somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

বিএনপি সরকার মেয়াদ পূর্ন করতে পারবে কি?

০৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায়।
বিএনপির অতীত ইতিহাস মোটেও ভালো না। এরা যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন শুধু দূর্নীতি করেছে। দেশের উন্নয়ন হয়নি। গত ১৭ বছর আওয়ামিলীগ বিএনপিকে কোনঠাসা করে রেখেছিলো। বিএনপির কোমর প্রায় ভেঙে দিয়েছিলো আওয়ামিলীগ। বিএনপি অতীত থেকে অবশ্যই শিক্ষা নিয়েছে। শিক্ষা না নিলে তাদের আবার ভূগতে হবে। এবং মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই পালাতে হবে। দেশের জনগণ বদলে গেছে। এখন এরা নিজেরাই ক্ষমতা হাতে নিয়ে সাইজ করে দেয়। অলরেডি আওয়ামিলীগকে সাইজ করেছে। এমনকি যারা পালিয়েছে তাদের বাড়িঘর এবং কলকারখানায় আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। রাজনীতি বড় নোংরা এবং কঠিন জিনিস। সহজ সরল সত্য কথা হলো- রাজনীতি করলে, কপালে নানা দূর্ভোগ থাকবেই।

আওয়ামিলীগ অনেক পুরোনো দল।
তাদের ইতিহাস লম্বা। শেখ হাসিনা ১৭ বছর একটানা ক্ষমতায় ছিলেন। অনেক ভালো ভালো কাজ করেছে। আবার অনেক ভুলও করেছে। সেই ভুল গুলোর খেসারত দিচ্ছেন এখন। আরো লম্বা সময় খেসারত দিয়ে যেতে হবে। আমেরিকা এবং জামাতের নীল নকশার কাছে আওয়ামিলীগ ধরাশায়ী। জুলাই আন্দোলনে দেশের বেশ কিছু জনগণ বুঝে বা না বুঝে সাপোর্ট করে গেছে। আসলে পুরোটা ছিলো জামাতের নীল নকশা। দেশের খাতিরে জামাতের চেয়ে বিএনপি ভালো। বিএনপির চেয়ে আওয়ামিলীগ ভালো। আওয়ামীলীগের ফিরে আসতে সময় লাগবে। আমিও চাই, আওয়ামীলীগ তাদের ভুল ত্রুটি গুলো শুধরে ফিরে আসুক। সবাই মিলে দেশের কল্যাণে কাজ করুক।

তারেক জিয়া হয়তো নিজেকে অনেক বদলেছেন।
ভুল গুলো সংশোধন করেছেন। দেশের মানুষ আশা করছে, খাম্বামিয়া নামটা তিনি কাটিয়ে উঠবেন ভালো কাজের মাধ্যমে। এখন তারেক জিয়ার বাধা এনসিপি দলটা। এনসিপি মূলত জামাতের শাখা দল। এরা দেশের জন্য ক্ষতিকর। এনসিপির মানসিকতা পাকিস্তানের মতো। তাদের চিন্তা ভাবনা উন্নত নয়। অত্যন্ত দু:খজনক হলো এনসিপি থেকে ছয় জন সংসদে হয়ে গেলো! এটা চিন্তার বিষয়। চ্যাংড়া পোলাপান দিয়ে দেশ পরিচালনা সম্ভব নয়। এরা জাতির জন্য ক্ষতিকর। এদের জন্ম জুলাই অরাজকতার মাধ্যমে। এরা সুযোগ সন্ধ্যানী। এরা বিষাক্ত সাপ। শেখের বেটি পেরেছিল জামাত শিবিরদের দমিয়ে রাখতে। জামাত শিবির হলো বাংলাদেশের অভিশাপ।

শুধু মাত্র দূর্নীতি না করলেই, বিএনপি টিকে যাবে।
তাদের পাচ বছর মেয়াদ শেষ করতে পারবে। দেশের জন্য ভালো কাজ করলে, জনগণের ভালোবাসা পাবে। যদি বিএনপির লোকজন দূর্নীতি করে। তাহলে তারা দুই বছরও টিকে থাকতে পারবে না। তখন জামাত বিএনপিকে তাড়িয়ে দিবে। যেভাবে তাড়িয়ে দিলো আওয়ামিলীগকে। এরপর ক্ষমতায় বসবে জামাত। কারন বিএনপিকে বাদ দিলে মাঠ ফাকা। জামাত ধীরেসুস্থে তাদের চলার পথ মসৃন করছে। জামাত ধৈর্য ধরে আছে। জামাতের বাপ হচ্ছে পাকিস্তান। যে পাকিস্তান ৭১ এ আমাদের ধ্বংস করতে চেয়েছিল। জামাত এই দেশে খেয়েপড়ে বেচে থেকে আজও পাকিস্তান ছাড়া কিচ্ছু বুঝে না। দেশে সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল হচ্ছে আওয়ামিলীগ। মাঝে মাঝে সন্দেহ হয়, বিএনপি ৭১ কে ধারণ করে কিনা!

