
একবার মূসা (আঃ) এর পেটে ব্যাথা হল।
খুব বেশি ব্যথা। তিনি সহ্য করতে পারছেন না। সন্ধ্যায় খুব বেশি ভাজাপোড়া খেয়ে ফেলেছিলেন। তো তিনি আল্লাহকে তার ব্যথার কথা বললেন, তারপর আল্লাহ তাঁকে বললেন- তুমি অমুক গাছের পাতা খাও। মূসা (আঃ) সেই পাতা চিবিয়ে খেলেন। যদিও খেতে কিছুটা তিতা তিতা লাগলো। পেট ব্যথার চেয়ে চিতা খাওয়া ভালো। এরপর মূসার ব্যথা সেরে গেল।
এক সপ্তাহ পর মূসা (আঃ) এর আবার পেটে ব্যাথা হল।
এবার তিনি আল্লাহকে বিরক্ত করলেন না। কারন তিনি জানেন কোনো গাছের পাতা চিবিয়ে খেতে হবে। মূসা নিজে নিজে গিয়ে সেই একই গাছের পাতা খেলেন। কিন্তু এবার ব্যাথা কমলো না। মূসা খুবই অবাক হলে! ঘটনা কি? তখন আল্লাহপাক মূসা (আঃ)কে ডেকে বললেন, কি ব্যাপার মূসা তোমার ব্যাথা কমলো না?
তখন মূসা (আঃ) বললেন, আল্লাহ একই পাতা'ই তো খেলাম! তো ব্যাথা কমলো না কেন? আল্লাহপাক বললেন, যখন আমি তোমাকে পাতা খেতে বলেছিলাম তখন ওই পাতার ওপর আমার হুকুম ছিল রোগ সারাবার! কিন্তু তুমি ভাবলে গুনাগুন গাছের। তাই পরের বার আমাকে বলার প্রয়োজন মনে করোনি। তাই, তোমার ব্যাথাও সারে নাই।
বুখারী শরীফে স্পষ্ট লেখা আছে- আমরা মনে করি ঔষুধ আমাদের রোগ সারায়। কিন্তু আমাদের রোগ মূলত আল্লাহ'ই সারিয়ে থাকেন। ডাক্তার বা ঔষধ তো একটা উসিলা মাত্র। কারন ঔষুধ পেটে গিয়ে আল্লাহর হুকুমের অপেক্ষায় থাকে যে সে কাজ করবে কি করবে না। রোগের মধ্যে কোন সংক্রামক শক্তি নেই ! আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোন রোগ আসে না!
আমার ধারনা গল্পটি বানোয়াট।
এরকম লাখ লাখ গল্প আছে। যার কোনো ভিত্তি নেই। লজিক নেই। তবু কিছু হুজুর ওয়াজে এরকম গল্প বলেন। নির্বোধ দর্শক মুগ্ধ হয়ে এসব গল্প শুনে এবং বিশ্বাস করে। এতই বিশ্বাস করে যে বারবার সুবাহানাল্লাহ বলতে থাকে। এই আধুনিক যুগে এসেও মানুষ কেন এরকম খাজাখুরী গল্প বিশ্বাস করবে? এসব গল্প হলো বিনোদনের জন্য। এসব গালগল্প দিয়ে দেশ বা সমাজের কোনো উপকার হবার নয়। লোকজনদের কে বুঝাবে রুপকথার দুনিয়া থেকে বাস্তবে আসো।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



