
আগামীকাল বসন্ত।
বসন্ত এসে গেছে। মেয়েরা বাসন্তী শাড়ি পড়বে। গত বছর আমি আর সুরভি বসন্তের প্রথম দিনে ঘুরে বেড়িয়ে ছিলাম। সুরভি শাড়ি পরেছিলো। এবছর কোথাও যাওয়া হবে না। একে তো করোনা, তার উপর ছোট বাচ্চা। বাচ্চাকে আজ তিনটা টিকা দেওয়া হয়েছে। সে ব্যথায় কাঁদছে। ডাক্তার বলেছেন, জ্বরও আসতে পারে।
মানুষের হাসি মুখ দেখতে খুব ভালো লাগে।
আগামীকাল ঢাকা শহরের সব মেয়ে শাড়ি পড়বে। যেন চারিদিকে শুধু হলুদ প্রজাপতি উড়াউড়ি করবে। সবাইকেই খুব সুন্দর লাগবে। কেউ কেউ আবার মাথায় ফুল দিয়ে বানানো মুকুট পরবে। মেয়ে গুলো তার প্রিয় মানুষের সাথে হাঁটছে, রিকশায় করে ঘুরছে- গল্প করছে। সবার মুখে এক আকাশ হাসি আর আনন্দ- ভাবতেই ভালো লাগছে।
আমাদের সবার'ই দুঃখ-কষ্টের শেষ নেই।
আমরা প্রতিদিন রোদে পুড়ি, বৃষ্টিতে ভিজি, ধুলো-বালিতে সারা শরীর মাখি, ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যামে বসে থাকি, প্রতিদিন বেশ কয়েকবার নানান কারনে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অপমানের ভেতর দিয়েও যেতে হয়। চারপাশে দুষ্ট লোকের অভাব নেই। দরিদ্র একটা দেশে, বিশেষ একটা দিনে সবাই আনন্দ করছে। সবার মুখে হাসি- এটা আমার কাছে অনেক বড় একটা প্রাপ্তি।
আমি আগামীকাল রাস্তায় বের হবো-
মানুষের হাসি মুখ দেখতে। ভোর দেখা যেমন দারুন আনন্দের ব্যাপার। তেমনি মানুষের হাসি মুখ দেখাও আনন্দের ব্যাপার। যাই হোক, শীতকাল বিদায়। ফাগুনের দিন শুরু। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, মা ফাগুনে তোর আমের বনে---। আমাদের জাতীয় সংগীতের লাইন। অসাধারণ সুন্দর একটা গান। এই বসন্তেই আমাদের দেশ থেকে করোনা পুরো বিদায় নেবে- এটাই আমার চাওয়া।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


