
মির্জা গালিব সাহেব বলেছেন, আমার অনেক দুঃখ-কষ্ট। মসজিদে বসে আমাকে মদ খেতে দাও বন্ধু। প্লীজ। আল্লাহর দোহাই লাগে।
এই কথা শুনে আল্লামা ইকবাল সাহেব বলেছেন, ওহে ভন্ড! মসজিদ খোদার ঘর, পানশালা নয় রে ছাগল।
আহমেদ ফারাজ চিন্তিত হয়ে বললেন, দুষ্টলোকের অন্তরে প্রভু থাকেন না। তারা জাহান্নামে নিক্ষেপ হবে, নিশ্চিত।
কবি ওয়াসি সাহেব রেগে গিয়ে বললেন, প্রভু সব জাগায় থাকেন। ভালো কাজ করো। বেহেশতে যাও- বেহেশতে মদের প্রয়োজন নেই।
সাকি হুজুর মুচকি হেসে বলেন, দুঃখ কষ্ট ভুলে থাকার জন্য আমার মদের প্রয়োজন নেই। আমার তিনজন সুন্দরী রমনী আছে। তারা আমাকে সব ভুলিয়ে দিতে পারে। নারী সঙ্গ আর বেহেশত কাছাকাছি। মদের চেয়ে নারীতে আনন্দ বেশী। ওহে মূর্খরা শুনে নাও- বেহেশতে কোনো দুঃখ নাই, তাই ওখানে মদের দরকার নাই।
দার্শনিক মীর বললেন, আমরা মদ খাই ফুর্তি করার জন্য, খামখা দুঃখের কথা বলে লাভ কি? দুঃখের সাথে মদের কোনো যোগসাজশ নেই। আমার মতো- পুরো বোতল শেষ করে দেখো, দুনিয়াই বেহেশত হয়ে যাবে।
সব শুনে শাহেদ জামাল বলল, মদ খাও। ইচ্ছে মতো মদ খাও। মদ খেয়ে তাজমহলের গায়ে পিসাব করে দাও। রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে দুষ্টলোকদের মন ভরে কুৎসিত গালি দাও। দেখবে শান্তি পাবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



