somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

মানুষ কেন জেনে শুনে ভুল পথে পা বাড়ায়?

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



নিয়তি। নিয়তি মানুষকে ভুল পথে নিয়ে যায়।
আসলে মানুষ কি করবে, কি হবে সবই অলরেডি ঘটে গেছে। আপাতত মানুষ শুধু রোল প্লে করে যাচ্ছে। বিনা দ্বিধায় বলা যায়- মানুষের সবই পূর্ব নির্ধারিত। ইসলাম ধর্ম মতে, আল্লাহপাক মানুষের সব কিছু জন্মের আগেই লিখে রেখেছেন। এখন মানুষের কিচ্ছু করার নেই। আল্লাহই ভালো জানেন মানুষ কেন জেনে শুনে ভুল পথে পা বাড়ায়। সব কিছু আল্লাহর ইশারায় হয়। আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা বেচে আছি। আল্লাহর নির্দেশ ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। কাজেই মানুষ ভালো মন্দ যা করে সব আল্লাহর ইচ্ছায়।

আমি জানি সিগারেট খারাপ। তবু প্রতিদিন সিগারেট খাচ্ছি।
নিয়তি মানুষকে টেনে নিয়ে যায়। নিয়তির উপর মানুষের কোনো হাত নেই। বরং খারাপ কাজেই মানুষের আনন্দ বেশি। এক কবি বলেছেন, মন্দ কাজে আনন্দ বেশি। পৃথিবীর মজাই মন্দ কাজে। এই সমাজে খারাপ লোকের সংখ্যা বেশি। আবেগের কথা, ধর্মের কথা বাদ দিয়ে আসল কথা হলো- যারা খারাপ, তারা খারাপ কাজ করবেই। এদের কেউ থামাতে পারবে না। শুধু শুধু ধর্মের দোহাই দিয়ে কোনো লাভ নেই। দুনিয়াতে আগে ধর্ম আসে নাই। আগে এসেছে মানুষ। মানুষই তাদের অপার্থিব ধর্ম বানিয়ে নিয়েছে। অলৌকিক ঈশ্বর বানিয়ে নিয়েছে। আর এই ভুলের কারনে ধর্ম আজ নানান রকম ক্যাচাল করেই যাচ্ছে। মানুষ হত্যা হচ্ছে।

দেশে এখন বিএনপি সরকার। প্রচুর চাদাবাজি চলছে।
ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারছে না। চাদাবাজরা ব্যবসায়ীদের কাছে লাখ লাখ টাকা চাদা চাইছে। না দিলে নানান রকম হুমকি ধামকি দিচ্ছে। বিএনপি সরকারের উচিৎ চাদাবাজি বন্ধ করা। নইলে তাদের কপালে দুখ আছে। জনগণ একবার খেপে গেলে আর রক্ষা নাই। চাদাবাজি না করে শালারা রিকশা চালিয়ে খা। অবশ্য একথাও সত্য ওরা ১৭ বছর তারা চাদাবাজি করার সুযোগ পায়নি। ওরা দীর্ঘদিনের ভূখা। এদিকে দেশে গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই। বিএনপির অতীত ইতিহাস তো ভালো না। তাদের সময়ে দেশ বারবার দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হতো। এবারও হবে।

মেয়েরা ভুল মানুষের প্রেমে পড়ে।
তারপর সারাজীবন ধরে কাদে। চুরি করা খারাপ জেনেও মানুষ চুরি করছে। ছিনতাই করছে। ঘুষ খাচ্ছে। হুজুররা বলাৎকার করছে। ৩২ নম্বর বাড়ি ভেঙে ফেললো। কথিত জুলাই যোদ্ধারা পুলিশ হত্যা করলো। থানায় আগুন দিলো। পুলিশের অস্ত্র লুটপাট করলো। গণভবনে লুটপাট করলো। শত অন্যায় করলো। অথচ ওদের কোনো বিচার কতা হলো না। ইউনুস একটা ইতর। ইউনুস চেয়েছে বলেই, ৩২ নম্বর ভেঙে ফেলা হয়েছে। শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হয়েছে। যারাই অন্যায় করবে, তাদের কেউ পার পাবে না। শাস্তি পেতেই হবে। বহু বছর পর হলেও শাস্তি পেতে হবে। মনে রাখতে হবে, বহু বছর পর রাজাকার আর মুজিব হত্যাকারীদের বিচার হয়েছে।

