somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

কিভাবে নিজেকে নামাজি বানাবো?

২৬ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ১২:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ধরুন, আপনি নামাজি হয়েই গেলেন।
তাতে আপনার কি উপকার হবে? আপনার পরিবারের কি উপকার হবে? এই সমাজের কি উপকার হবে? কাজেই নামাজি না হয়ে চেষ্টা করে দেখুন একজন ভালো মানুষ হতে পারেন কিনা। দেশ ও দশের উপকার করতে পারেন কিনা। আপনি নামাজি হলে পাচবেলা নামাজ পড়বেন। আর যদি আপনি একজন যোগ্য ও দক্ষ লোক হতে পারেন তাহলে সমাজের জন্য দেশের জন্য সর্বোপরি নিজের পরিবারের জন্য ভালো ভূমিকা রাখতে পারবেন। তাতে কি আল্লাহ্‌ খুশি হবেন না? নাকি আপনার বেহেশতে যাওয়া আটকে যাবে? হুর পাবেন না?

কোরানে হাফেজ হওয়া সহজ।
নামাজি হওয়া সহজ। নামাজ পড়তে পড়তে কপালে স্থায়ী দাগ বসিয়ে ফেলাও সহজ। তাতে আপনি আপনার পরিবারের জন্য ভালো কিছু করতে পারবেন না। সমাজ বা দেশের জন্য কিছু করা তো দূরের কথা। 'জ্ঞান' অর্জন করুন। জ্ঞানের চেয়ে সুন্দর আর কিছু নেই। নিজেকে প্রতষ্ঠিত করুণ। টাকা আয় করতে শিখুন। অন্যের ভালো করতে চেষ্টা করুণ। আইনস্টাইন, রবীন্দ্রনাথ, মেন্ডেলা, চার্লি চ্যাপলিন, লালন, এরিস্টটল, পিথাগোরাস কোনোদিন নামাজ পড়েননি। কিন্তু তাঁরা দারুন ভূমিকা রেখেছেন সারা বিশ্বের জন্য। চেষ্টা করে দেখুন না উনাদের মতো হতে পারেন কিনা।

নামাজের চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিন।
জাতির মঙ্গল হয় এমন কিছু করুণ। আপনার পরিবারের ভালো হবে এমন কিছু করুণ। আপনার নিজের ভালো হবে এমন কিছু করুন। ধরেই নিলাম আপনি সারাদিনে পাঁচ বার উঠাবসা করলেন, মানে নামাজ পড়লেন। এবং এক সময় মরে গেলেন। পরিবারের জন্য, সমাজের জন্য দেশের জন্য কিছুই করলেন না। তাহলে লাভটা কি হলো? শুধু নামাজ পড়ে গেলেন। আর যদি আপনি সঠিক জ্ঞান অর্জন করে, সেই জ্ঞান দ্বারা বিশ্বের জন্য ভালো কিছু করতে পারেন, তাহলে মৃত্যুর পরও মানুষ আপনাকে ভালোবেসে স্মরণ করবে। মহৎ কাজ করুণ। সস্তা কাজ করা বাদ দেন। নিজেকে বদলে ফেলুন। উন্নত চিন্তা ভাবনা করুন। ১৪ শ' বছর আগের যুগে বন্ধী হয়ে যাবেন না। চিন্তা চেতনা উন্নত করুণ।

