকারে ব্যাকুল তরুন-তরুনীরা কোনও রকমে এখানে সেখানে জায়গা খুঁজে পেলেও, একটুও সুস্থির হয়ে বসবার উপায় নেই। একজন আর একজনের হাতটা ধরেছে কি ধরেনি অমনি কোথা থেকে যেনো চলে আসবে কোনও ভিক্ষুক। প্রেম করতে গেলেও সাথে রাখতে হয় অনেক ভাংতি টাকা। একজন ভিক্ষুক টাকা পেয়ে চলে গেলেই আর একজন আসবে সাথে সাথে। তারপর আসবে নানান ধরনের ফেরিওয়ালা। বাদাম, চকোলেট, আইসক্রীম এমনকি ফুলও কিনতে হবে, না কিনলে ওরা ঘনিষ্ঠ জড়াজড়ির সুযোগ দেবে না। আজিব !!
৩। একটি কাক আরেকটি কাকের মুখের খাবার কেড়ে নেয়ার জন্য যতরকম ধূর্ততার আশ্রয় নিয়ে থাকে, একজন কবি আরেকজন কবির প্রাপ্য সম্মানটুকু কেড়ে নেয়ার জন্য তাঁর চাইতে কিছু কম করে না।
-আহমদ ছফা
৪। আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি, যেখানে এমন অনেক ব্যক্তি আছেন, যারা সারাবছরে একটি বইও পড়েন না। নিজের যে বইটি পড়তে ভাল লেগেছে, অন্যকেও সেই বই পড়তে উৎসাহ দিন। পছন্দের বই নিয়ে অন্যদের সাথে আলোচনা করুন। বই পড়ার আনন্দ ভাগাভাগি করা বই পড়ার চেয়ে আরো বেশি আনন্দদায়ক।
৫। বারট্রান্ড রাসেল বলেছেন, ‘সংসারে জ্বালা-যন্ত্রণা এড়ানোর প্রধান উপায় হচ্ছে মনের ভেতর আপন ভুবন সৃষ্টি করে নেয়া এবং বিপদকালে তার ভেতর ডুব দেয়া। যে যত বেশি ভুবন সৃষ্টি করতে পারে, ভাবযন্ত্রণা এড়ানোর ক্ষমতা তার ততই বেশি হয়।’
৬। রবীন্দ্রনাথও পূর্ববঙ্গে কাটিয়েছেন বহুদিন। তার পরেও মুসলমান অধ্যুষিত পূর্ববঙ্গে তিনি তার শান্তি নিকেতন প্রতিষ্ঠা করতে উত্সাহ পাননি। তিনি এটা গিয়ে তৈরি করেন বীরভূমে। প্রথমদিকে শান্তি নিকেতনে মুসলমান ছাত্রদের কোনো প্রবেশাধিকারই ছিল না। রবীন্দ্রনাথ বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে অনেকের কাছে চাঁদা চেয়েছিলেন। হায়দরাবাদের নিজাম তাকে সে আমলে এক লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই চাঁদার সূত্রেই কিছু মুসলমান ছাত্র সুযোগ পায় শান্তি নিকেতনে লেখাপড়া করার।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



