somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

পাথরকুচি

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবিঃ আমার তোলা।

১। ১। “Bird By Bird” লিখেছেন অ্যান লেমট। ১৯৫৪ সালে জন্ম নেয়া মার্কিন লেখক অ্যান লেমটকে বলা হয়ে থাকে ‘জনতার লেখক’। গল্প এবং প্রবন্ধ দুই-ই তিনি সমান ভাবে লিখেছেন। তিনি একই সাথে একজন রাজনৈতিক কর্মী, বক্তা এবং শিক্ষক। মূলত সান ফ্রান্সিসকোতেই তার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা। তার রচিত প্রবন্ধগুলো মূলত আত্মজৈবনিক। নিজের রচনা সম্পর্কে এই লেখকের বক্তব্য হলো – আমি তা-ই লিখি যা লিখতে আমার ভাল লাগে; যাতে সত্য কথন থাকে, থাকে মানুষের জীবন ঘনিষ্ট হৃদয়ের অনুভূতি, আধ্যাত্মিক রূপান্তর, পরিবার, গোপনীয়তা, পাগলামী আর সর্বোপরি হাস্যরস। অ্যান লেমট রচিত “বার্ড বাই বার্ড” প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে। এটি এমন একটি বই যাকে লেখালেখি সংক্রন্ত বিষয়ে কোর্স বলা চলে।

২। একদিন বিকেলে বোটের ছাদে বসে রবীন্দ্রনাথ বই পড়ছিলেন, বই পড়ার সময় পা দোলানো তার অভ্যাস। তখন তার পায়ে ছিল কটকি চটি। হঠাৎ পা দোলানিতে এক পাটি চটি পড়ে যায় নদীতে। চটি জোড়া খুব পুরনো হলেও প্রিয় ছিল তার। বোট তখন মাঝ নদীতে। প্রবল স্রোত। চটি টি ভাসতে ভাসতে দূরে চলে যাচ্ছিল। রবীন্দ্রনাথ কোন কিছু চিন্তা না করে লাফ দিলেন নদীতে। বজরার সব কর্মচারী তো অবাক! জমিদার মশাই কেন ঝাঁপ দিলেন নদীতে! কোন অমূল্য বস্তুর জন্য? কিছুক্ষন পর রবীন্দ্রনাথ সাঁতরে ফিরে এলেন, তার মুখে বিজয়ের হাসি। আর হাতে সেই একপাটি চটি।

৩। পৃথিবী শুধু জল আর মাটি নয়, তার বাহিরেও একটি সীমানা আছে। মাটির ওপরে আকাশের নিচে মানুষ আছে, আর সেই মানুষের মন নামক এক আবেগীয় অনুভূতিময় বস্তু আছে।

৪। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে প্রথম ব্রিজটার কাছে বিশাল একটা গাছে অসংখ্য কদম ফুল ফুটে আছে। আমি হা করে কদম গাছটার দিকে অনেকক্ষন তাকিয়ে থাকলাম। ছোটবেলা থেকে জানি, কদম ফুল হচ্ছে বর্ষা কালের ফুল। কিন্তু এখন শীতকাল। আজিব !!!

৫। বই ধরার আগে হাত পরিষ্কার করে নিন। নইলে হাতে থাকা ময়লা বইয়ে লেগে থাকবে। যা যুগ যুগ আপনার অপরিচ্ছন্নতার নমুনা হিসেবে বক্র হাসি দিয়ে যাবে। চিহ্ন রাখতে বইয়ের পাতা ভাঁজ করবেন না। অনেকে পেন্সিল বা কলম জাতীয় ভারী কিছু দিয়ে বুকমার্ক রাখেন। চিহ্ন রাখতে হালকা কোনো কাগজ ব্যবহার করুন। বই পড়া শেষে বুকমার্কটি সরিয়ে ফেলুন। অনেকের বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টানো দেখলে মনে হয় যুদ্ধ করছেন। সর্তকতার সঙ্গে বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টান। এতে আপনার সংবেদনশীলতার পরিচয় মিলবে। বই অবশ্যই বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন। বাচ্চাদের পছন্দের খেলা হলো বইয়ে আঁকা-আঁকি বা বই ছিঁড়ে ফেলা।

৬। বসন্ত প্রায় এসে গেছে।
প্রকৃতি অনেক দুঃসময় এবং সুসময়ের বার্তা বয়ে আনে। ৩৪ ডিগ্রীর উপরের তাপমাত্রায় করোনা ভাইরাসের কার্যক্ষমতা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। শীতের সময়ের যেকোন ভাইরাস নিমোনিয়া নিয়ে আসে, ফলে বসন্ত সাহায্য করবে কিছুটা। ঢাকা গরম হলে, মানুষের কষ্ট হয়; কিন্তু এই বছর গরম একটু আগে এলে, মানুষের পক্ষে যাবে প্রকৃতি।

বাংলাদেশ ১২ আউলিয়ার দেশ পশ্চিমাদের মতো পাপাচারী নয় এদেশে করোনা আঘাত হানবে না ইনশাল্লাহ। অবশ্য আওলিয়াগণকে সবার মতো মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে, উনারা কোনভাবে স্পেশাল কেহ নন।

চলুন সবাই মিলে আমন্ত্রণ জানাই ঋতুরাজ বসন্তকে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪৭
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন-উচাটন

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১৩ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:৫০


তিড়িং বিড়িং ফাল পাড়ি,
যাচ্ছে রে মন কার বাড়ি?
পুড়ছে তেলে কার হাঁড়ি,
আমি কি তার ধার ধারি!

পানে চুনে পুড়ল মুখ,
ধুকছে পরান টাপুর-টুপ;
তাই বলে কি থাকব চুপ?
উথাল সাগর দিলাম ডুব।

আর পারি না... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভয়ংকর সেই খবরের পর… সন্তানের হাতটা শক্ত করে ধরুন

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৩ ই মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫

আজ সকালে খবরটি পড়ে আমার মনটা একদম ভেঙে গেল। ভাবতেই ভয় লাগছে—আমাদের সন্তানদের আমরা আসলে কতটা অরক্ষিত পরিবেশে বড় করছি! ছোট্ট একটি নিষ্পাপ শিশু, যে পৃথিবীটাকে ঠিকমতো চিনতেই শেখেনি, তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিন্দু খতরে মেঁ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


শুধুমাত্র মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে শুভেন্দু। তার বক্তব্যের মূলপ্রতিপাদ্য হলো হিন্দু খতরে মেঁ! আশ্চর্যের বিষয় হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুরা নাকি মুসলিমদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছে, কিছুদিন পরেই নাকি পশ্চিমবঙ্গ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সময় খুব দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে।

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩০

দিনগুলো কেমন যেন দ্রুতই ফুরিয়ে যাচ্ছে!
দেখতে দেখতে মাস শেষ হয়ে যাচ্ছে,
এইতো সেদিন থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন করলাম,
আর এদিকে দেখি চার মাস শেষ হয়ে পাঁচ মাস চলছে। অথচ আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সূর্য পশ্চিম দিকে উঠে:)

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৩ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:২০


আমাদের দেশে রাজনীতিতে নেতা যাই বলে তার কর্মীরা সেটাকে সঠিক মনে করে। সেটা নিয়ে দ্বিমত করে না। এখন ধরুন নেতা মুখ ফসকে বলে ফেলেছে “সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উঠে।” তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×