বিএনপি ভুল করলেই, আওয়ামিলীগ ফিরে আসবে।
আওয়ামিলীগ মন্দ দল নয়। আওয়ামীলীগে কিছু ভুল লোকজন প্রবেশ করে দলের নাম খারাপ করেছে। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ এই টাইপ সংগঠন গুলো আওয়ামীলীগের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। মূলত শেখ হাসিনা যদি ছাত্রলীগকে থামাতেন বা অফ করে দিতেন, তাহলে আওয়ামীলীগের এমন করুন পরিনতি হতো না। কারো জন্য কিছু বসে থাকে না। একসময় মনে করা হতো শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। আজ প্রায় দুই বছর, শেখ হাসিনাকে ছাড়া দেশ তো থেমে নেই। সেদিন যদি সেনাবাহিনী যথাসময়ে শেখ হাসিনাকে হেলিকপ্টারে না উঠিয়ে দিতেন, তাহলে শেখ হাসিনার করুন মৃত্যু হতো। জামাত শিবিরের হাতে শেখ হাসিনার মৃত্যু হয়ে যেতো। আল্লাহ তাকে বাচিয়ে রেখেছেন, কারণ শেখ হাসিনা আরো কিছু খেল দেখাবেন বলে!

বিএনপির ভুল হলো এই নির্বাচনে বেশ কিছু অতীতের দুর্নীতিবাজকে জায়গা দিয়েছে।
এরা দূর্নীতি করবেই। দলের নাম ডুবাবে। তারেক রহমানকে সজাগ থাকতে হবে। এবং দলে যে-ই অন্যায় করবে, তাকে দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে। একবার ছাত্রলীগ দিনেদুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিশ্বজিৎ নামে এক ছেলেকে কুপিয়ে মারে। সেদিনই শেখ হাসিনার উচিৎ ছিলো ছাত্রলীগকে অফ করা। তাহলে তাদের আজ এমন করুন পরিনতি হতো না। ১৭ বছর পর বিএনপি এসেছে, তারা ভালো করুক। ভালো করে দেখাক। বিএনপির প্রধান কাজ হওয়া উচিৎ দূর্নীতি ও চাদাবাজি বন্ধ করা। মাদক দূর করা। শিক্ষার মান বাড়ানো এবং কৃষিতে বিশেষ নজর দেওয়া। দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে ধরা।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৩
১৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সামুর ব্লগারদের পোস্ট নিয়ে একটা সংকলন বের করতে চাই

লিখেছেন ডার্ক ম্যান, ০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৫১

আমি একটা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান চালু করতে চাচ্ছি। তাই আমার প্রত্যাশা প্রথম বইটা হবে সামুর ব্লগারদের পোস্ট সংকলন।
আপনারা যদি চান, তাহলে আপনাদের লেখা যেকোনো প্রিয় পোস্ট সেখানে দিতে পারেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছায়ার মোনাজাত

লিখেছেন কাবিল, ০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৫১



ফজরের আগের সেই নীরব সময়টা—যখন আকাশ আর জমিনের মাঝে এক অদৃশ্য দরজা খুলে যায়।
আমি ওযু করে নামাজের জন্য দাঁড়ালাম। চারপাশে এমন নীরবতা, যেন পৃথিবীটা কারো গভীর চিন্তার মধ্যে ডুবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনু কবিতা

লিখেছেন সামিয়া, ০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৫১



(১)
গল্প স্বল্প আড্ডার ভেতর
ডাকে পুরোনো দিন,
বিষন্ন স্মৃতির পাতা
ক্লান্ত বিলীন।

(২)
শোকের ধুলো জানালাতে,
বসে থাকে রোদ না মেখে,
হারিয়ে গেলো কারো মুখ
ভুল ঠিকানায় নাম লিখে।

(৩)
চায়ের ধোঁয়ায় মুখ লুকিয়ে
একাকী নিরালায়,
গল্প শেষেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন 2026 : BJP কি জিততে চলেছে ?

লিখেছেন গেছো দাদা, ০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৫

আসন্ন বিধান সভা নির্বাচনে(2026) কি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে BJP জিততে চলেছে?
আসুন জেনে নিই প্রকৃত সম্ভাব্য রেজাল্ট।
রাজ্য সরকারের IB এবং মোদী সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার সূত্র অনুসারে,কোন দল কত আসন পেতে পারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা যে আসলে কী চাই, নিজেরাও জানি না

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৫৬



কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই একটাই দৃশ্য—হতাশার গল্প আর সমালোচনার স্রোত। বিশেষ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন সাহেবকে নিয়ে নানামুখী আলোচনা বেশ জমে উঠেছে। ক্ষমতায় আসার দুই মাসও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×