
১। শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে ব্লাকবোর্ডে একটা লম্বা দাগ টানলেন।
এবার সবাইকে উদ্দেশ্য করে জানতে চাইলেন: আচ্ছা তোমাদের মধ্যে কে আছো? যে এই দাগটিকে ছোট করতে পারবে? কিন্তু শর্ত হচ্ছে তোমরা একে মুছতে পারবে না!! না মুছেই ছোট করতে হবে!
তারপর, ছাত্ররা সবাই অপারগতা প্রকাশ করলো।
কারণ, মোছা ছাড়া দাগটিকে ছোট করার আর কোনো পদ্ধতি তাদের মাথায় আসছে না!!
এবার শিক্ষক দাগটির নীচে আরেকটি দাগ টানলেন, যা আগেরটির চেয়ে একটু বড়। ব্যস, আগের দাগটি মোছা ছাড়াই ছোট হয়ে গেলো!
শিক্ষক বললো বুঝতে পারলে তোমরা?
কাউকে ছোট করতে বা হারাতে হলে তাকে স্পর্শ না করেও পারা যায়! নিজেকে বড় করো, গড়ে তুলো, তাহলে অন্যের সমালোচনা/ দুর্নাম করে তাকে ছোট করতে হবে না, তুমি বড় হলে এমনিতেই সে ছোট হয়ে যাবে!!
২। জ্ঞান অর্জনের জন্য বই পড়া অপেক্ষা বাস্তব অভিজ্ঞতার বেশি প্রয়োজন হয়।
ঠাকুর পরমহংস রামকৃষ্ণদেবের জ্ঞানের সম্বন্ধে সকলেরই জানা আছে। ইনি তো সারা জীবন মায়ের আরাধনা করে গেছেন। কিন্তু রামকৃষ্ণদেবের জ্ঞানের সাথে বই পড়া কোন জ্ঞানীর তুলনা করা যায় না। জ্ঞান অর্জন করতে গেলে শেখার প্রতি আপনার তীব্র আগ্রহ থাকা প্রয়োজন। বইতে যেসকল কথা লেখা হয় সেগুলো বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই লেখা হয়। মনে রাখবেন, বই অনেক পরে এসেছে। সবার আগে মানুষের চিন্তা-ভাবনা করার ক্ষমতা এসেছে। জীবনে অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের মাধ্যমে মানুষ তার চিন্তাভাবনাকে বইয়ের রূপ দিয়েছে। তাই আপনি যদি জীবনে বাস্তব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে পারেন তাহলে বই পড়ুন আর নাই করুন আপনার জ্ঞান অর্জন হতেই থাকবে।
কেউ কোন বই পড়েই একেবারে সব শিক্ষা নিজের ভেতর নিতে পারবেনা
এবং সেটা সম্ভবও নয়। কিন্তু যদি একটা বিষয়ও শিখে থাকেন, এবং তা আপনার জীবনে প্রয়োগ ঘটাতে পারেন, সেটিই আপনার বই পড়ার সার্থকতা। সবচেয়ে খারাপ লাগে তা হলো আমরা চাকরির জন্য পড়াশোনা করি, শেখার জন্য না। যারা শুধু মাত্র চাকরির জন্য লেখাপড়া করে তাঁরা দেশের মেরুদন্ডটাই নড়বড়ে করে দেয়। অনেকেই জানে না কেন কী পড়ছে বা কি শিখছি, এটা আমাদের কী কাজে আসবে। সবচেয়ে ভালো হয়- ক্লাস ১০-১২ পাশ করে কৃষি সেক্টরে জড়িয়ে পড়া। এই খাত অনেক সম্ভাবনার। তাহলে বেকার ঘুরে বেড়াতে হবে না। আবার অনেক লেখাপড়ারও দরকার নাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



