
১। বাংলাদেশের প্রাইভেসি নষ্ট করার অপরাধে আল-জাজিরার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত।
২। একটা প্রথম শ্রেনীর মিডিয়ার এমন তৃতিয় শ্রেনীর রিপোর্ট একমাত্র আল-জাউরাদের পক্ষেই সম্ভব,সরি ফর মাই ল্যাঙ্গুয়েজ।
৩। এইটা কি ছিল? আলজাজিরা এইটা কি দেখাইল? সাংবাদিকতার ক্ষমতা কতদূর সেইটা দেখার অপেক্ষা।
৪। একটা দেশে যদি মাফিয়া’ই না থাকলো, তাহলে মজা কোথায়?
সিনেমার মাফিয়া দিয়ে তো আর দেশ চলবে না...
৫। চিন্তা মানেই বিষয়টা সত্যি এমন না, আর এই চিন্তা নিয়ন্ত্রিত হয় বলে আমরা যা দেখি তা আসলে সত্যি না।
৬। দারুণ থ্রিলার দেখলাম আল জাজিরায়।
৭। একটা রাষ্ট্র এমন অবস্থায় আছে যে একটা সংবাদ নিয়াও জনগণ কথা বলতে সাহস পায় না।
এতো বেশি মানুষ রিএক্ট করতেই পারে কারণ বেশির ভাগ মানুষই অনেক কিছুই জানতো না। আবার অনেকেই জেনেও বিশ্বাস করতো না। অনেকেই জানতো এই ধারণাটা আসলে ভুল।
৮। কি দেখাইলো? মিস করলাম নাকি টিভি দেখিনা বললেই চলে।
৯। আল জাজিরা হইলো কাতারের একাত্তর টিভি এসব ভুয়া রিপোর্ট আর গুজব আমরা বিশ্বাস করি না!
১০। বিদেশি চ্যানেলে ভুয়া খবর প্রকাশ করে উন্নয়নকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। শাহেদ ভাই আপনি এগিয়ে চলেন আমরা আপনার পিছে আছি।
১১। মিয়ানমার আর বাংলাদেশের পরিস্থিতি এক না রে সোনার চাঁন! সুতরাং আপাতত আল জাজিরার নিউজ-ডকুমেন্টারি দেখার পাঠ-প্রতিক্রিয়া বাদ দিয়ে ঘুম দেওয়াই শ্রেয়তরl ক্ষমতার পটপরিবর্তন, বিপ্লব কিংবা সেনাভ্যূত্থান সে হাওয়ায় ভর করে আসমান থেকে নাজিল হয় না; এজন্য ক্ষেত্র প্রস্তুত করা লাগে গো ভাইজানেরা।
১২। আল জাজিরার প্রতিবেদনে অবাক হওয়ার কিছু নেই,এ তো খুব সামান্য। নির্বাক হয়ে যাওয়ার মত শত শত প্রতিবেদন কোন দিন দেখতে পাবো।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


