somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

বিজ্ঞ হবার উপায় থাকলে অজ্ঞ কেন হবেন?

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ। এর কারন কি?
অর্থনীতিবিদরা হয়তো বলবেন, বাংলাদেশ থেকে গত দশ বছরে ছাড়ে লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এরকম চলতে থাকলে দেশ পাকিস্তানের মতো হয়ে যাবে। বর্তমানে পাকিস্তানে মূল্যবৃদ্ধির হার এখন ২০% ছাড়িয়েছে ৷দেশে আটার আকাল চলছে। এদিকে ভিপি নূরের ধারনা খুব শ্রীঘই হাসিনার পতন হবে এবং সে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবে। সে এখন উড়ছে! অনেকে মনে করছেন, ভিপি নূর না, পিনাকী প্রধানমন্ত্রী হবেন। একথা সত্য- যে দল দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকে, সে দল স্বৈরাচার হয়ে যায়। এসব বিষয় নিয়ে ধার্মিকদের কোনো চিন্তা নেই। তাদের কথা হলো- মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) সৃষ্টি না হলে পৃথিবী সৃষ্টি হতো না। আল্লাহকে পেতে হলে আগে নবীকে পেতে হবে। দেশের কবি সাহিত্যিকরা বলে বেড়াচ্ছেন- হুমায়ূন আহমেদ এবং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় মূলত বাজারি লেখক।

ওয়াজিরা বলছেন, হাসিনা- খালেদা ভুলে যান।
শুধু আল্লাহর কথা মাথায় রাখুন। দুনিয়াতে শুধু তার উপর ভরসা রাখুন। তিনিই আপনাকে সব কিছু থেকে আগলে রাখবেন। মজলুমেরা ভরসা রাখে শুধু আল্লাহর উপর। অন্যদিকে জ্ঞানীরা বলছেন- ইসলাম কোন ধর্ম নয়। এতে মৌলিক কোন দিক নির্দশনাও নেই। যাইহোক, বাংলাদেশ পৃথিবীর সব কটি দেশের মধ্যে ৩৫ তম অর্থনীতির দেশ। যদি একটু পেছনের দিকে তাকাই তাকান তাহলে দেখতে পাবেন- ১৯৯০ সাল থেকেই দেশ একটা ধারাবাহিকভাবে উন্নতির দিকে যাচ্ছিল। ২০১৪ এর পর থেকে আওয়ামী লীগ অবিনশ্বর হয়ে উঠলো। জনগণ গরু ছাগলের মত সংখ্যা হয়ে গেল তাদের কাছে। তাদের শাসনের কোন তুলনা হয় না। গনতন্ত্রকে হত্যা করা হলো কি? উত্তর কোরিয়ার কিম সাহেবের সাথে শেখ হাসিনার মিল খুঁজে পাচ্ছেন? হাসিনা খুব ভালো করেই জানে যে সে মুখে যাই বলুক না কেন, কেউ তাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না বা করবে না। এই সুযোগটা তিনি বেশ ভাল কাজে লাগাচ্ছেন।

বাংলাদেশে বসে চেটাং চেটাং কথা বলা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশে খুব সহজে ধরপাকড় করা যায়। কিন্তু বিদেশে সেটি সম্ভব নয়। বাংলাদেশে যারা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারে না তারাই স্বাধীনতার জন্য বিদেশে যায়। তাদেরকে দেশ থেকে বিতাড়িত হতে হয়। যেমন ধরুন, পিনাকী সাহেব। এখন তার যা মন চায় তিনি তা-ই বলতে পারছেন তার ইউটিউব চ্যানেলে। কিন্তু কখনো কি দেখেছেন ইউরোপ আমেরিকার কেউ নিজেদের বাকস্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশে এসেছে? সে যাকগে, হাসিনা বলেছেন- 'দুর্নীতির প্রমাণ দেন ব্যবস্থা নেব'। উনি দেশ শাসন করছেন। এরপরও সে নিজে তদন্ত না করে অন্যকে প্রমাণ দিতে বলছে কেন? আমি বলি কি- হাসিনা তো আর দেশকে 'কঙ্গো' করেনি। কঙ্গো'তে ২০ শতাংশ মানুষ অনাহারের কারণে মারা যান। ৪০ শতাংশ মানুষ আধপেটা খেয়ে বাঁচেন। আমরা ভাল আছি। বলেই তো লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয়ও দিতে পেরেছি।

ভারতের জনগন মনে করছে-
নরেন্দ্র মোদী ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। মানব সভ্যতায় অনেক উঁচুতে ভারতবর্ষ। ভারতের কথা থাক। নইলে লোকে আমাকে ভারতের দালাল বলবে। আমি জানতাম তুরস্ক মুসলিম দেশ। কিন্তু আমার জানায় ভুল আছে। তুরস্ক কোনো মুসলিম দেশ নয়। তুরস্কের সংবিধান অনুযায়ী তুরস্ক একটি ধর্মহীন দেশ। তুর্কি সিরিয়াল গুলোতে উলঙ্গ মেয়েদের উপস্থাপন করা হয়। তাদের দেখলে আমাদের ইমান চলে যাবে। তুরস্ক বাদ। নিজের দেশের কথা ভাবাই ভাল। আমাদের দেশে এত বেকার কেন? কারন হচ্ছে- সবারই মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের ইচ্ছা। এজন্য সরকার ব্যাঙের ছাতার মত ইউনিভার্সিটি গড়ে ওঠার সুযোগ দিয়েছে। যার ফলে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত গ্র্যাজুয়েট তৈরী হয়েছে। যার কারণে উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বেশি। কিন্তু এইসব গ্র্যাজুয়েট অদক্ষ ও অযোগ্য।

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:১৩
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমেরিকার বর্ণবাদী লরা লুমার এবং ভারতীয় মিডিয়া চক্রের বিপজ্জনক ঐক্য

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


লরা লুমার নামে আমেরিকায় একজন ঘৃণ্য বর্ণবাদী, কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আছেন। তিনি ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে পরিচিত। তার মুখের ভাষা এত জঘন্য যে ট্রাম্পের অনেক ঘোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুকতারা

লিখেছেন সামিয়া, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১



তুমি আমাকে যে জায়গায় রেখে গিয়েছিলে, সেই জায়গাটা ধীরে ধীরে একটা ভূগোল হয়ে গেছে। সেখানে সময়ের নিজস্ব কোনো ঘড়ি নেই, ঋতুর আলাদা নাম নেই, কেবল স্থিরতা আছে, যেন দুপুরবেলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শূন্য বুক (পিতৃবিয়োগ)

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪


চার
রোববার বেলা ১১টার মধ্যে জাহাঙ্গীর গেটের সামনে এসে পৌঁছাল গাড়ি। মৃণাল আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে বসেছিল। চালক উত্তরা এসে ফোন করেছিল। যাহোক, স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে মা-বাবা আর মামার সঙ্গে বারডেমে চলল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং: বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫


মার্চ ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে । একই সময়ে বাংলাদেশের তিনজন হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব আমেরিকার মাটিতে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত নিজের ক্যাম্পেইনে। সেনাপ্রধান জেনারেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন ওরফে সংবিধান সালাহউদ্দিন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০


ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন যিনি দীর্ঘসময় ভারতের তত্ত্বাবধানে শিলংয়ে সংবিধানের ওপর পিএইচডি করেছেন ফলে উনি এখন সংবিধান সালাহউদ্দিন যার সুফল এখন আমরা পেতে চলেছি। ইতোমধ্যেই আপনারা লক্ষ্য করেছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×