somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সিডনীর কিছু লেজ কাটা খেক শিয়ালের গল্প.........

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লেজকাটা শিয়ালের বহুল আলোচিত গল্প সবাই জানেন। তার লেজ হারানোর পর সে সকল শিয়ালকে বুদ্ধি দিয়েছিল লেজ থাকলে শিয়াল দেখতে কুৎসিত হয়। তাই লেজ কাটা শিয়াল চাই সবার লেজ ফেলে দিক। লেজ কাটলেই তারা সুন্দর হবে।উদ্দ্যেশ্যটা হচ্ছে সবাইকে নিজের নিম্ন স্তরে নামিয়ে আনা।
অষ্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশীদের প্রবাস জীবনে সম্প্রতি সময়ে কিছু লেজ কাটা খেক শিয়ালের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশীদের কমিউনিটিতে এদের লেজ অনেক আগেই কাটা গেছে এখন ব্যাস্ত কিভাবে অন্যের লেজ কাটা যায়। তেমন একজন হলেন এনটিভি অষ্ট্রেলিয়ার কথিত প্রধান নির্বাহী রাশেদ শ্রাবন। তার পাসপোর্টের নাম কিন্তু রাশেদ শ্রাবন না। ভোল পাল্টাতে পাল্টাতে নিজের আসল নামটা ও পরিবর্তন করে ফেলেছেন। নিজেকে দাবী করেন সাংবাদিক ও কলামিষ্ট । মাত্র ১০/১২ লাইন বাংলা লিখলে তার মধ্যে ৪/৫টা ভুল আনায়াসে খুজে পাওয়া যায়। অষ্ট্রেলিয়ার কথিত ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন ছাত্রদল দিয়ে। অষ্ট্রেলিয়া বিএনপির একজন প্রবীন রাজনীতিবিদের খুবই কাছের মানুষ ছিলেন তার মাধ্যমেই মোসাদ্দেক আলী ফালুর সাথে পরিচয় এবং এনটিভিতে যোগদান। যেহেতু ঐ প্রবীন রাজনীতিবিদের খুবই কাছের মানুষ ছিলেন তাই তার বাসাতেই আবাধ যাতায়াতের সুযোগ ছিল।সুচতুর নারীলোভী এই রাশেদ শ্রাবন এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঐ প্রবীন রাজনীতিবিদের স্ত্রীর সাথে পরকীয়া নামক নির্লজ্জতায় লিপ্ত হন। একদিন ঘটনা হাতে নাতে ধরার পর ঐ প্রবীন রাজনীতিবিদ রাশেদ শ্রাবন কে উত্তাম মাধ্যম দিয়ে বাসা থেকে বের করে দেন। সুচতর রাশেদ ঘটনা ধামা চাপা দিতে হাত মেলান ঐ প্রবীন রাজনীতিবিদের বিরোধী পক্ষের সাথে। এক অখ্যাত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ঐ রাজনীতিবিদের নামে কুতৎসা রটিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেন।


