somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

অন্তবর্তী সরকারের খারাপ দিক গুলো

১১ ই জুলাই, ২০২৫ বিকাল ৩:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ধানমন্ডি ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দিলো।
সমস্ত উপদেষ্টারা চুপ থাকলো। যাদের জন্মের ঠিক নেই, তারাই একটা বাড়ি ভেঙে গুড়িয়ে দিতে পারে। ৭১ এর পরাজিত শক্তি আবার জেগে উঠেছে। একবার ভেবে দেখুন কত বড় কলিজা। ওরা কি ভুলে গেছে, শেখ হাসিনা অনেক বছর পরে হলেও রাজাকারদের বিচার করেছেন, শেখ মুজিবের হত্যাকারীদের বিচার করেছেন। ৩২ নম্বর বাড়ি ভেঙে দেওয়ার অপরাধে ওদেরও একদিন বিচার হবে এই বাংলার মাটিতে। এজন্য কিছু করার আগে একবার ভেবে নেওয়া উচিৎ। বাড়ি ভেঙে দেওয়া অত্যন্ত গর্হিত কাজ। অন্তবর্তী সরকার থাকা অবস্থায় সবচেয়ে বেশি উজাইছে জামাত এবং এনসিপি।

আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী অথবা আওয়ামী লীগ সাপোর্টার কে ধরা হচ্ছে।
তারা অন্যায় করে থাকলে, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তাদের বিচার হবে। শাস্তি হবে। কিন্তু মব তৈরি করে জামাত শিবির তাদের রাস্তার মধ্যে মারধর করছে। নেংটো করে দিচ্ছে। সব কিছু দেখেশুনে ইউনুস গং নিরব। এমনকি গ্রেফতারকৃতদের কারাগার থেকে কোর্ট পর্যন্ত আনা নেওয়ার সময় পুলিশের সামনে কে বা কারা চড় থাপ্পড় এবং ডিম ছুড়ে মারা হচ্ছে। ইউনুস গং নিরব। ইউনুস গ্যাং চেয়েছে বলেই এমনটা হচ্ছে। একদিন এসবেরও বিচার হবে বাংলার মাটিতে। অন্যায় করে পার পাওয়া যাবে না। ইউনুস গং যেহেতু দায়িত্ব নিয়েছে তাই তাদের বিষয় গুলো দেখা উচিৎ।

বইমেলাতে ডাস্টবিনের মধ্যে শেখ হাসিনার ছবি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সেই ডাস্টবিনে ময়লা ফেলা হচ্ছে। যিনি প্রথম ময়লা ফেলেছেন, জনগণ তাকে নাম দিয়েছে ডাস্টবিন শফিক। যারা এই ময়লার বিন অনুমোদন দিয়েছেন তারা অন্যায় করেছেন। কি নোংরা মানসিকতা এদের! পহেলা বৈশাখে চারুকলার ছাত্রছাত্রীরা র‍্যালি করবে। শেখ হাসিনার ভয়ংকর মুখোশ তৈরি করা হয়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত সেটা নিয়ে তারা রাস্তায় বের হতে পারে নাই। সেটা পুড়ে গিয়েছিল। জয় বাংলা ডাকটা পর্যন্ত ইউনুস গং মুছে দিতে চায়। ইউনুস গং জানে না সূর্যকে দাবিয়ে রাখা যায় না। ধরুন, শেখ হাসিনা যদি আবার ফিরে আসে। ক্ষমতা হাতে নেয়। তাহলে কি হবে?

