somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

জান্নাত-জাহান্নাম না থাকলেই ভালো হতো!

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



হাদিস নবীজির মৃত্যুর বহু বছর পর লেখা হয়েছে।
কাজেই হাদিস ১০০% সঠিক হওয়ার সম্ভবনা নাই। কাজেই হাদিস আকড়ে থাকা সঠিক কাজ হবে না। এর মধ্যে আবার দুষ্ট লোকেরা ঝামেলা সৃষ্টি করার জন্য অসংখ্য জাল হাদিস তৈরি করেছে। এখন সাধারন মানুষ বুঝে না, কোনটা আসল হাদিস আর কোনটা নকল হাদিস। সমাজে বহু লোক আছে, ভুল হাদিস হৃদয়ে ধারন করে জীবন পার করে দিয়েছে। হাদিসে গন্ডোগোল আছে। ইহা সত্য। কিন্তু কোরআনে গন্ডগোল নেই। লোকজন কেন কোরআন বাদ দিয়ে হাদিস নিয়ে পড়ে থাকে! হাদিস সংগ্রহের অনেক বছর পার হয়ে গেছে। তবু কেন ইসলামিক স্কলাররা জাল হাদিস গুলো চিরতরে মুছে দিলো না? বর্তমান বিশ্বে হাদিসের তেমন প্রয়োজন পড়ে না। হাদিস ছাড়াই উন্নত বিশ্ব গুলো তর তর করে এগিয়ে গেছে। শ্যাইয়ান ভাইয়ের জন্যই আজকের পোষ্টটি লিখতে বসিয়াছি।

আমাদের অসুখ বিসুখ হলেই আমরা ডাক্তারের কাছে যাই।
ডাক্তার রোগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওষুধ দেন। ওষুধ খেয়ে আমরা সুস্থ হই। এখন কথা হচ্ছে, আমরা কিভাবে সুস্থ হলাম? ওষুধের গুনে না আল্লাহর ইচ্ছায়? অবশ্যই আল্লাহর ইচ্ছায় সুস্থ হই। ওষুধ হইলো উছিলা। আবার ধরুন, আমরা অসুস্থ হলাম। অসুস্থ আমাদের কে বানালো? হ্যা অসুস্থতাও আল্লাহপাক আমাদের দেন। যাইহোক, একবার আমাদের মূসা নবী অসুস্থ হলেন। জটিল কোনো রোগ নয়। অতি সাধারণ রোগ। পেট ব্যথা। সেই যুগে পেট ব্যথার কোনো চিকিৎসা ছিলো না। ডাক্তার, হাসপাতাল, ওষুধ কিছুই ছিলো না। মূসা নবী পেটের ব্যথায় অস্থির। কোনো উপায় না দেখে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলেন। আল্লাহ বললেন, খেজুর গাছের পাতা খাও। পেট ব্যথা সেরে যাবে। মূসা খেজুর পাতা ভর্তা করে খেলেন এবং তার পেট ব্যথা ভালো হয়ে গেলো। (হ্যা এটা বানোয়াট হাদিস)।

রোগশোক নিয়ে অনেক হাদিস আছে।
বেশির ভাগ হাদিস ভূয়া। বানোয়াট। মূসা নবীর কথা বলি- মূসা নবীর পাতা খাওয়া নিয়ে তাফসীর ও কিসাসুল আম্বিয়া গ্রন্থে লেখা হয়েছে। যদিও ইহা জাল হাদিস। কারণ আল্লাহ 'হও' বললেই হয়ে যায়। কাজেই আল্লাহ পাতা খাওয়ার কথা বলবেন কেন? আল্লাহ ইচ্ছা প্রকাশ করলেই তো মূসা নবীর পেট ব্যথা গায়েব হয়ে যাওয়ার কথা। পাতার কোনো দরকার নাই। মূসা নবী খুবই লজ্জাশীল ছিলেন। উনি নারীদের দিকে তাকাতেও লজ্জা পেতেন। মূসা নবী একবার মিশর যান। সেখানে অনেক সুন্দরী মেয়ে ছিলো, মূসা নবী ফিরেও তাকাননি। মূসা নবীর আমলে সমস্ত পুরুষরা নদীর পারে উলঙ্গ হয়ে স্নান করতো। কিন্তু মূসা নবী এভাবে উলঙ্গ হয়ে সকলের সামনে গোছল করতেন না। এজন্য অনেকে মূসা নবীর নামে বদনাম ছড়িয়ে ছিলো- মূসা নবীর অণ্ডকোষে সমস্যা আছে। এরকম ফালতু হাদিসও আছে। যা শতভাগ বানোয়াট।