অষ্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশীদের কমিউনিটিতে এই রাশেদ শ্রাবনের নামে আছে অভিযোগের পাহাড়। কোন অপকর্মের অভিযোগ নেই তার বিরুদ্ধে ? বাংলাদেশ ও অষ্ট্রেলিয়ার সুন্দরী গৃহবধু ও মেয়েরদের কে মডেল বানানো বা মিডিয়াতে কাজ পাইয়ে দেবার নাম তাদের সাথে অনৈতিক কাজ করার আভিযোগ রয়েছে সবার মুখে মুখে। মজার ব্যাপার এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার অনুষ্ঠানে এত স্টাফদের সাথে সবাইকে পরিচয় করা দেওয়া হয় তাতে যে কারোর প্রশ্ন জাগতে পারে অস্ট্রেলিয়ার এসবিএস অথবা চ্যানেল সেভেন বা নাইনের এত স্টাফ আছে কিনা। লক্ষ্যনীয় বিষয় আধিংকাশ স্টাফই সুন্দরী নারী। ওনারা এনটিভি অস্ট্রেলিয়ায় বড় বড় পদ ধারন করে আছেন। কিন্তু ওনারা কি কাজ করেন ? ওনারা এত মানুষ কোথায় অফিস করেন তা কেউই জানেন না। শুধু দেখা যায় এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার অনুষ্ঠানে কড়া মেককাপে সেজেগুজে পুরুষ অতিথিদের সাথে গল্পগুজব করে, আর ছবি তুলে সামাজিক যোগোযোগ সাইটে পোষ্ট করতে। কথিত আছে এদের অনেকের সাথেই নাকি রাশেদ শ্রাবনের ও এর গংদের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশী স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন করে প্রবাসী ছাত্রদের কষ্টার্জিত অর্থ আত্মসাৎের গুরুতর অভিযোগ আছে। আদম পাচারের আভিযোগ আছে। যে সমস্ত প্রবাসী এখনো স্থায়ী হতে পারেননি তাদেরকে স্পনসর পাইয়ে দেবার নাম করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎের আভিযোগ। তার সিডনীর কোগরার বাসাতে নিয়মিত মাদক, জুয়া, আসামাজিক কাজের আসর বসে।
তিনি বিএনপি রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ হলে তিনি যে সকল আনুষ্ঠানের আয়োজন করেন তাতে অষ্ট্রেলিয়া বিএনপির সিনিয়র নেতারা দাওয়াত ও পান না। তার ঘরনার হাতে গোনা দু একজন বিএনপি নেতা গেলে ও মঞ্চে যায়গা পাওয়াতো দুরে থাক, স্থান হয় পেছনের সারিতে। আব্স্হাটা এমন এনটিভি আষ্ট্রেলিয়ার অনুষ্ঠানগুলোতে শুধু সবাই মিলে “জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগানটায় বাকী থাকে আর সবই হয়। অথচ এই টিভি চ্যানেলটির মালিক বিএনপি তথা চারদলীয় জোট সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিপত্তিকে কাজে লাগিয়ে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন। হয়েছেন হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক। নাশকতার মত ধংসাত্মক কাছে তার সম্পৃক্তার অভিযোগ থাকলে ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পাশে দাড়ানোর কোন রেকর্ড নেই। বিএনপি এই ভয়াবহ দূর্ভোগের কারন হলো এই সুসময়ের মাছিরা।
তবে আষ্ট্রেলিয়া আওয়ামীলীগ নেতাদের মনে হয় বড় দূর্দিন যাচ্ছে। কমিউনিটিতে ওনারা মনে হয় খুব একটা দাওয়াত পান না। তা না হলে রাষ্ট্রীয়ভাবে নাশকতার আভিযোগে আভিযুক্ত একজন মদদতার টিভি চ্যানেলে কেন শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন বা তাদের আনুষ্ঠানে গিয়ে গায়ে গা লাগিয়ে হাসিমুখে ফটোসেশনে পোজ দিবেন। অথচ আষ্ট্রেলিয়া কমিউনিটির কোন আনুষ্ঠানে বিএনপি নেতাদের সাথে একই মঞ্চে বসতে বললে তাদের জাত চলে যাই।
যাক ধান বানতে গিয়ে শিবের গীত শুনালাম। আবার আসি সিডনীর সেই লেজ কাটা খেক শিয়ালের গল্পে....। যৌন হয়রানীর অভিযোগে কিছুদিন পূর্বে সিডনীতে এক সাংবাদিক আটকের ঘটনার কথা মনে আছে সবার ? ইন্ডেপিন্ডেট টিভির ঐ সাংবাদিক অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেট বিশ্বকাপ কভার করতে এসেছিলেন। বিমানে কোরিয়ান এক নারীর গায়ে হাত দিয়েছিলেন। এরপর পুলিশ গ্রেপ্তার করে তার নামে যৌন হয়রানীর মামলা করে।


এই কুলাঙ্গার সাংবাদিকের জামিনদার ও আশ্রয়দাতা ছিলেন রাশেদ শ্রাবন। যেহেতু ভিকটিম অস্ট্রেলিয়ার স্থায়ী বসিন্দা ছিলেন না । এবং বিচার চলাকালে আদালতে সাক্ষী দেননি । আইনের ফাক ফোকর দিয়ে নির্দোষ প্রমানিত হন। আসল ঘটনা সবাই অবগত। হাজার সাংবাদিক বিশ্বকাপ কভার করল, করোর নামে কোন অভিযোগ উঠল না উঠল রাশেদ এর বন্ধুর নামে। পাঠক কি বুঝলেন রতনে রতন চেনে .......চেনে কচু। তাকে নিয়ে আবার রাশেদ ছবিসহ সংবাদ ছাপে। বেচারা সাংবাদিক যারা তাকে আগে না চিনত তারা ও এখন ভালভাবেই চেনে। সত্যিই এরকম বন্ধু থাকলে শত্রুর দরকার হয় না।
তবে এই খেক শিয়ালে কিন্তু একা না তার আরো কয়েকজন দোসর রয়েছে । তেমন একজন হলেন কথিত অনলাইন পোর্টাল আপডেট বিডি নিউজ এর প্রধান সম্পাদক রেজাউল হক। যে পোর্টালটি বছরে কয়দিন আপডেট হয় তা হাতে গুনে বলে দেওয়া যাবে। কথায় আছেনা "ভাইয়া লাফ দেয় দুইহাত হেসে গান গায় সারারাত"। অনলাইন পোর্টালটির কাজ প্রবাসীদের নামে মিথ্যা কুৎসা রটানা ও চরিত্রহনন করা। যার সর্বশেষ শিকার সিডনী প্রবাসী সাংবাদিক হ্যাপি রহমান। ভদ্রমহিলা ফ্রি ল্যান্সার হিসেবে প্রথম আলোর প্রবাস পাতায় লেখেন। আমার জানামতে তিনি নিজেকে কখনই প্রথম আলোর প্রতিনিধি দাবী করেননি বা পরিচয় দেননি। কিন্তু তাকে মিথ্যা আপবাদ দিয়ে সাংবাদ ছাপিয়ে মারাত্মকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। অথচ এই ভদ্রমহিলা এনটিভি আষ্ট্রেলিয়া অনেকগুলো অনুষ্ঠান সুন্দর কভারেজ দিয়েছেন। পাঠকভেবে দেখবেন হঠাৎ কেন সাংবাদিক হ্যাপি রহমান পিছনে লাগতে গেল রাশেদ শ্রাবন ও রেজাউল হক গং রা? রহ্যসের গন্ধ পান কি?