ইউনুস গং এর খারাপ কাজের সংখ্যা অনেক।
একের পর এক শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হলো। কেউ কেউ শেখ মুজিবের ভাস্কর্যে মুতে দিলো, ইউনুস গং চুপ। জামাত শিবির একের পর এক অন্যায় করে গেলো। আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের বাড়ি লুটপাট হলো। ইউনুস গং চুপ। এমনকি তারা বাড়িঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিলো। ইউনুস গং চুপ। সারাদেশ থেকে অসম্ভব মানুষকে গ্রেফতার করা হলো। তাদের নামে মামলা দেওয়া হলো জুলাই আন্দোলনের। যাদের গ্রেফতার কর হয়েছে এদের বেশির ভাগই কোনো আন্দোলনে ছিলো না। কারাগার গুলোতে তিল ধারনের জায়গা নাই। এদিকে দাগী আসামীদের ছেড়ে দেওয়া হলো। রাজাকারকে ছেড়ে দেওয়া হলো।

ইউনুস সাহেব ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পরই জামাত শিবির একের পর এক অন্যায় করা শুরু করলো।
মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতোর মালা দিলো। শহরের চার রাস্তায় থাকা ভাস্কর গুলো ভেঙে ফেললো। মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর ভেঙে দিলো। হিন্দুদের মারধর করলো। ইউনুস গং চুপ। দেশটা যেনো জামাত শিবিরের। এখন তো রাস্তায় হুজুর দেখলেই আমার ভয় করে। এদিকে ওয়াজি ওয়াজে যা মন চায় শেখ হাসিনা, শেখ মুজিবকে নিয়ে বলে যাচ্ছে। এরাই একসময় ওয়াজে শেখ হাসিনা আর শেখ মুজিবের জয়গান করেছে। ধার্মিকদের রুপ পাল্টাতে সময় লাগে না। মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিল এসব চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া বিশেষ প্রয়োজন। ওয়াজের বয়ান শুনে মানুষের বুদ্ধিনাশ হচ্ছে। এদের থামানো দরকার।

জামাতের ছানাপোনা হলো এনসিপি।
এরাই রাজাকারের বংশধর। জামাত জানে আমরা সংসদে যেতে না পারলেও এনসিপি পারবে। ওদের দিয়েই এই বাংলাদেশের বারোটা বাজাবো। এনসিপি ধরেই নিয়েছে দেশটা তাদের বাপ দাদাদের। ইউনুস সাহেবের আমলে যে পরিমান মুক্তিযুদ্ধের অবমাননা হয়েছে, গত ৫৫ বছরেও মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের এত অবমাননা হয়নি। ৭১ এর পরাজিত শক্তি নোংরা উৎসবে মেতেছে। ইউনুস গং চুপ। জামাত শিবিরের এই দেশের, খেয়েপড়ে, বড় হয়েও দেশের প্রতি তাদের কোনো ভালোবাসা জন্মায়নি। পাকিস্তান তাদের বাপ। শেখ হাসিনা কেন যে এদের পুরোপুরি বিনাশ করলেন না!!
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০২৫ বিকাল ৩:০৪
১৬টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই যে জীবন

লিখেছেন সামিয়া, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:২৪



এই যে আমার জীবনে কিছুই করা হলোনা, সেটা নিয়ে এখন আর খুব বড় কোনো আফসোস করি না। জীবন আসলে নিজের মতোই চলতে থাকে। সকালে ঘুম থেকে উঠি, রান্নাঘরে গিয়ে চায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্ব পাঠ

লিখেছেন আবু সিদ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

I. পড়ার সাধারণ অর্থ
সাধারণভাবে, পড়া বা Reading হলো লিখিত বর্ণ বা চিহ্ন দেখে তার অর্থ উদ্ধার করার উপায়। পড়া কেবল শব্দ উচ্চারণ নয়, বরং লেখার বিষয়বস্তুর সাথে নিজের চিন্তার যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

এঁনারা কিসের আশায় দালালি করে যাচ্ছেন?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫



১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বমিনং করোনং ইচ্ছং

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১১


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
১৫০।(১) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ স্বাধীনতা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১২


বাবা পাখিটি গাইছে গান
আমড়া গাছের ডালে।
ছানাগুলো নিশ্চিন্তে
মায়ের বুকের তলে।

রীনা বসে বীনা বাজায়
মীনা গায় গান।
দীনা বলে পুষবো পাখি
একটা ধরে আন।

মা শুনে কয় বনের পাখি
বনেতেই মানায়।
বন্দী পাখি হয় যে দুঃখী
উচিত কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×