আরো কিছু বানোয়াট হাদিস আপনাদের শোনাই।
মূসা নবী বিকেলে এক গাছের নিচে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। তখন এক ফেরেশতা এসে বললেন, মূসা আপনার সময় শেষের দিকে। আপনি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নেন। মূসা নবী রেগে গেলেন। এবং ফেরেশতাকে এক থাপ্পড় দিলেন। থাপ্পড খেয়ে ফেরেশতা অন্ধ হয়ে গেলেন। যাইহোক, মূসা নবী অন্য নবীদের চেয়ে একটু আলাদা ছিলেন। তিনি সহজ সরল ছিলেন। যুদ্ধ পছন্দ করতেন না। তিনি বলতেন, দুনিয়াতে মৃত্যু না থাকলে ভালো হতো। অসুখ বিসুখ না থাকলে ভালো হতো। জান্নাত-জাহান্নাম না থাকলে আরো ভালো হতো। হাদিসে আছে- পাথরের খন্ড পর্যন্ত বলেছে, হে আরববাসী মূসাকে কষ্ট দিও না। আল্লাহ প্রতিটি মানুষকে ইখলাসের সহিত তার দায়িত্ব পালনের তাওফিক দান করুন।

আপনাদের জন্য প্রশ্নঃ ডাক্তার এবং নার্সদের কি উচিৎ কোরআন হাদিস ফলো করা?
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“মনে রাখিস”: খুন হওয়া পরিবারগুলির মুখে কয়েক লক্ষ টাকা গুঁজে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্র নয়

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৮

এ বছর আমি ঈদ করার চেষ্টা করেছি অনেক। ফিলিস্তিনের মুখগুলি এখন আর আগের মতো বিরক্ত করে না। অ্যালগরিদম সরিয়ে রাখে; ইরানের মুখগুলি মিডিয়ার রাজনীতিতে সামনে আসে কম। তবে ঈদের শুরুতেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার অফার পেয়েছিলাম, কিন্তু সায় দেইনি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৫



অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‍আমরা যখন সরকারের দায়িত্বে ছিলাম, শুরুর দিকে আমাদের বিভিন্ন শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন, যাদের আসলে ডিপ স্টেট বলা হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মা'কে লেখা প্রীতিলতার শেষ চিঠি

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৯




আমায় তুমি পিছু ডেকো না'গো মা
আমার ফেরা সম্ভব  না।
দেশ মাতৃকায় উৎসর্গিতা আমি
আমি তো সেই ক্ষণজন্মা! 

আমায় তুমি আশীর্বাদ করো মা,
মোছো তোমার চোখের জল।
নিপীড়িতদের আর্তনাদ শুনছো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:০৮



সূরাঃ ২ বাকারা, ২১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২১। হে মানব সম্প্রদায়! তোমরা তোমোদের সেই রবের ইবাদত কর যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরা মোত্তাকী হও।

সূরাঃ ২... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিনাশ গ্রহাণুপুঞ্জের অধিবাসী - সাইন্স ফিকশন

লিখেছেন আরাফাত৫২৯, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১০




১/
বিজ্ঞান একাডেমির প্রধাণ মহামতি গ্রাহাম উনার অফিসের বিশাল জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সময়টা প্রায় শেষ বিকেল। সন্ধ্যার রক্তিম আভা দূর আকাশে দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে পুরো আকাশটাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×