আপডেট বিডি নিউজ এর প্রধান সম্পাদক রেজাউল হক ও রাশেদের সাথে রকডেলের এক রেস্টুরেন্ট মালিকের সাথে ব্যাক্তিগত বিরোধের জের ধরে তার ব্যবসায়িক ইমেজকে ধংস করার জন্য "রকডেল এর ......... রেস্টুরেন্ট নোংরা পরিবেশে তেলাপোকার বিরিয়ানী " নামে ভূয়া সংবাদ ছাপে। অথচ রেজাউল হকের মুদি দোকান "বেষ্ট প্রাইসে" নষ্ট, পচা, মেয়াদ উর্ত্তীন পন্য বিক্রির জন্য কুখ্যাত। আছে কাষ্টমার সাথে দূর্ব্যাবহার, কর্মচারীদের পাওনা আত্মসাৎ, স্পনসর দেওয়ার নাম করে বিপুল অর্থ আত্মসাতের আভিযোগ। জীবনে কখন এক পাতার সম্পাদকীয় লিখছেন কিনা তা লেখার কোন যোগ্যতা আছে কিনা তা সিডনী প্রবাসী সাংবাদিকরাই ভালো বলতে পারবেন। তবে নিজেকে আবার অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি দাবী করেন তিনি। এই ভুয়া প্রেসক্লাবের সাথে রাশেদ গং দু একজন ছাড়া প্রবাসী আর কোন সাংবাদিক নেই। এই গং আরো সক্রিয় সদ্স্য হচ্ছে রিসাব আসিফ ও সায়মন সরোয়ার । রাশেদের পাল্লায় পড়ে এদের ও লেজ কাটা গেছে । তাই হয়ত ইচ্ছা না থাকা সত্বেও তার অপকর্মের সঙ্গী হতে হয়।


এবার আসি আরেকজন লেজ কাটা খেক শিয়ালের কথায় যাকে রাশেদ ও রেজাউল হক গংদের মহা গুরু বলতে পারেন । আকিদুল ইসলামকে নাট্য নির্মাতা হিসেবে সবাই এখন চেনে। নামের শেষে ইসলাম থাকলে তার জীবনে আপনি ইসলামের লেশ খুজে পাবেন না। তার কুকির্তীগুলো এক সময় অস্ট্রেলিয়ায় আলোচিত পোর্টাল "কর্নফুলীতে" প্রকাশ হত। তাই কাহিনী গুলো লিখে পাঠকদের ধর্য্যচূতি করতে চাই না। যারা জানেন না তারা কর্নফুলী সম্পাদকের সাথে যোগযোগ করে জেনে নিতে পারেন। তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী হওয়ার জন্য নিজের স্ত্রীকে অন্যের সাথে লিভ টুগেদার করতে দিতেন। পরে আবার তাকেই নিয়েই সংসার করছেন। এরকম একজন বিকৃতিরুচির মানুষ নাকি কমিউনিটির বিভিন্ন জনের চারিত্রিক সনদ দিচ্ছেন। কে চোর, কে ভালো মানুষ, কে বাটপার। কথায় বলে চোরের মায়ের বড় গলা। নাস্তিকতা আর বহুগামিতার কারনে তিনি তার বন্ধু মহল থেকে এক প্রকার বিতাড়িত। মিডিয়ায় স্থান করে দেবার নামে যে গত মেয়ের সর্বনাশ করছেন তার হিসাব নেই।


তাই এই সকল লেজ কাটা খেক শিয়াল থেকে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখুন, ব্যবসায়িক লেনদেন থেকে বিরত থাকুন, এদের অনুষ্ঠানগুলো বয়কট করুন কারন অনুষ্ঠানে নাম করেই এরা আপনার বা আপনার পরিবারের সদস্যদের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ নেবে। এবং এরপর আপনার পরিবারের মধ্যে আপনার আজান্তেই অশ্লীলতা ছড়িয়ে দেবে।কারন শয়তান চায় তার দল ভারী হউক। আর র্নিলজ্জ বেশরম চায় সবাই লজ্জা হারিয়ে ফেলুক।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভ্যাস বিষয়ে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১২

অভ্যাস আসলে কীভাবে তৈরি হয়?

আমরা অনেক সময় ভাবি, কোনো একটা অভ্যাস তৈরি করতে হলে অনেক বেশি Willpower দরকার।

আসলে ব্যাপারটা একটু অন্যরকম।

আপনি যদি প্রতিদিন এক ঘণ্টা বই পড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×