
১। অন্যায়ের সাথে আপস করার কারণে অং সান সু চি এখন নিজেই 'রাজনৈতিক রোহিঙ্গা' হয়ে গেছে। সুখী ব্যক্তি জীবনের জন্য আপসের কিছুটা গুরুত্ব থাকলেও রাজনীতিতে ক্রমাগত আপস কেবল বিলুপ্তিই ডেকে আনে।
২। ঢাকার রাস্তায় মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির মুক্তির দাবীতে এক সময় অনেক মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। মিয়ানমারের রোহিঙ্গারাও সুচির জন্য আন্দোলন হয়েছিল। সেনাবাহিনীর সাথে সমঝোতা করে ক্ষমতায় বসেই উল্টে গেলেন শান্তির নোবেল জয়ী। বাংলাদেশ আর রোহিঙ্গা বিরোধী কড়া অবস্থান নিলেন.... আজ সেনাবাহিনী আবার তাকে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে জেলে ভরেছে।
৩। বরাবরই মিয়ানমারের সেনাবাহিনী একটা উশৃংখল বাহিনী।
অং সান সুচি দেশটির সেনাবাহিনীর মতের বাহিরে যখনই কোন ডিসিশন নেওয়ার চেষ্টা করেছে তখনই তিনি গ্রেফতার বা গৃহবন্দি হয়েছেন।
সুচির নাম ভাঙিয়ে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী, রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেশটির সেনাবাহিনীর চাপের কারণে কিছুই করার ছিলনা অং সান সুচির।
৪। উপযুক্ত শ্বাস্তি হয়েছে। সেনাবাহিনীর বাহিরে কখনও ছিল না সুচি। বাংলাদেশে অবস্থান নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো বন্ধ হল কিনা, না আরও দেশে ঢুকবে, সেই অনিশ্চিয়তা থেকেই গেল।
৫। বিভ্রান্ত এক মহিলার উচ্চাভিলাশে হ্রাস টেনে ধরেছে এক উন্মাদ বাহিনি।
৬। অং সান সুচিকে নাকি আবার আটক করা হয়েছে। এক সময় বছরের পর বছর জেলে আটক থাকায় কেমন যেনো মায়া হতো তার জন্য। এবার সে মায়া আর জাগছে না।
৭। অং সং সুচির ফাঁসির দাবিতে ঢাকার রাজপথে এবার লক্ষ মানুষের মিছিল দেখতে চাই !
৮। আহা!
তিনিই দুনিয়াবাসীকে প্রথম গণতন্ত্র শিখিয়েছিলেন!
ভোট জালিয়াতির অভিযোগে তাকেই কিনা সেনাবাহিনী গ্রেপ্তার করল!
৯। সুচি তাঁর কর্মের ফল পাচ্ছে! গণতন্ত্রের কথিত নেত্রী হলেও রোহিঙ্গাদের উপর বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালানোর ক্ষেত্রে তাঁর ন্যক্কারজনক সুবিধাবাদী ভূমিকার কথা সবারই জানা!!
১০। মিয়ানমারে সেনা শাসকের আবির্ভাবে জাতিসংঘ অনেক দিন পর নিন্দা জানানোর একটি কাজ পেল।
১১। ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল মনে হতো একসময় তাকে ...রাজনৈতিক চর্চায়। দূর্বল ও নতজানু নেত্রীত্বের কারনে বার বার সামরিক আগ্রাসন হয় !
১২। মায়ানমারে সেনাবাহিনীর হাতে অংসান সূচি গ্রেপ্তার হওয়াটা লক্ষ-লক্ষ রোহিঙ্গার আর্তনাদের ফসল।
আলহামদুলিল্লাহ।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


