
জাত লেখকরা বেশিরভাগই গরীব হন।
নয়তো টাকা দিয়ে বই করার তাঁদের রুচি থাকে না।
হাতে দেদার পয়সা।
মাঝ বয়সের ক্রাইসিস।
সবসময় কী করব? কী করব? ভাব।
তারা এই বাজারে খুব চটপট লেখক হয়ে যাচ্ছেন। যেকোনো কিছু হওয়ার জন্য একটা জার্ণি থাকে। অনেক দিনের একটা প্রয়াস থাকে, সম্পাদকের সঠিক বিচারে মনোনীত হওয়া থাকে। সেসব কিছুই নেই। কোনো ছোটো, বড়, মেজো পত্রিকায় তাদের লেখা দেখবেন না। লিখলেও এক- আধটা। সে লেখা পড়েই বোঝা যায় বাজে প্রকাশকের মতো লোভী সম্পাদক ও হন। হয়তো একটি গল্প ছাপানোর সালামী এক বোতল বিদেশী স্কচ। কাজেই এদিক, ওদিক টুকে ফুকে একটা গল্প বা কবিতা বেরোতেই পারে। আর আমাদের দেশের বেশিরভাগ প্রকাশক তো একটু জাতে ওঠার জন্য বইয়ের ব্যবসায় নেমেছে। কাজেই টাকা ঢাললেই চুটকিতে তিনি লেখক হয়ে যাবেন।
শুধু কী তাই? সত্যিকারের বড় লেখকদের দিয়ে ধূমধাম করে বইমেলার হাটে বই প্রকাশের ব্যবস্থাও হয়ে যাবে। শুধু টাকা চাই। তারপর সেই লেখক বই তার খাটের তলায় রেখে দিল কী গাড়ির ডিকিতে নিয়ে বাড়ি, বাড়ি বিলোতে গেল তার ব্যাপার। সেসবের আর কে খোঁজ রাখে? এর ফলে যা হচ্ছে সত্যিকারের ভাল লেখকদের খুঁজে পেতে অসুবিধে হচ্ছে। কারণ জাত লেখকরা বেশিরভাগ ই গরীব হন নয়তো টাকা দিয়ে বই করার তাঁদের রুচি থাকে না।
এই অরুচিকর পরিবেশে তাঁরা ক্রমশ ভিড় এর মধ্যে একা হয়ে যাচ্ছেন। এইভাবে চললে বাংলা সাহিত্যের সামনে বাজে সাহিত্যের ঝা চকচকে জরি, চুমকি ছাড়া আর কিছুই পড়ে থাকবে না। একটা অন্তহীন মরুভূমির মধ্যে ওয়েসিস যে অমরত্ব রচনা করে তেমনটি অবসিত হলে সৎ পাঠকের কী হবে?
(এই লেখাটি কলকাতার একজন লিখেছেন। তাকে আমি চিনি না। লেখাটি বাংলাদেশের জন্যও প্রযোয্য।)
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


