
সার্থকতা কাকে বলে?
নিজের ব্যক্তিগত জীবনটাকে নষ্ট করে ফেলা? যারা এটা বোঝে না, তারা নির্বোধ। মাঝে মাঝে নিজের দিকে তাকিয়ে দেখা খুব দরকার। আমি কোন দিকে চলেছি, আমি শেষ পর্যন্ত কি চাই। এদিকে বিশ্বাস মানুষের হৃদয়ের বড় দাক্ষিন্য। আমি যদি একে গ্রহন করতে না পারি তাহলে সেটা আমার অন্তরের দরিদ্রতম প্রকাশ।
সন্ধ্যা সাতটা।
বাসায় ফিরছি। মালিবাগ মোড়ে একটা খুব সুন্দরী মেয়ে আমাকে বললো- যাবেন? আমি তো প্রচন্ড অবাক! চিনি না, জানি না। তবু বলছে যাবেন? 'যাবেন' শব্দটা যেন আমার বুকে এসে লাগলো। আমি কসম খেয়ে বলতে পারি- ঢাকা শহরের কোনো মেয়ে এত সুন্দর করে বলতে পারবে না 'যাবেন'? মাথার ভিতরে বারবার বেজে চলেছে 'যাবেন'।
আমি মেয়েটাকে ভালো করে লক্ষ্য করলাম।
সহজ সরল সুন্দর একটা মেয়ে। মুখটা ভীষন মিষ্টি। সেজেছেও খুব সুন্দর করে। চোখে মোটা করে কাজল দিয়েছে। শাড়িটা পড়েছে খুব সুন্দর করে। কুচি গুলো ঠিকঠাক। মাথা ভরতি চুল। দাঁতের সেটিং চমৎকার। মনে মনে ঠিক করে ফেললাম- যা আছে কপালে। আপাতত সুন্দরী মেয়েটার সান্নিধ্য কিছুক্ষন পাওয়া যাক। ঠিক এই সময় মেয়েটা আবার বলল, যাবেন?
আমার বুঝার একটু ভুল হয়েছে।
মেয়েটা আমাকে না, সিএনজিওয়ালাকে বলছে যাবেন? আমার বুকটা যেন কাঁচের মতো ভেঙ্গে টুকরা টুকরা হয়ে গেল। বারবার আমার সাথেই কেন এমন হয়! এজন্য আল্লাহর উপর আমার অনেক রাগ জমেছে। ঈশ্বর আমাকে বারবার ঠকিয়েছেন। এজন্য আমার সব রাগ গিয়ে শেষমেষ ঈশ্বরের উপরে গিয়ে পড়ে।
নারী পুরুষের কাহিনী খুব পুরনো।
পৃথিবীর সেই প্রথম নারী ও পুরুষ থেকে শুরু হয়েছিল তাদের কাহিনী। বারবার বলা হচ্ছে। বলাই হয়ে যাচ্ছে কেবল। আজও নারী ও পুরুষ কেবল কাছে আসে, সরে যায়, কাছে আসে, সরে যায়, কাছে আসে.... আসলে সব কথা বলা হয়ে গেছে। নতুন কোনো কথা নেই। এখন কবি সাহিত্যিকরা পুরান কথাই ঘুরে ফিরে আবার নতুন করে বলে যাচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