ইসলামে মাত্র দুটা গ্রন্থ।
কোরআন আর হাদীস। তাও হাদীসে ঘাপলা আছে। দুটা বই পড়বেন, আর নামাজ পড়বেন- এই কি জীবন? এজন্যই কি আপনি পৃথিবীতে এসেছেন? এজন্যই আপনার জন্ম হয়েছে? কোরআন, হাদীস অথবা নামাজ পড়া সহজ, পারলে ভালো কিছু করে দেখান, মহৎ কিছু করে দেখান? আমার ওস্তাদ বলেন, ''যারা ধর্ম নিয়ে ব্যস্ত তারা তো মাদ্রাসা করে জাতিকে পঙ্গু করে ফেলেছে। ধর্ম মানুষ সৃষ্টি করেছে, মানুষ ইহাকে ভুলে যাবে। সামন্তবাদের সময় মানুষের যতটুকু জ্ঞান ছিলো সেটার ফসল ধর্ম, আজকে মানুষ যতটুকু বুঝে সেটা হচ্ছে আধুনিক জীবন। যখন ধর্মীয় গ্রন্থ লিখেছেন মানুষ, তখন জ্ঞানের অনেক শাখা অনুপস্থিত কিংবা দুর্বল ছিলো। সেই আমলে কোনো টেকনোলোজী ছিলো না। ধর্মচর্চা মানে অপুর্ণজ্ঞানের মাঝে বসবাস। সব ধর্ম প্রচারকেরা বলেছেন, ধর্ম সৃষ্টিকর্তার কাছে থেকে এসেছে, আসলে, ধর্ম মানুষই লিখেছেন।

সুযোগ যখন পাওয়া গেছে, তাহলে আমার ওস্তাদের আরো কিছু কথা আপনাকে জানিয়ে দেই-
''ধর্মীয়দের ভাবতে হয় না, স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা ওঁদের জন্য ভেবেচিন্তে সব ঠিক করে পুস্তকের ভেতর লিখে দিয়েছেন। পড়তে পারলেই কেল্লা ফতে। ইসলামের জন্ম যেখানে হয়েছিলো, সেখানে বালি ও পাথর ব্যতিত কিছু ছিলো না। তাই তারা অণ্য এলাকা দখল করতে বেরিয়ে সফল হয়েছিলো। সেটা ধর্মের অংশ হয়ে গেছে। আধুনিক মানুষের চিন্তার জগত থেকে এই ঈশ্বর নামের বিদঘুটে বিশ্বাসটিকে একেবারে ফিনাইল দিয়ে ধুয়ে মুছে পরিস্কার করে ফেলা উচিত? ঈশ্বর নামে এই ভূতটাই তো মানুষের প্রধানতম শত্রু ! ধর্ম চিন্তা মানুষের কমন সেন্স লোপ করায়।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০২৩ রাত ১২:৩৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি বড়দের গল্প - ছোটরাও পড়তে পারে

লিখেছেন মুনতাসির, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫০

বিজ্ঞানীরা তিনটা আলাদা দ্বীপে দুইজন পুরুষ আর একজন মহিলা মানুষকে এক বছরের জন্য ফেলে রেখে এসেছে। একটা দ্বীপ ব্রিটিশদের, একটা ফ্রেঞ্চদের, আর শেষটা আমাদের বাংলাদেশীদের। এক বছর পর যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০০

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে বহুবার প্রমাণ হয়েছে যে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকৃত শক্তি থাকে তার তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে। তাদের শ্রম, ত্যাগ, জেল-জুলুম সহ্য করার মানসিকতা এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

খাজনা

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৯



মন! মানুষের মন! মানুষকে তছনছ করে দেয়!
কখনো সে বাঘ, কখনো সে অজগর, কখনো সে শত্রু, কখনো সে বন্ধু!
কখনো সে ঈশ্বর, কখনো সে শয়তান, কখনো সে নিয়তি!
বিদিকিচ্ছিরি কান্ড!

লম্বা টানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের ওভারব্রীজ

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:০৪

বেশ অনেকদিন আগের কথা। আমি কোন এক দুর্ঘটনায় পা এ ব্যাথা পাই। হাসপাতালে ইমারজেন্সি চিকিৎসা নেই। কিন্তু সুস্থ হতে আরো অনেক দেরী। সম্ভবত চিটাগাং রোডে (নারায়ণগঞ্জ) এ রাস্তা পার হবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের পক্ষে বাংলাদেশ সরকারের সরাসরি দাঁড়ানো সম্ভব নয়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৫


ঢাকায় ইরানের রাষ্ট্রদূত যখন মাইক্রোফোনের সামনে কথা বলা শুরু করলেন , তখন তার চোখে রাগ ছিল না, ছিল এক ধরনের ক্লান্ত অভিমান। একটা মুসলিম দেশ, কোটি কোটি মুসলিম মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×