
ধানমন্ডি ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দিলো।
সমস্ত উপদেষ্টারা চুপ থাকলো। যাদের জন্মের ঠিক নেই, তারাই একটা বাড়ি ভেঙে গুড়িয়ে দিতে পারে। ৭১ এর পরাজিত শক্তি আবার জেগে উঠেছে। একবার ভেবে দেখুন কত বড় কলিজা। ওরা কি ভুলে গেছে, শেখ হাসিনা অনেক বছর পরে হলেও রাজাকারদের বিচার করেছেন, শেখ মুজিবের হত্যাকারীদের বিচার করেছেন। ৩২ নম্বর বাড়ি ভেঙে দেওয়ার অপরাধে ওদেরও একদিন বিচার হবে এই বাংলার মাটিতে। এজন্য কিছু করার আগে একবার ভেবে নেওয়া উচিৎ। বাড়ি ভেঙে দেওয়া অত্যন্ত গর্হিত কাজ। অন্তবর্তী সরকার থাকা অবস্থায় সবচেয়ে বেশি উজাইছে জামাত এবং এনসিপি।
আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী অথবা আওয়ামী লীগ সাপোর্টার কে ধরা হচ্ছে।
তারা অন্যায় করে থাকলে, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তাদের বিচার হবে। শাস্তি হবে। কিন্তু মব তৈরি করে জামাত শিবির তাদের রাস্তার মধ্যে মারধর করছে। নেংটো করে দিচ্ছে। সব কিছু দেখেশুনে ইউনুস গং নিরব। এমনকি গ্রেফতারকৃতদের কারাগার থেকে কোর্ট পর্যন্ত আনা নেওয়ার সময় পুলিশের সামনে কে বা কারা চড় থাপ্পড় এবং ডিম ছুড়ে মারা হচ্ছে। ইউনুস গং নিরব। ইউনুস গ্যাং চেয়েছে বলেই এমনটা হচ্ছে। একদিন এসবেরও বিচার হবে বাংলার মাটিতে। অন্যায় করে পার পাওয়া যাবে না। ইউনুস গং যেহেতু দায়িত্ব নিয়েছে তাই তাদের বিষয় গুলো দেখা উচিৎ।
বইমেলাতে ডাস্টবিনের মধ্যে শেখ হাসিনার ছবি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সেই ডাস্টবিনে ময়লা ফেলা হচ্ছে। যিনি প্রথম ময়লা ফেলেছেন, জনগণ তাকে নাম দিয়েছে ডাস্টবিন শফিক। যারা এই ময়লার বিন অনুমোদন দিয়েছেন তারা অন্যায় করেছেন। কি নোংরা মানসিকতা এদের! পহেলা বৈশাখে চারুকলার ছাত্রছাত্রীরা র্যালি করবে। শেখ হাসিনার ভয়ংকর মুখোশ তৈরি করা হয়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত সেটা নিয়ে তারা রাস্তায় বের হতে পারে নাই। সেটা পুড়ে গিয়েছিল। জয় বাংলা ডাকটা পর্যন্ত ইউনুস গং মুছে দিতে চায়। ইউনুস গং জানে না সূর্যকে দাবিয়ে রাখা যায় না। ধরুন, শেখ হাসিনা যদি আবার ফিরে আসে। ক্ষমতা হাতে নেয়। তাহলে কি হবে?
ইউনুস গং এর খারাপ কাজের সংখ্যা অনেক।
একের পর এক শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হলো। কেউ কেউ শেখ মুজিবের ভাস্কর্যে মুতে দিলো, ইউনুস গং চুপ। জামাত শিবির একের পর এক অন্যায় করে গেলো। আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের বাড়ি লুটপাট হলো। ইউনুস গং চুপ। এমনকি তারা বাড়িঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিলো। ইউনুস গং চুপ। সারাদেশ থেকে অসম্ভব মানুষকে গ্রেফতার করা হলো। তাদের নামে মামলা দেওয়া হলো জুলাই আন্দোলনের। যাদের গ্রেফতার কর হয়েছে এদের বেশির ভাগই কোনো আন্দোলনে ছিলো না। কারাগার গুলোতে তিল ধারনের জায়গা নাই। এদিকে দাগী আসামীদের ছেড়ে দেওয়া হলো। রাজাকারকে ছেড়ে দেওয়া হলো।
ইউনুস সাহেব ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পরই জামাত শিবির একের পর এক অন্যায় করা শুরু করলো।
মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতোর মালা দিলো। শহরের চার রাস্তায় থাকা ভাস্কর গুলো ভেঙে ফেললো। মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর ভেঙে দিলো। হিন্দুদের মারধর করলো। ইউনুস গং চুপ। দেশটা যেনো জামাত শিবিরের। এখন তো রাস্তায় হুজুর দেখলেই আমার ভয় করে। এদিকে ওয়াজি ওয়াজে যা মন চায় শেখ হাসিনা, শেখ মুজিবকে নিয়ে বলে যাচ্ছে। এরাই একসময় ওয়াজে শেখ হাসিনা আর শেখ মুজিবের জয়গান করেছে। ধার্মিকদের রুপ পাল্টাতে সময় লাগে না। মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিল এসব চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া বিশেষ প্রয়োজন। ওয়াজের বয়ান শুনে মানুষের বুদ্ধিনাশ হচ্ছে। এদের থামানো দরকার।
জামাতের ছানাপোনা হলো এনসিপি।
এরাই রাজাকারের বংশধর। জামাত জানে আমরা সংসদে যেতে না পারলেও এনসিপি পারবে। ওদের দিয়েই এই বাংলাদেশের বারোটা বাজাবো। এনসিপি ধরেই নিয়েছে দেশটা তাদের বাপ দাদাদের। ইউনুস সাহেবের আমলে যে পরিমান মুক্তিযুদ্ধের অবমাননা হয়েছে, গত ৫৫ বছরেও মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের এত অবমাননা হয়নি। ৭১ এর পরাজিত শক্তি নোংরা উৎসবে মেতেছে। ইউনুস গং চুপ। জামাত শিবিরের এই দেশের, খেয়েপড়ে, বড় হয়েও দেশের প্রতি তাদের কোনো ভালোবাসা জন্মায়নি। পাকিস্তান তাদের বাপ। শেখ হাসিনা কেন যে এদের পুরোপুরি বিনাশ করলেন না!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