বর্তমান যুগটাই খারাপ। এই যুগে সবাই সবাইকে ঠকাচ্ছে।
কেউ কাউকে ঠকাতে পারলেই ভাবে জিতে গেছি। মানুষ নাদান নয়। এখন মানুষ জেনে শুনে বুঝেই মন্দ কাজ করে। মূলত মানুষ ছোটবেলা থেকে সঠিক পারিবারিক শিক্ষা পায়নি। আমাদের দেশে লেখাপড়ার মান অত্যন্ত খারাপ। আমাদের দেশের মানুষ গুলো ইতর। এদের কাছে ভালো কিছু আশা করা অন্যায়। কাউকেই বিশ্বাস করলেই ঠকতে হবে। জঞ্জালে ভরা পুরো দেশ। যদি আল্লাহপাক হেদায়েত না দেয়, তাহলে এই জাতির উন্নতির কোনো আশা নেই। পুরো জাতি বেলাইনে চলে গেছে। দিন শেষে যা ঘটার ঘটবে। কেউ আটকাতে পারিবে না।

একটা গল্প বলি- এক লোকের ইচ্ছা সে কোনোদিন মরবে না।
যে করেই হোক তাকে বেচে থাকতে হবে। এজন্য সে অসুস্থ কারো মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এলেই সে সামনে দাড়িয়ে থাকে। তার ইচ্ছা সে আজরাইল কে ধরবে। ধরবেই। কারো মৃত্যুর সংবাদ শুনলেই সে দৌড়ে যায়। কিন্তু আজরাইলের দেখা পায় না। আজরাইলকে পেলে সে ধরবে। এবং জেনে নিবে, সে কবে তার জান কবচ করবে? এবং কিভাবে! লোকটার ভাগ্য ভালো। একবার সে সত্যি সত্যি আজরাইলকে ধরে ফেলে। তারপর তার কাছে জানতে চায়, আমার জান কিভাবে নিবেন। মানে আমার মৃত্যু কিভাবে হবে? আজরাইল বলে না। চুপ করে থাকে। সে আজরাইলের পা ধরে রেখেছে। আজকরাইল বলে স্যার এরকম বলার নিয়ম নেই। প্লীজ আমাকে ক্ষমা করুন। আমি বলিতে পারিব না। লোকটা আজরাইলে পা ধরে রেখেছে না বলা পর্যন্ত ছাড়বে না। শেষমেষ কোনো উপায় না দেখে আজরাই বলল- তার মৃত্যু কিভাবে হইবে।

আজরাইল বললো, একটা ঘোড়া আসবে।
সেই ঘোড়ায় কেউ উঠতে পারবে না। আপনি উঠবেন এবং ঘোড়ার উপর থেকে পড়ে আপনার মৃত্যু হবে। লোকটার চোখে মুখে হাসি। সে ঠিক করলো আর কোনোদিন ঘোড়ায় উঠবে না। তার মৃত্যুও হবে না। সে সবাইকে বলে দিলে, কোনো একদিন একটা ঘোড়া আসবে। এবং আমাকে সেই ঘোড়ায় উঠতে দিবেন না। জায়গায় জায়গায় সাইনবোর্ড টানিয়া দিলো। ঘোড়া যদি আমি উঠতে চাই, আমাকে ঘোড়ায় উঠতে দিবেন না। এরপর অনেক বছর চলে গেলো। অনেক কিছু অতীত হলো। সাইনবোর্ড নষ্ট হয়ে গেলো। লোকজন ঘোড়ার কথা ভুলে গেলো। একদিন এক ঘোড়া এলো। খুব রাগি ঘোড়া। সেই ঘোড়ায় কেউ উঠতে পারে না। তখন লোকটা বলল, আমি উঠবো এই রাগি ঘোড়ায়। লোকটা ঘোড়ায় উঠে এবং ঘোড়া থেকে পড়ে মারা যায়। অর্থাৎ যা ঘটার ঘটবেই। কারো কিচ্ছু করার নেই।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৩
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ কি আজন্ম পাপ?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬



রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?

বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×