somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিশ্চিত বিলুপ্তির আগে একরাশ হতাশা

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমরা জানতাম আমরা পৃথিবীর মূলধারায় নেই।

আমরা যা ভাবছি তা অনেক আগেই ভাবা হয়ে গেছে, হয়েছে চূড়ান্ত বিকশিত।

আমরা যা তৈরির জন্যে প্রাণপাত করছি তা তৈরি হয়েছে শতাব্দী আগে।
আমরা শিখেছি,শিখছি বিলুপ্ত ,অপাঙক্তেয়, অপ্রয়োজনীয় বিদ্যা।

তবু এখানে আমরা শিখছি সেটাই, অস্বাভাবিক নিষ্ঠার সাথে। বিলুপ্ত বিদ্যার-ও এখানে প্রয়োগহীন কদর যেহেতু ,এবং নির্বোধ অভিবাদন ও আপ্লুত শ্রদ্ধা-র লোভে,কিছু সময়োচিত সুবিধা করে নেবার সম্ভাবনাতেও।

কাগুজে বিদ্যার সুবিধাজনিত ফলাফলে আমরা কেউ কেউ হয়তো ঘোরাতে পারি কর্তৃত্বের স্থানীয় ছড়ি,তবু এখানে আমরা,সকল সুবিধাবাজ,নিশ্চিত জানি আমরা পৃথিবীর মূলধারায় নেই,কখনো ছিলাম না। আমরা কোটি কোটি পতঙ্গ মানুষ, আমাদের ছাড়াও পৃথিবীর বেশ চলে যাবে ।

নাসা অভিযান চালাবে দূরতর মহাকাশে, সার্ন খুঁজে পাবে সৃষ্টির ভৌত নকশা, জৈবিক মানুষ হবে আরও উন্নত,হাজারতলা দালান হবে, শিল্প আরও শিল্পিত হবে,উত্তরাধুনিক সাহিত্যে আসবে নতুনতর ধারা।

আমরা তখনও এমনকি সাইকেল বানাতে শিখব না, আমাদের সকল দালান ভেঙ্গে পড়তে থাকবে,আমাদের শিল্প হবে চূড়ান্ত আবর্জনা,আমাদের সাহিত্য পাবে না আধুনিকতারও ছোয়াঁ। আমরা আরো পেছনে ফিরতে থাকব। আমাদের আদর্শ হবে মধ্যযুগ।আমরা বিশ্বাস করব মরুজ ও আরণ্যিক ভ্রাণ্তিতে।

এখানকার আমরা একদিন হঠাৎ বিলুপ্ত হলে দৈনন্দিন পৃথিবী হয়তো খানিক বিচলিত হবে, পরিচিত যে কোন প্রাণীর মৃত্যুতে আমরা যেমন হই।পৃথিবীর বদলে যাওয়াতে এটা আনবেনা এতটুকু বদল।

আমরা অনেকেই জানতাম,আমরা নিশ্চিত জানি, আমরা শুধুই বেঁচে থাকার জন্যে বেঁচে আছি,চূড়ান্ত বিলুপ্তির আগে কয়েকটা দিন,যেটা না জানলেও আমাদের বেশ চলে যেত,যেমন চলে যাচ্ছে অনেকেরই,চমৎকারভাবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরকালে আল্লাহর বন্ধু, দাস নাকি কয়েদী হবেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:১৪




সূরাঃ ৫১ যারিয়াত, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। আমি জিন ও মানুষকে এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমারই ইবাদত করবে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৫। আল্লাহ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদের আগের রাতে দুই মোল্লার কথোপকথন ( (কাল্পনিক)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:২১


এশার নামাজ শেষ হয়েছে বেশিক্ষণ হয়নি। মসজিদের ভেতর রফিকুল্লাহ সাহেব একা বসে আছেন। বয়স বাষট্টি। হাতের তসবিটা নাড়ছেন, কিন্তু গোনা হচ্ছে না আসলে। চোখ গেছে দূরে—বাজারে আলো জ্বলছে, রিকশার ভিড়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুর ঈদ কবে?

লিখেছেন শূন্য সারমর্ম, ২২ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৬




সবাইকে ঈদ মুরাবক!

ঈদ কেমন গেলো? পুরো রমজানের দুআা কতটুকু কাজে লেগেছে? বৃষ্টি ভেজা, বজ্রপাতে কোনো ভোগান্তি হয়েছে : প্রিয়জন সব ঠিকঠাক আছে? আহত বা নিহত হয়েছে?? ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে-৩

লিখেছেন অর্ক, ২২ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪৫



সারাজীবন আমি মানবতা, সত্য, শুভ, সুস্থ, সুন্দরের চর্চা করে এসেছি। আমার উপর শতভাগ আস্থা রাখতে পারেন। শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে আমি কিছু বলি না বা দাবি করি না। এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইহুদীদের ষড়যন্ত এবং আমেরিকার খনিজ সমৃদ্ধ ভূমী দখলের লীলাখেলা।

লিখেছেন রাশিদুল ইসলাম লাবলু, ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৪২



র্দীঘদিন ধরে ইহুদীরা মুসলিমদের সন্ত্রাসী পরিচয় তকমা দিয়ে বিশ্ব দরবারে ঘৃন্য জাতি সত্ত্বাতে পরিনত করার অপেচেষ্টায় রত ছিলো। মুসলমান মানেই সন্ত্রাসী প্রথমেই ধারনা দিতে তৈরি করা হল আল কায়দা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×